ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাশিয়া-মিয়ানমার সম্পর্ক: নিরাপত্তা থেকে অর্থনৈতিক জোটের দিকে
সিরিয়ায় ইসরায়েল-তুরস্ক উত্তেজনা: পশ্চিম এশিয়ায় কি নতুন এক ফ্রন্ট খুলছে?
কারাবন্দি সাবেক পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত
আয়ারল্যান্ডে ৪২৯ কোটি টাকার দুর্গ কিনলেন জাকারবার্গ
যুদ্ধে আরও মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি ইরানের
নাটালির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কের গুঞ্জন, মেলানিয়ার প্রতিক্রিয়া কী?
মধ্যপ্রাচ্য থেকে ২০ হাজার পাকিস্তানিকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বহিষ্কার
পাকিস্তানিদের উৎপাতে অতিষ্ট মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নাগরিক জীবন। ফলে চলতি বছরের ১লা মার্চ থেকে ১৩ই জুলাইয়ের মধ্যবর্তী সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ২০ হাজারের বেশি পাকিস্তানি নাগরিককে ‘ঘাড় ধাক্কা দিয়ে’ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ফেরত পাঠানোর এই তালিকায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
সম্প্রতি পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে পেশ করা তথ্যে এ চিত্র ফুটে উঠেছে।
পাকিস্তানের নারকোটিক্স কন্ট্রোল মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা যায়, মূলত ভিক্ষাবৃত্তি, সীমান্ত আইন লঙ্ঘন, নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণেই মূলত উপসাগরীয় দেশগুলো এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
উক্ত সময়ের মধ্যে একক দেশ হিসেবে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৫০০ জন পাকিস্তানিকে ফেরত পাঠিয়েছে
সৌদি আরব। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে ৩ হাজার ৮০৩ জনকে। এছাড়া অন্যান্য দেশের মধ্যে ওমান ১ হাজার ৬০৬ জন, বাহরাইন ৫২১ জন, কাতার ৪২৯ জন এবং কুয়েত ৯৭ জন পাকিস্তানিকে দেশে ফেরত পাঠায়। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেআইনি অনুপ্রবেশ, ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও অবস্থান, ভিক্ষাবৃত্তি, মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ, নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরির মতো সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগেই এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়। প্রত্যাবাসন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ হাজার ৬২৮ জন বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত বা পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি এবং ১ হাজার ২৯৪ জন সাজা ভোগ শেষ করে দেশে ফিরেছেন। তাছাড়া ৯৬৮ জনকে স্থায়ীভাবে কালো তালিকাভুক্ত
বা ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়েছে। একই সাথে ১,১৫৫ জন পাসপোর্ট হারানো ব্যক্তি, ৬৮৯ জন ভিসা নীতি ভঙ্গকারী এবং ৩৪২ জন বিমানবন্দরে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় ফিরে আসতে বাধ্য হন। তবে এর বাইরে থাকা আরও প্রায় ৬ হাজার জনকে ফেরত পাঠানোর পেছনে সুনির্দিষ্ট কী কারণ ছিল, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি। প্রতিবেদনে আরও তুলে ধরা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার সময় বিভিন্ন শহরে ইরানি হামলার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধেও বেশ কিছু পাকিস্তানিকে গ্রেপ্তার ও পরবর্তীতে বহিষ্কার করা হয়। যা কেবল অভিবাসন আইনের লঙ্ঘনই নয়, বরং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয় হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। অবশ্য পাকিস্তানের সংসদ বিষয়ক
মন্ত্রী ড. তারিক ফজল চৌধুরী আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে জানান, উপস্থাপিত এই হিসাবটি ওই সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে আসা সকল পাকিস্তানির সামগ্রিক চিত্র নয়। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, কেবল সেসব নাগরিকের তথ্যই এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যাদেরকে স্থানীয় প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে আটক করেছিল এবং দেশে ফেরাতে পাকিস্তান দূতাবাস থেকে জরুরি ট্রাভেল ডকুমেন্ট (এনওসি/পাস) ইস্যু করা হয়। যারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় নিজ দায়িত্বে ফিরে এসেছেন কিংবা যাদের কাছে বৈধ কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছিল, তারা এই হিসেবটির বাইরে রয়েছেন।
সৌদি আরব। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে ৩ হাজার ৮০৩ জনকে। এছাড়া অন্যান্য দেশের মধ্যে ওমান ১ হাজার ৬০৬ জন, বাহরাইন ৫২১ জন, কাতার ৪২৯ জন এবং কুয়েত ৯৭ জন পাকিস্তানিকে দেশে ফেরত পাঠায়। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেআইনি অনুপ্রবেশ, ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও অবস্থান, ভিক্ষাবৃত্তি, মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ, নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরির মতো সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগেই এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়। প্রত্যাবাসন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ হাজার ৬২৮ জন বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত বা পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি এবং ১ হাজার ২৯৪ জন সাজা ভোগ শেষ করে দেশে ফিরেছেন। তাছাড়া ৯৬৮ জনকে স্থায়ীভাবে কালো তালিকাভুক্ত
বা ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়েছে। একই সাথে ১,১৫৫ জন পাসপোর্ট হারানো ব্যক্তি, ৬৮৯ জন ভিসা নীতি ভঙ্গকারী এবং ৩৪২ জন বিমানবন্দরে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় ফিরে আসতে বাধ্য হন। তবে এর বাইরে থাকা আরও প্রায় ৬ হাজার জনকে ফেরত পাঠানোর পেছনে সুনির্দিষ্ট কী কারণ ছিল, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি। প্রতিবেদনে আরও তুলে ধরা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার সময় বিভিন্ন শহরে ইরানি হামলার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধেও বেশ কিছু পাকিস্তানিকে গ্রেপ্তার ও পরবর্তীতে বহিষ্কার করা হয়। যা কেবল অভিবাসন আইনের লঙ্ঘনই নয়, বরং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয় হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। অবশ্য পাকিস্তানের সংসদ বিষয়ক
মন্ত্রী ড. তারিক ফজল চৌধুরী আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে জানান, উপস্থাপিত এই হিসাবটি ওই সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে আসা সকল পাকিস্তানির সামগ্রিক চিত্র নয়। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, কেবল সেসব নাগরিকের তথ্যই এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যাদেরকে স্থানীয় প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে আটক করেছিল এবং দেশে ফেরাতে পাকিস্তান দূতাবাস থেকে জরুরি ট্রাভেল ডকুমেন্ট (এনওসি/পাস) ইস্যু করা হয়। যারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় নিজ দায়িত্বে ফিরে এসেছেন কিংবা যাদের কাছে বৈধ কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছিল, তারা এই হিসেবটির বাইরে রয়েছেন।



