ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঝিনাইদহে গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে একজন নিহত
বন্দরে বৈষম্যবিরোধী মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা
চোরাই মোটরসাইকেলসহ ডিবির হাতে আটক জামায়াত নেতার বাবা
২৮ বছর বয়সি তরুণীর মাদকে জড়িয়ে পড়ার গল্প
প্রকৃত ইমাম-খাদেমদের বাদ দিয়ে তালিকায় ঢোকানো হলো জামায়াত-শিবির কর্মীদের নাম
চাঁদাবাজির কবলে সন্দ্বীপের নৌরুট: ঘাটে আটকা পড়ে চিকিৎসার অভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু
নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭
নিখোঁজের দুদিন পর ডোবায় গুম করা আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া নায়েব আলী (৬০) নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২১শে আগস্ট, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধজনগর গ্রামের একটি ডোবা থেকে তার লাশটি পাওয়া যায়।
প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পরই লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে ডোবায় ফেলে রাখা হয়েছিল।
ধজনগর গ্রামের প্রয়াত আবদুর রহিমের সন্তান নায়েব আলী গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পরিবার জানায়, গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাতের খাবার শেষ করে তিনি বাড়ির পার্শ্ববর্তী কলাবাগানে যান। এরপর আর ফিরেননি। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বাগানে তার ব্যবহৃত
জিনিসপত্র অগোছালো ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পেটে থাকতে দেখেন। এই সূত্র ধরে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পাশের ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে নায়েব আলীর মরদেহ খুঁজে পান স্বজনরা। নিহতের শরীর ও পিঠে একাধিক স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার নেপথ্যের কারণ হিসেবে নিহতের ছোট ভাই ও সাবেক সেনাসদস্য মনির হোসেন জানান, সম্প্রতি স্থানীয় মাদককারবারিদের আস্তানা উচ্ছেদে নায়েব আলী অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। পাশাপাশি তার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপির সন্ত্রাসীরা তার ওপর একাধিকবার মব হামলা চালায় এবং মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করে। সাদা মনের মানুষ হিসেবে এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা থাকায় স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি বারবার বেঁচে গেলেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও প্রতিশোধপরায়ণ
গোষ্ঠীর পরিকল্পিত আক্রমণের শিকার হতে হলো তাকে। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত ও কালশিটে দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে লাশটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জিনিসপত্র অগোছালো ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পেটে থাকতে দেখেন। এই সূত্র ধরে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পাশের ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে নায়েব আলীর মরদেহ খুঁজে পান স্বজনরা। নিহতের শরীর ও পিঠে একাধিক স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার নেপথ্যের কারণ হিসেবে নিহতের ছোট ভাই ও সাবেক সেনাসদস্য মনির হোসেন জানান, সম্প্রতি স্থানীয় মাদককারবারিদের আস্তানা উচ্ছেদে নায়েব আলী অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। পাশাপাশি তার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপির সন্ত্রাসীরা তার ওপর একাধিকবার মব হামলা চালায় এবং মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করে। সাদা মনের মানুষ হিসেবে এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা থাকায় স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি বারবার বেঁচে গেলেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও প্রতিশোধপরায়ণ
গোষ্ঠীর পরিকল্পিত আক্রমণের শিকার হতে হলো তাকে। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত ও কালশিটে দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে লাশটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।



