বিশ্ববাজারে দাম নিম্নমুখী, অথচ দেশে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানির দাম! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ September, ২০২৬

বিশ্ববাজারে দাম নিম্নমুখী, অথচ দেশে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানির দাম!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ September, ২০২৬ |
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম সাম্প্রতিক উচ্চতা থেকে কমতে শুরু করেছে। গত ১০ই সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে উঠেছিল। গতকাল শুক্রবার তা নেমে আসে ১০৪ দশমিক ৮৭ ডলারে। আর আজ সোমবার সকালে ব্রেন্টের দাম আরও কমে ১০২ ডলারের কাছাকাছি নেমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেল বা ডব্লিউটিআইয়ের দামও ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার এই প্রবণতার মধ্যেই বাংলাদেশে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। গতকাল রোববার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ নতুন দাম ঘোষণা করে। আজ সোমবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেলের দাম ১১৫

টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে গত ১০ই সেপ্টেম্বরের তুলনায় ব্রেন্টের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমলেও দেশের বাজারে ভোক্তাদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল প্রায় ১৭ শতাংশ। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান দামও বছরের আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বাজার এখনো অস্থির। ফলে শুধু এক-দুই দিনের আন্তর্জাতিক দর বিবেচনা করে বাংলাদেশের খুচরা দাম নির্ধারণ করা হয় না। আন্তর্জাতিক বাজারে কী ঘটছে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ১০ই সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে উঠেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত

এবং তেল পরিবহন নিয়ে নতুন করে সরবরাহ-সংকটের আশঙ্কায় ওই দিন দাম বেড়েছিল। এরপর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। ১৮ই সেপ্টেম্বর ব্রেন্টের দাম কমে ১০৪ দশমিক ৮৭ ডলারে নেমে আসে। এরপর সোমবার সকালে ব্রেন্টের নভেম্বরের চুক্তির দাম ১০২ দশমিক ০৯ ডলারে নেমে যায়। অর্থাৎ মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সর্বশেষ উচ্চতা থেকে দাম প্রায় ৫ ডলার কমেছে। ডব্লিউটিআইয়ের দামও ১০০ ডলারের নিচে নেমেছে। রয়টার্স বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতার সম্ভাবনা এবং সৌদি আরব থেকে তেল সরবরাহ আংশিক স্বাভাবিক হওয়ার আশা বাজারে কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে। ফলে তেলের দামের ওপর থাকা ঝুঁকির বাড়তি অংশ কিছুটা কমেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এখনো ১০০ ডলারের ওপরে থাকায় এটিকে

বড় ধরনের পতন বলা যায় না। বরং সাম্প্রতিক উচ্চতা থেকে কিছুটা সংশোধন হয়েছে। দেশে দাম বাড়ানোর কারণ কী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাবে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে বিপিসির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা। এর আগে সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। তখন ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল। ফলে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার আগে চার মাস ধরে একই দামে জ্বালানি তেল বিক্রি

হয়েছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, দাম বাড়ানোর ফলে বিপিসির লোকসান কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দামের পার্থ্যের কারণে পাচারের যে ঝুঁকি তৈরি হয়, সেটিও কমানোর যুক্তি দেখিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক দাম কমলে দেশের বাজারে কমবে কবে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সরাসরি একই দিনে ওঠানামা করে না। ২০২৩ সালে সরকার সূত্রভিত্তিক মূল্য সমন্বয় ব্যবস্থা চালু করে। এই ব্যবস্থার আওতায় আন্তর্জাতিক বাজারের দাম, আমদানি ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে আজ দাম কিছুটা কমলেই পরদিন দেশের পাম্পে তার প্রতিফলন দেখা যাবে—এমন নয়।

আবার আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে আমদানি, পরিবহন ও অন্যান্য ব্যয়ের প্রভাবও দামের ওপর পড়ে। এবারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকার শুধু অপরিশোধিত তেলের দাম নয়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জাহাজভাড়া ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগের হিসাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পণ্যের দাম মার্চের তুলনায় অনেক বেড়েছে। ভোক্তার ওপর চাপ নতুন দামে ডিজেলের মূল্য এক লাফে ২০ টাকা বাড়ায় এর প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত গাড়ি বা মোটরসাইকেলের জ্বালানি খরচে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের পরিবহন, কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পের বড় অংশ ডিজেলনির্ভর। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল ব্যবহৃত হয়, যা মোট পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৬৪ শতাংশ। এর প্রায় ৬০

শতাংশ পরিবহন খাতে, ১৫ শতাংশ কৃষিতে সেচকাজে, ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে এবং প্রায় ৫ শতাংশ শিল্পে ব্যবহৃত হয়। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয়, পণ্য পরিবহন, কৃষি উৎপাদন ও শিল্পের পরিচালন ব্যয়ে এর প্রভাব পড়তে পারে। পরে সেই বাড়তি ব্যয়ের একটি অংশ পণ্য ও সেবার দামে যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে সরকারের হিসাবে, দাম বাড়ানোর আগে শুধু ডিজেল বিক্রিতেই বিপিসির দৈনিক লোকসান ছিল প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। নতুন দাম কার্যকর হলে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত বিপিসির লোকসান কমতে পারে বলে সরকার মনে করছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে গত কয়েক দিনে তেলের দাম কিছুটা কমলেও বাংলাদেশে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে আগের কয়েক মাসের উচ্চ আমদানি ব্যয়, পরিবহন ব্যয় এবং বিপিসির বড় লোকসানের হিসাব। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও কমে এলে সেই কমতির সুফল দেশের ভোক্তারা কবে পাবেন, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের