ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আগের চেয়েও জোরদারে দুটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ভারত সফরে তারেক রহমান: তবুও গোপন রাখার চেষ্টায় প্রেস উইং!
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত জারদারি, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ
১০-১২ বার লোডশেডিং: অন্ধকারে ডুবছে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ যাত্রীরা
শেখ হাসিনার সময় বিরোধিতা করা হলেও এখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির নির্দেশ তারেক সরকারের
কৃষিমন্ত্রীর ‘উদ্বৃত্ত মজুদ’ দাবি অথচ সারের বাজার সিন্ডিকেটের দখলে, বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত গুণতে হচ্ছে ৬০০ টাকা
২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড: তারেক যদি মাস্টারমাইন্ড না হন, প্রকৃত হামলাকারী কারা?
দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হামলা, গ্রিল-আসবাবপত্র লুটপাট
সোনারগাঁয়ে বিএনপির একটি ওয়ার্ড কার্যালয় ভাঙচুরের পর সেখানকার আসবাবপত্র ও জানালার গ্রিল লুট করে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
গত ২০শে আগস্ট, বৃহস্পতিবার রাতে পিরোজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে, যার পেছনে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জলিল। যদিও তিনি এ ঘটনার দায় সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রউফের পরিবারের ওপর চাপিয়েছেন।
এর আগে বুধবার দুপুরে দলটির এই দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৬ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়টি ভাঙচুর করা হয়। ওই ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল বেপারীসহ উভয় পক্ষের মোট ১১ জন আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আব্দুর রউফ ও আব্দুল জলিলের মধ্যে দীর্ঘদিনের চলমান কোন্দলের জেরেই এ সংঘাতের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে নুরুজ্জামান, সবুর খাঁন, আব্দুল লতিফসহ ১০-১৫ জনের একদল সশস্ত্র লোক আষাঢ়িয়ার চর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করলে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আব্দুর রউফের অনুসারী সভাপতি বাবুল বেপারী, আবু বকর সিদ্দিক, রফিকুল ইসলামসহ ৮ জন এবং আব্দুল জলিলের পক্ষের ৩ জন আহত হন। সংঘর্ষ থামার পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে ওই কার্যালয় থেকে চেয়ার, টেবিল ও জানালার গ্রিল খুলে
নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। সহিংসতার ঘটনায় ইতোমধ্যে আব্দুর রউফ এবং অপর পক্ষের আহত সবুর খাঁন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল জলিল জানান, আব্দুর রউফের স্ত্রী ও সন্তানেরাই পিকআপ ভ্যানে করে কার্যালয়ের মালামাল ও জানালার গ্রিল খুলে নিয়ে গেছে। তার দাবি, রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় করতেই উল্টো তার নামে এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সার্বিক বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন জানান, কার্যালয় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি পৃথক অভিযোগ জমা পড়েছে। বিষয়টি দলীয় পর্যায়ে অভ্যন্তরীণভাবে মীমাংসা না হলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে মামলা গ্রহণ করবে।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আব্দুর রউফ ও আব্দুল জলিলের মধ্যে দীর্ঘদিনের চলমান কোন্দলের জেরেই এ সংঘাতের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে নুরুজ্জামান, সবুর খাঁন, আব্দুল লতিফসহ ১০-১৫ জনের একদল সশস্ত্র লোক আষাঢ়িয়ার চর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করলে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আব্দুর রউফের অনুসারী সভাপতি বাবুল বেপারী, আবু বকর সিদ্দিক, রফিকুল ইসলামসহ ৮ জন এবং আব্দুল জলিলের পক্ষের ৩ জন আহত হন। সংঘর্ষ থামার পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে ওই কার্যালয় থেকে চেয়ার, টেবিল ও জানালার গ্রিল খুলে
নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। সহিংসতার ঘটনায় ইতোমধ্যে আব্দুর রউফ এবং অপর পক্ষের আহত সবুর খাঁন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল জলিল জানান, আব্দুর রউফের স্ত্রী ও সন্তানেরাই পিকআপ ভ্যানে করে কার্যালয়ের মালামাল ও জানালার গ্রিল খুলে নিয়ে গেছে। তার দাবি, রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় করতেই উল্টো তার নামে এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সার্বিক বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন জানান, কার্যালয় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি পৃথক অভিযোগ জমা পড়েছে। বিষয়টি দলীয় পর্যায়ে অভ্যন্তরীণভাবে মীমাংসা না হলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে মামলা গ্রহণ করবে।



