ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাগেরহাটে জমি-জমার বিরোধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগ কর্মী খুন
এবার কুমিল্লায় মা-ভাবি ও ৮ মাসের ভাতিজিকে কুপিয়ে-আছড়ে হত্যা
কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে মামলা: ঘরছাড়া ৫ গ্রামের কৃষক
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে তিন স্কুলশিক্ষার্থী নিখোঁজ
মানিকগঞ্জে প্রবাসী ঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলে থাকার অভিযোগ: গ্রেপ্তার বেড়ে ১৭৯
তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: রাস্তায় অচেতন পড়ে থাকা তরুণীর হাসপাতালে মৃত্যু
নিখোঁজের দুদিন পর ডোবায় গুম করা আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া নায়েব আলী (৬০) নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২১শে আগস্ট, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধজনগর গ্রামের একটি ডোবা থেকে তার লাশটি পাওয়া যায়।
প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পরই লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে ডোবায় ফেলে রাখা হয়েছিল।
ধজনগর গ্রামের প্রয়াত আবদুর রহিমের সন্তান নায়েব আলী গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পরিবার জানায়, গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাতের খাবার শেষ করে তিনি বাড়ির পার্শ্ববর্তী কলাবাগানে যান। এরপর আর ফিরেননি। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বাগানে তার ব্যবহৃত
জিনিসপত্র অগোছালো ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পেটে থাকতে দেখেন। এই সূত্র ধরে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পাশের ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে নায়েব আলীর মরদেহ খুঁজে পান স্বজনরা। নিহতের শরীর ও পিঠে একাধিক স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার নেপথ্যের কারণ হিসেবে নিহতের ছোট ভাই ও সাবেক সেনাসদস্য মনির হোসেন জানান, সম্প্রতি স্থানীয় মাদককারবারিদের আস্তানা উচ্ছেদে নায়েব আলী অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। পাশাপাশি তার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপির সন্ত্রাসীরা তার ওপর একাধিকবার মব হামলা চালায় এবং মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করে। সাদা মনের মানুষ হিসেবে এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা থাকায় স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি বারবার বেঁচে গেলেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও প্রতিশোধপরায়ণ
গোষ্ঠীর পরিকল্পিত আক্রমণের শিকার হতে হলো তাকে। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত ও কালশিটে দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে লাশটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জিনিসপত্র অগোছালো ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পেটে থাকতে দেখেন। এই সূত্র ধরে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পাশের ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে নায়েব আলীর মরদেহ খুঁজে পান স্বজনরা। নিহতের শরীর ও পিঠে একাধিক স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার নেপথ্যের কারণ হিসেবে নিহতের ছোট ভাই ও সাবেক সেনাসদস্য মনির হোসেন জানান, সম্প্রতি স্থানীয় মাদককারবারিদের আস্তানা উচ্ছেদে নায়েব আলী অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। পাশাপাশি তার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপির সন্ত্রাসীরা তার ওপর একাধিকবার মব হামলা চালায় এবং মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করে। সাদা মনের মানুষ হিসেবে এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা থাকায় স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি বারবার বেঁচে গেলেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও প্রতিশোধপরায়ণ
গোষ্ঠীর পরিকল্পিত আক্রমণের শিকার হতে হলো তাকে। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত ও কালশিটে দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে লাশটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।



