ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যে কোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
জুনে ১ লাখ ১৮ হাজার হিসাব বেড়েছে স্কুল ব্যাংকিংয়ে
অকার্যকর তিন এনবিএফআই’র শেয়ার শূন্যের পথে, দিশেহারা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী
চিংড়ি রপ্তানি কমেছে ৬২ শতাংশ, বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়া
এক সপ্তাহে ডিমের দাম বাড়ল দেড়গুণ, ডজন ঠেকল ১৮০ টাকায়: সিন্ডিকেট ভাঙবে কে?
দাম বাড়ল জেট ফুয়েলের
এটিএমে কার্ড স্পর্শ করেই তোলা যাবে টাকা, নেই আটকে যাওয়ার ভয়
৪১ বিলিয়ন ইউরোর বাজার ক্রমশ সংকুচিত: ইইউতে পোশাক রপ্তানি কমল ১৬.৪৩%, কমেছে দরও
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে ৮ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম।
ইইউর সামগ্রিক পোশাক আমদানির বাজারও একই সময়ে সংকুচিত হয়েছে। তবে ওই বাজারে সামগ্রিক আমদানি কমার তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি পতনের হার প্রায় দ্বিগুণ।
ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল জানান, বছরের প্রথম ছয় মাসে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৮ দশমিক ২২ শতাংশ কমেছে।
একই সময়ে প্রতি ইউনিট পোশাকের গড় রপ্তানি মূল্যও কমেছে
৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। তবে জুন মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। ওই মাসে ইইউতে রপ্তানি আগের বছরের জুনের তুলনায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বাড়লেও গড় রপ্তানি মূল্য কমেছে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। ইইউর পুরো পোশাক আমদানি বাজারের চিত্রও বাংলাদেশের জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইইউ মোট ৪১ দশমিক ১০ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক আমদানি করেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ আমদানি ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ কম। আমদানির পরিমাণ কমেছে ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং গড় ইউনিট মূল্য
কমেছে ৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপজুড়ে ভোক্তাদের চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়া এবং পোশাকের দাম কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে আমদানির বাজারে। ফলে শুধু বাংলাদেশ নয়, ইইউর বাজারে পোশাক সরবরাহকারী অধিকাংশ প্রধান দেশই রপ্তানি কমার মুখে পড়েছে। প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কের পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। পাকিস্তানের কমেছে ১২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, ভারতের ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ১১ দশমিক ২১ শতাংশ, চীনের ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তবে এই প্রবণতার ব্যতিক্রম ভিয়েতনাম। ইইউর বাজারে দেশটির পোশাক রপ্তানি শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। যদিও একই সময়ে ভিয়েতনামের রপ্তানির পরিমাণ ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে, গড়
ইউনিট মূল্য ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় দেশটি মোট রপ্তানি মূল্যে সামান্য প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার ক্ষেত্রেও গড় ইউনিট মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। কিন্তু রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় মূল্য বৃদ্ধির সুফল সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে ধরে রাখতে পারেনি দেশ দুটি। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বিশ্লেষণে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে রপ্তানি কমার হার। ইইউর সামগ্রিক পোশাক আমদানি যেখানে ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ কমেছে, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ এবং গড় ইউনিট মূল্য—দুটিই কমেছে। ফলে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত একদিকে দুর্বল চাহিদার চাপ, অন্যদিকে কমে যাওয়া পণ্যমূল্যের
মুখে পড়েছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি পতন তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ইউরোপের বাজারে দেশের পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। তবে জুন মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। ওই মাসে ইইউতে রপ্তানি আগের বছরের জুনের তুলনায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বাড়লেও গড় রপ্তানি মূল্য কমেছে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। ইইউর পুরো পোশাক আমদানি বাজারের চিত্রও বাংলাদেশের জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইইউ মোট ৪১ দশমিক ১০ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক আমদানি করেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ আমদানি ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ কম। আমদানির পরিমাণ কমেছে ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং গড় ইউনিট মূল্য
কমেছে ৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপজুড়ে ভোক্তাদের চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়া এবং পোশাকের দাম কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে আমদানির বাজারে। ফলে শুধু বাংলাদেশ নয়, ইইউর বাজারে পোশাক সরবরাহকারী অধিকাংশ প্রধান দেশই রপ্তানি কমার মুখে পড়েছে। প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কের পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। পাকিস্তানের কমেছে ১২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, ভারতের ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ১১ দশমিক ২১ শতাংশ, চীনের ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তবে এই প্রবণতার ব্যতিক্রম ভিয়েতনাম। ইইউর বাজারে দেশটির পোশাক রপ্তানি শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। যদিও একই সময়ে ভিয়েতনামের রপ্তানির পরিমাণ ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে, গড়
ইউনিট মূল্য ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় দেশটি মোট রপ্তানি মূল্যে সামান্য প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার ক্ষেত্রেও গড় ইউনিট মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। কিন্তু রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় মূল্য বৃদ্ধির সুফল সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে ধরে রাখতে পারেনি দেশ দুটি। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বিশ্লেষণে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে রপ্তানি কমার হার। ইইউর সামগ্রিক পোশাক আমদানি যেখানে ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ কমেছে, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ এবং গড় ইউনিট মূল্য—দুটিই কমেছে। ফলে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত একদিকে দুর্বল চাহিদার চাপ, অন্যদিকে কমে যাওয়া পণ্যমূল্যের
মুখে পড়েছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি পতন তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ইউরোপের বাজারে দেশের পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।



