ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত উৎপাদন, ঝুঁকিতে রপ্তানি ও লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থান
উৎপাদন কর্মসংস্থান ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ
বাড়ছে ডলারের দাম
দেশে স্বর্ণের দামে পতন
বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির: দেশের জ্বালানি সংকটের দ্রুত কোনো সমাধান নেই
চরম গ্যাস সংকটে উৎপাদনে ধস: সংকটে শিল্প, শঙ্কায় রপ্তানি ও কর্মসংস্থান
৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের ৪২% খেলাপি, বাড়ছে বড় ঋণের ঝুঁকি
বাংলাদেশকে টনপ্রতি ১০ ডলার কমে সার বিক্রির প্রস্তাব রাশিয়ার, মার্কিন অনুমতি নিয়ে শঙ্কা
বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের তুলনায় প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারে ১০ মার্কিন ডলার কম দামে সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। তবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন সম্ভব কি না, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি মিলবে কি না, প্রশ্ন থাকছে।
২৮শে জুলাই, মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিনের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি সহযোগিতা, ইউরিয়া সার সরবরাহ এবং সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
তবে
আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া থেকে বাংলাদেশের সার ক্রয়ের বিষয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছের ওপর নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশ এমনভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে যে, অন্য কোনো দেশ থেকে- বিশেষ করে রাশিয়া থেকে কোনো কিছু ক্রয় করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হবে বাংলাদেশকে। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ও তারেক রহমানের বিএনপি সরকার এবং তাদের মিত্রপক্ষ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে এনডিএ (নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট) চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে, তার আলোকে বাংলাদেশের এখন আর নিজ সিদ্ধান্তে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি বা ক্রয় সম্পন্ন করা দুরূহ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। চুক্তির শর্ত মোতাবেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, এমন কোনো দেশ থেকে আমদানি বা
চুক্তি করতে পারবে না বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি ছাড়া। পর্যালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি মিললেই কেবল চুক্তি হওয়া সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র যদি অনুমতি না দেয়, তবে অন্য দেশ থেকে কিছু আমদানি করতে পারবে না বাংলাদেশ। তাই রাশিয়া যতোই সস্তায় সার রপ্তানি করার প্রস্তাব দেক না কেন বাংলাদেশকে, তা বাস্তবায়ন নির্ভর করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদনের ওপর। রাশিয়া ও ইউক্রেনসহ কয়েকটি দেশ থেকে যে দরে গম ক্রয় করা যেত, তার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে বাংলাদেশকে গম আমদানি করতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। একই পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে রাশিয়ার প্রস্তাবের ক্ষেত্রেও। প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র অধিক মূল্যে বাংলাদেশকে সার বিক্রি করতে চাইবে, তবুও রাশিয়া থেকে ক্রয়ের অনুমতি দেবে না-
এমনটা মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মাধ্যমে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) কাছে জিটুজি ব্যবস্থায় প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টন ইউরিয়া সার সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। বর্তমানে বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে ইউরিয়া আমদানি করে, সেসব দেশের তুলনায় প্রতি টনে ১০ মার্কিন ডলার কম দামে সার সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও কমবে বলে আশা করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং রাশিয়ার জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে সহযোগিতা আরও জোরদারের
বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে সূর্যমুখী তেল, হলুদ মটরশুঁটি, ছোলা, লাল মসুর ডাল ও সবুজ মসুর ডালসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তারা। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির রাশিয়ার বাণিজ্য সম্প্রসারণের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধাকে গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করা হবে। বৈঠকের শেষে বাংলাদেশ ও রাশিয়া দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া থেকে বাংলাদেশের সার ক্রয়ের বিষয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছের ওপর নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশ এমনভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে যে, অন্য কোনো দেশ থেকে- বিশেষ করে রাশিয়া থেকে কোনো কিছু ক্রয় করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হবে বাংলাদেশকে। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ও তারেক রহমানের বিএনপি সরকার এবং তাদের মিত্রপক্ষ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে এনডিএ (নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট) চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে, তার আলোকে বাংলাদেশের এখন আর নিজ সিদ্ধান্তে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি বা ক্রয় সম্পন্ন করা দুরূহ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। চুক্তির শর্ত মোতাবেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, এমন কোনো দেশ থেকে আমদানি বা
চুক্তি করতে পারবে না বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি ছাড়া। পর্যালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি মিললেই কেবল চুক্তি হওয়া সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র যদি অনুমতি না দেয়, তবে অন্য দেশ থেকে কিছু আমদানি করতে পারবে না বাংলাদেশ। তাই রাশিয়া যতোই সস্তায় সার রপ্তানি করার প্রস্তাব দেক না কেন বাংলাদেশকে, তা বাস্তবায়ন নির্ভর করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদনের ওপর। রাশিয়া ও ইউক্রেনসহ কয়েকটি দেশ থেকে যে দরে গম ক্রয় করা যেত, তার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে বাংলাদেশকে গম আমদানি করতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। একই পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে রাশিয়ার প্রস্তাবের ক্ষেত্রেও। প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র অধিক মূল্যে বাংলাদেশকে সার বিক্রি করতে চাইবে, তবুও রাশিয়া থেকে ক্রয়ের অনুমতি দেবে না-
এমনটা মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মাধ্যমে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) কাছে জিটুজি ব্যবস্থায় প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টন ইউরিয়া সার সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। বর্তমানে বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে ইউরিয়া আমদানি করে, সেসব দেশের তুলনায় প্রতি টনে ১০ মার্কিন ডলার কম দামে সার সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও কমবে বলে আশা করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং রাশিয়ার জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে সহযোগিতা আরও জোরদারের
বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে সূর্যমুখী তেল, হলুদ মটরশুঁটি, ছোলা, লাল মসুর ডাল ও সবুজ মসুর ডালসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তারা। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির রাশিয়ার বাণিজ্য সম্প্রসারণের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধাকে গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করা হবে। বৈঠকের শেষে বাংলাদেশ ও রাশিয়া দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়।



