ঢাবির ‘নীল দলের’ ২৩১ শিক্ষকের বিচার চাইলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ July, ২০২৬

ঢাবির ‘নীল দলের’ ২৩১ শিক্ষকের বিচার চাইলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ July, ২০২৬ |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক সংগঠন ‘নীল দল’-এর ২৩১ জন শিক্ষকের বিচার দাবি করে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকমণ্ডলী’ নামের একটি সংগঠন। তারা নীল দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং সংগঠনের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, নীল দলের ওই শিক্ষকরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং গত ১৭ বছরে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ও ভিন্নমতাবলম্বী শিক্ষকদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছেন। সংগঠনটির দাবি, আওয়ামী সরকারের আমলে ‘নীল দল’-এর সক্রিয় সদস্যরা ক্ষমতাসীনদের পক্ষ নিয়ে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করেছেন। এই ঘটনার প্রেক্ষাপট আরও পুরনো এক ধারাবাহিকতার অংশ—এর আগে গত জুলাই মাসেই বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠন ‘সাদা দল’ও একইভাবে একদল শিক্ষককে

‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ ও ‘গণহত্যার হুকুমদাতার পৃষ্ঠপোষক’ আখ্যা দিয়ে শাস্তির দাবি তুলেছিল। সাদা দলের ওই কর্মসূচিতে সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক আবুল কালাম সরকার অবশ্য সতর্কতার সুরে বলেছিলেন, নিরপরাধ কোনো শিক্ষক যেন হয়রানির শিকার না হন, আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে কেবল তখনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে বাস্তবে অভিযোগগুলো কতটা যাচাই-বাছাই করে তৈরি হচ্ছে, নাকি সাংগঠনিক রাজনৈতিক বিভাজনের ভিত্তিতে তালিকা করা হচ্ছে—তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে সতর্ক অবস্থান লক্ষ করা গেছে। এর আগে সাদা দলের দাবির জবাবে ঢাবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেছিলেন, দাবিটি আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা

হবে। ভিন্নমত ও উদ্বেগ শিক্ষক সমাজের একাংশ মনে করছেন, রাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে সহকর্মীদের গণহারে ‘বিচারযোগ্য’ ঘোষণা করার এই প্রবণতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীন-মতপ্রকাশের পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাদের যুক্তি—দলীয় পরিচয় বা সংগঠনের সদস্যপদ থাকা মাত্রই কাউকে অপরাধী গণ্য করা এবং শত শত জনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে শাস্তির দাবি তোলা প্রমাণনির্ভর বিচারপ্রক্রিয়ার বদলে সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ইঙ্গিত দিতে পারে বলে তারা মনে করছেন। অন্যদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা ন্যায়বিচারের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো এই সাম্প্রতিক স্মারকলিপির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান স্পষ্টতই বিপরীতমুখী, এবং প্রকৃত অভিযোগ ও প্রমাণ যাচাইয়ের প্রক্রিয়া কীভাবে এগোয়, তার

ওপর নির্ভর করছে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের