ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দামের আগুনে পোড়ছে দরিদ্রের থালা: ডিম-মাছ এখন নিম্নবিত্তের জন্য বিলাসিতা
১০ মাসের মধ্যে আগস্টে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি
উচ্চমূল্যে মার্কিন গম ক্রয়: সরকারের দাবি বৃহত্তর কৌশল, অথচ ভুক্তভোগী ভোক্তা এবং দেশের অর্থনীতি
নবম পে স্কেল নিয়ে বড় সুখবর, অবশেষে আজ ভেটিংয়ে উঠল
১০ ডলারের এলএনজি ৩০ ডলারে কিনছে বিএনপি সরকার
কোথায় কত দামে ডিম বিক্রি হবে, নিয়ন্ত্রণ করে ‘হোয়াটসঅ্যাপ সিন্ডিকেট’: নীরব প্রশাসন
কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে চললেও কমছে সাধারণের ক্রয়ক্ষমতা, দরিদ্রের খাবারে পড়েছে টান
আবারও জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধিঃ ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল
দেশের বাজারে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকায় বিক্রি হবে। আগামীকাল সোমবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
আজ রোববার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন বা ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থ বিবেচনায় দেশে তা পুরোপুরি সমন্বয় করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারের বাড়তি দামের কারণে চলতি বছরের মার্চ থেকে
আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। এর আগে দেশের বাজারে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রল ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে চার ধরনের জ্বালানির দামই একসঙ্গে ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়েছিল। ওই সময় কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা, পেট্রলের দাম ১৯ টাকা এবং অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়। পরে জুনে কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম আরও ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়েছিল। এরপর জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি তেলের
দাম অপরিবর্তিত ছিল। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর বিবেচনায় দেশে বিক্রি করা প্রতি লিটার ডিজেলে বিপিসির প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে ডিজেল বিক্রিতে দৈনিক প্রায় ১০৯ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। একই হারে লোকসান চলতে থাকলে শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতে পারে। জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর ফলে বিপিসির এই লোকসান বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পুরো চাপ একসঙ্গে দেশের বাজারে সমন্বয় না করায় বিপিসির ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। সেই চাপ কমাতেই নতুন
করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব দেশের পরিবহন খাতে পড়তে পারে। ডিজেলনির্ভর বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যান ও কৃষিযন্ত্রের পরিচালন ব্যয় বাড়বে। পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়লে এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও পড়তে পারে। ফলে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর পরিবহন ও পণ্যবাজারে এর প্রভাব কতটা পড়ে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। এর আগে দেশের বাজারে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রল ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে চার ধরনের জ্বালানির দামই একসঙ্গে ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়েছিল। ওই সময় কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা, পেট্রলের দাম ১৯ টাকা এবং অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়। পরে জুনে কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম আরও ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়েছিল। এরপর জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি তেলের
দাম অপরিবর্তিত ছিল। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর বিবেচনায় দেশে বিক্রি করা প্রতি লিটার ডিজেলে বিপিসির প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে ডিজেল বিক্রিতে দৈনিক প্রায় ১০৯ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। একই হারে লোকসান চলতে থাকলে শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতে পারে। জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর ফলে বিপিসির এই লোকসান বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পুরো চাপ একসঙ্গে দেশের বাজারে সমন্বয় না করায় বিপিসির ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। সেই চাপ কমাতেই নতুন
করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব দেশের পরিবহন খাতে পড়তে পারে। ডিজেলনির্ভর বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যান ও কৃষিযন্ত্রের পরিচালন ব্যয় বাড়বে। পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়লে এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও পড়তে পারে। ফলে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর পরিবহন ও পণ্যবাজারে এর প্রভাব কতটা পড়ে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।



