ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, আরও বাড়বে দেশে
বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম
৪১ বিলিয়ন ইউরোর বাজার ক্রমশ সংকুচিত: ইইউতে পোশাক রপ্তানি কমল ১৬.৪৩%, কমেছে দরও
নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যে কোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
জুনে ১ লাখ ১৮ হাজার হিসাব বেড়েছে স্কুল ব্যাংকিংয়ে
অকার্যকর তিন এনবিএফআই’র শেয়ার শূন্যের পথে, দিশেহারা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী
চিংড়ি রপ্তানি কমেছে ৬২ শতাংশ, বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়া
বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির: দেশের জ্বালানি সংকটের দ্রুত কোনো সমাধান নেই
দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের দ্রুত কোনো সমাধানের সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে সরকার এ সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আজ ২৬শে জুলাই,রোববার সচিবালয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণবিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাস্তবতা তো বাস্তবতাই। দেশের মাটির নিচ থেকে যে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে সেটি আর বাড়ানোর সুযোগ নেই। ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে।
বর্তমানে দুটি এফএসআরইউ রয়েছে। এই দুটি এফএসআরইউ দিয়ে এর বেশি এলএনজি আমদানি করা সম্ভব নয়। ফলে রাতারাতি জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, বলেন
তিনি। মন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয় আরও দুটি এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে। সরকার এ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী বলেন, এটা সত্য যে জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশের শিল্প কারখানাগুলোর ইনস্টল ক্যাপাসিটির ৩০ শতাংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তবে রাতারাতি এর কোনো সলিউশন নেই। সরকার এই সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি ঘাটতিসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের বর্তমান সরকার নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ৫-৬টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করা হবে। সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান
খান এবং প্রধান প্রধান রপ্তানি খাতের সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি। মন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয় আরও দুটি এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে। সরকার এ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী বলেন, এটা সত্য যে জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশের শিল্প কারখানাগুলোর ইনস্টল ক্যাপাসিটির ৩০ শতাংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তবে রাতারাতি এর কোনো সলিউশন নেই। সরকার এই সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি ঘাটতিসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের বর্তমান সরকার নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ৫-৬টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করা হবে। সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান
খান এবং প্রধান প্রধান রপ্তানি খাতের সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



