ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আগের চেয়েও জোরদারে দুটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব
দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হামলা, গ্রিল-আসবাবপত্র লুটপাট
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত জারদারি, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ
১০-১২ বার লোডশেডিং: অন্ধকারে ডুবছে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ যাত্রীরা
শেখ হাসিনার সময় বিরোধিতা করা হলেও এখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির নির্দেশ তারেক সরকারের
কৃষিমন্ত্রীর ‘উদ্বৃত্ত মজুদ’ দাবি অথচ সারের বাজার সিন্ডিকেটের দখলে, বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত গুণতে হচ্ছে ৬০০ টাকা
২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড: তারেক যদি মাস্টারমাইন্ড না হন, প্রকৃত হামলাকারী কারা?
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ভারত সফরে তারেক রহমান: তবুও গোপন রাখার চেষ্টায় প্রেস উইং!
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারত সফরে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তার প্রথম ভারত সফর, এবং প্রতিবেশী দুই দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে এই সফরটি চূড়ান্ত হওয়ার আগে দীর্ঘ সময় ধরে অনিশ্চয়তা, শর্তারোপ ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে দুই পক্ষকেই। নিচে পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হলো এই সফরকে ঘিরে ঘটে যাওয়া মূল ঘটনাপ্রবাহ।
সূচনা: মোদির আমন্ত্রণ
বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে অভিনন্দন জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা মোদির স্বাক্ষরিত আমন্ত্রণপত্রটি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন। চিঠিতে মোদি তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকেও সঙ্গে নিয়ে আসার আমন্ত্রণ জানান এবং ভারতে তাদের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনার কথা উল্লেখ করেন। তবে আমন্ত্রণ সত্ত্বেও দীর্ঘদিন এই সফর নিয়ে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। শেখ হাসিনা প্রশ্নে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন সফর নিয়ে আলোচনা যখন গতি পেতে শুরু করে, তখনই সামনে চলে আসে সবচেয়ে স্পর্শকাতর প্রশ্নটি— সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও তার প্রত্যর্পণ ইস্যু। শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল, এবং এই বিষয়টিই সফরের প্রস্তুতিকে
জটিল করে তোলে। ঢাকার তিন শর্ত গত ১৬ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, তিনটি শর্ত পূরণ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যাবেন। শর্তগুলো হলো— মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের প্রত্যর্পণ; এবং সফরের জন্য একটি সার্বিক অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পরবর্তীতে ঢাকার এই অবস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এটিকে ঢাকার ‘চূড়ান্ত সীমারেখা’ বা ‘রেড লাইন’ হিসেবে বর্ণনা করে জানায়, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোই এখন মূল শর্ত। একই সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ চাপ
এবং হাসিনার প্রত্যর্পণ অমীমাংসিত থাকার কারণে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতি ডিসেম্বর পর্যন্ত থমকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ পায়। ভারতের প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক মহলের সমালোচনা ঢাকার এই কঠোর অবস্থান নিয়ে ভারতের কূটনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ভারতের সাবেক কূটনীতিক বীণা সিক্রি এক মন্তব্যে বলেন, সফরকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা তাকে বিস্মিত করেছে এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিকে তিনি রূঢ় ও উদ্ধত বলে আখ্যায়িত করেন। তার মতে, সফরের জন্য হাতে থাকা সীমিত সময়ের সুযোগের মধ্যে এই দাবি তোলা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক উদ্দেশ্যের সঙ্গেও মেলে না। একই সময়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়েও সাংবাদিকরা বারবার সফর
নিয়ে প্রশ্ন তোলেন— বিশেষত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আগে না পরে তারেক রহমান ভারতে আসবেন, তা নিয়ে। তবে মুখপাত্র জয়সোয়াল প্রতিটি প্রশ্নের জবাবে একই ধরনের কূটনৈতিক ভাষায় সাড়া দেন, যা থেকে স্পষ্ট চিত্র মেলেনি। অনুকূল পরিবেশের তাগিদ ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার জানানো হয়, উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি না হলে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাবেন না। সফরের সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি নয়াদিল্লি ও ঢাকার সূত্রের বরাতে জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দিনের সফরে ভারত যেতে পারেন এবং
এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে বাণিজ্য, সংযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। পরবর্তীতে ভারতীয় দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, রয়টার্সের বরাত দিয়ে, জানায় যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট (রোববার থেকে মঙ্গলবার) ভারত সফর করতে পারেন। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, গত সপ্তাহে ঢাকা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন। তবুও লুকানোর চেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উয়িং এর : তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে ২৩-২৫ আগস্ট সফরের যে খবর প্রকাশিত হয়, তার পরপরই প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জানিয়ে দেন যে সফর নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
অর্থাৎ, প্রকাশিত সময়সূচি সম্ভাব্য হলেও ঢাকার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা তখনো পাওয়া যায়নি, যা সফরের একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা জিইয়ে রাখে। সারসংক্ষেপ মোদির আমন্ত্রণ থেকে শুরু করে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে দুই দেশের অনড় অবস্থান, ঢাকার তিন শর্ত, ভারতীয় কূটনৈতিক মহলের সমালোচনা, এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সরকারিভাবে অনিশ্চয়তা বজায় থাকা— এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই অবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের পথ তৈরি হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর সফল হলে তা কেবল দুই সরকারপ্রধানের সাক্ষাৎ নয়, বরং শেখ হাসিনার পতনের পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে জমে থাকা দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার একটি বাস্তব ইঙ্গিত হয়ে দাঁড়াবে।
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা মোদির স্বাক্ষরিত আমন্ত্রণপত্রটি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন। চিঠিতে মোদি তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকেও সঙ্গে নিয়ে আসার আমন্ত্রণ জানান এবং ভারতে তাদের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনার কথা উল্লেখ করেন। তবে আমন্ত্রণ সত্ত্বেও দীর্ঘদিন এই সফর নিয়ে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। শেখ হাসিনা প্রশ্নে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন সফর নিয়ে আলোচনা যখন গতি পেতে শুরু করে, তখনই সামনে চলে আসে সবচেয়ে স্পর্শকাতর প্রশ্নটি— সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও তার প্রত্যর্পণ ইস্যু। শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল, এবং এই বিষয়টিই সফরের প্রস্তুতিকে
জটিল করে তোলে। ঢাকার তিন শর্ত গত ১৬ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, তিনটি শর্ত পূরণ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যাবেন। শর্তগুলো হলো— মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের প্রত্যর্পণ; এবং সফরের জন্য একটি সার্বিক অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পরবর্তীতে ঢাকার এই অবস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এটিকে ঢাকার ‘চূড়ান্ত সীমারেখা’ বা ‘রেড লাইন’ হিসেবে বর্ণনা করে জানায়, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোই এখন মূল শর্ত। একই সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ চাপ
এবং হাসিনার প্রত্যর্পণ অমীমাংসিত থাকার কারণে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতি ডিসেম্বর পর্যন্ত থমকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ পায়। ভারতের প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক মহলের সমালোচনা ঢাকার এই কঠোর অবস্থান নিয়ে ভারতের কূটনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ভারতের সাবেক কূটনীতিক বীণা সিক্রি এক মন্তব্যে বলেন, সফরকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা তাকে বিস্মিত করেছে এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিকে তিনি রূঢ় ও উদ্ধত বলে আখ্যায়িত করেন। তার মতে, সফরের জন্য হাতে থাকা সীমিত সময়ের সুযোগের মধ্যে এই দাবি তোলা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক উদ্দেশ্যের সঙ্গেও মেলে না। একই সময়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়েও সাংবাদিকরা বারবার সফর
নিয়ে প্রশ্ন তোলেন— বিশেষত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আগে না পরে তারেক রহমান ভারতে আসবেন, তা নিয়ে। তবে মুখপাত্র জয়সোয়াল প্রতিটি প্রশ্নের জবাবে একই ধরনের কূটনৈতিক ভাষায় সাড়া দেন, যা থেকে স্পষ্ট চিত্র মেলেনি। অনুকূল পরিবেশের তাগিদ ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার জানানো হয়, উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি না হলে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাবেন না। সফরের সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি নয়াদিল্লি ও ঢাকার সূত্রের বরাতে জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দিনের সফরে ভারত যেতে পারেন এবং
এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে বাণিজ্য, সংযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। পরবর্তীতে ভারতীয় দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, রয়টার্সের বরাত দিয়ে, জানায় যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট (রোববার থেকে মঙ্গলবার) ভারত সফর করতে পারেন। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, গত সপ্তাহে ঢাকা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন। তবুও লুকানোর চেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উয়িং এর : তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে ২৩-২৫ আগস্ট সফরের যে খবর প্রকাশিত হয়, তার পরপরই প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জানিয়ে দেন যে সফর নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
অর্থাৎ, প্রকাশিত সময়সূচি সম্ভাব্য হলেও ঢাকার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা তখনো পাওয়া যায়নি, যা সফরের একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা জিইয়ে রাখে। সারসংক্ষেপ মোদির আমন্ত্রণ থেকে শুরু করে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে দুই দেশের অনড় অবস্থান, ঢাকার তিন শর্ত, ভারতীয় কূটনৈতিক মহলের সমালোচনা, এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সরকারিভাবে অনিশ্চয়তা বজায় থাকা— এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই অবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের পথ তৈরি হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর সফল হলে তা কেবল দুই সরকারপ্রধানের সাক্ষাৎ নয়, বরং শেখ হাসিনার পতনের পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে জমে থাকা দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার একটি বাস্তব ইঙ্গিত হয়ে দাঁড়াবে।



