ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ভারত সফরে তারেক রহমান: তবুও গোপন রাখার চেষ্টায় প্রেস উইং!
দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হামলা, গ্রিল-আসবাবপত্র লুটপাট
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত জারদারি, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ
১০-১২ বার লোডশেডিং: অন্ধকারে ডুবছে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ যাত্রীরা
শেখ হাসিনার সময় বিরোধিতা করা হলেও এখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির নির্দেশ তারেক সরকারের
কৃষিমন্ত্রীর ‘উদ্বৃত্ত মজুদ’ দাবি অথচ সারের বাজার সিন্ডিকেটের দখলে, বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত গুণতে হচ্ছে ৬০০ টাকা
২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড: তারেক যদি মাস্টারমাইন্ড না হন, প্রকৃত হামলাকারী কারা?
ভারতের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আগের চেয়েও জোরদারে দুটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব
বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আগের চেয়েও জোরদার করতে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এবং অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়ন নিয়ে দুটি যৌথ ব্যবসায়িক টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)।
প্রস্তাবিত টাস্কফোর্স দুটি মূলত ডিজিটাল রূপান্তর এবং অবকাঠামোগত অর্থায়ন নিয়ে কাজ করবে।
এর পাশাপাশি বেনাপোলসহ সীমান্ত স্থলবন্দরগুলোতে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও সুসংহত করার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা।
মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সিআইআই প্রতিনিধিদলের সাথে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে নিয়োজিত ভারতীয় ব্যবসায়ীরা সীমান্ত দিয়ে কাঁচামাল আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান কিছু জটিলতার কথা তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে বেনাপোল বন্দরে পণ্য ওঠানামা ও
খালাস প্রক্রিয়া গতিশীল করা গেলে পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে, যা দুই দেশের সামগ্রিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ইতিবাচক গতি সঞ্চার করবে। স্থলবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকে সীমান্ত বাণিজ্যের প্রধান শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গতি বাড়লে ব্যবসায়ীদের আগ্রহও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। প্রতিনিধিদলের উপস্থাপিত ‘বিজনেস-টু-বিজনেস’ টাস্কফোর্সের প্রথমটি কাজ করবে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে ভারতের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সহায়তা কাজে লাগানোর বিষয়ে। অপর টাস্কফোর্সটি বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ভারতীয় বিনিয়োগ ও মূলধন প্রবাহের নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করবে। এই প্রস্তাবের বিষয়টি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই-এর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। বাণিজ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের উদীয়মান অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করতে হলে
নতুন রেলপথ, মহাসড়ক, গভীর সমুদ্রবন্দর, জ্বালানি ও এলএনজি খাতে প্রচুর বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। ভারতীয় উদ্যোক্তারা যদি দেশের জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক লাভের সঙ্গে সংগতি রেখে এসব মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে চান, তবে সরকার তাকে সর্বাত্মক স্বাগত জানাবে।
খালাস প্রক্রিয়া গতিশীল করা গেলে পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে, যা দুই দেশের সামগ্রিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ইতিবাচক গতি সঞ্চার করবে। স্থলবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকে সীমান্ত বাণিজ্যের প্রধান শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গতি বাড়লে ব্যবসায়ীদের আগ্রহও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। প্রতিনিধিদলের উপস্থাপিত ‘বিজনেস-টু-বিজনেস’ টাস্কফোর্সের প্রথমটি কাজ করবে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে ভারতের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সহায়তা কাজে লাগানোর বিষয়ে। অপর টাস্কফোর্সটি বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ভারতীয় বিনিয়োগ ও মূলধন প্রবাহের নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করবে। এই প্রস্তাবের বিষয়টি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই-এর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। বাণিজ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের উদীয়মান অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করতে হলে
নতুন রেলপথ, মহাসড়ক, গভীর সমুদ্রবন্দর, জ্বালানি ও এলএনজি খাতে প্রচুর বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। ভারতীয় উদ্যোক্তারা যদি দেশের জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক লাভের সঙ্গে সংগতি রেখে এসব মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে চান, তবে সরকার তাকে সর্বাত্মক স্বাগত জানাবে।



