ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্রমাগত ধর্ষণের পর হত্যার হুমকি শিক্ষকের, ১৫ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রের আত্মহত্যার চেষ্টা
নিখোঁজের দুদিন পর ডোবায় গুম করা আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
ঝিনাইদহে গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে একজন নিহত
বন্দরে বৈষম্যবিরোধী মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা
চোরাই মোটরসাইকেলসহ ডিবির হাতে আটক জামায়াত নেতার বাবা
২৮ বছর বয়সি তরুণীর মাদকে জড়িয়ে পড়ার গল্প
প্রকৃত ইমাম-খাদেমদের বাদ দিয়ে তালিকায় ঢোকানো হলো জামায়াত-শিবির কর্মীদের নাম
ভুয়া মামলায় গ্রেপ্তার করানোয় বিএনপি নেতাকে আওয়ামী কর্মীদের ‘দাঁত ভাঙা জবাব’
ফরিদপুরের সালথায় ভুয়া মামলায় আওয়ামী লীগ সভাপতিকে ফাঁসানোয় তার কর্মীদের হামলায় শাহ আলম মাতুব্বর (৫৬) নামে এক বিএনপি নেতার দাঁত উপড়ে গেছে।
গতকাল ২১শে আগস্ট, শুক্রবার বিকেলে মাঝারদিয়া বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে তিনি আহত হন। আক্রান্ত শাহ আলম মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও দায়ের করা মামলা থেকে জানা যায়, এলাকায় নিজেদের প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি দলের কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ও বৈরিতা চলছিল। সেই পুরানো বিরোধের জেরে এই সহিংস ঘটনার সূত্রপাত হয়।
আহত বিএনপি নেতা শাহ আলম মাতুব্বরের অভিযোগ, ফরিদপুর এলাকার সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলামের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত বলে গত
বুধবার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদ মোল্যাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই গ্রেপ্তারের পেছনে শাহ আলমকে দায়ী মনে করে শুক্রবার বিকেলে ফরিদ মোল্যার অনুসারীরা তার ওপর আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়ে। অতর্কিত এই হামলায় তার শরীরের নানা স্থানে বেধড়ক প্রহার করা হয়, যার ফলে তার দুটি দাঁত খুলে পড়ে যায়। হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চেয়ে শাহ আলম মাতুব্বরের ভাই সজিব হোসেন বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মাঝারদিয়া গ্রামের মিরাজ মোল্যা (৪০), ইমরান মোল্যা (২৫), জিয়া মাতুব্বর (৪০), রাজিব মোল্যা (৩০), কাউসার মাতুব্বর (৩০) ও শাহিদ শেখকে (৩৫) নামজারি আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অভিযুক্তের
তালিকায় রাখা হয়েছে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হামলার ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে এজাহারনামীয় আসামি জিয়া মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদ মোল্যাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই গ্রেপ্তারের পেছনে শাহ আলমকে দায়ী মনে করে শুক্রবার বিকেলে ফরিদ মোল্যার অনুসারীরা তার ওপর আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়ে। অতর্কিত এই হামলায় তার শরীরের নানা স্থানে বেধড়ক প্রহার করা হয়, যার ফলে তার দুটি দাঁত খুলে পড়ে যায়। হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চেয়ে শাহ আলম মাতুব্বরের ভাই সজিব হোসেন বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মাঝারদিয়া গ্রামের মিরাজ মোল্যা (৪০), ইমরান মোল্যা (২৫), জিয়া মাতুব্বর (৪০), রাজিব মোল্যা (৩০), কাউসার মাতুব্বর (৩০) ও শাহিদ শেখকে (৩৫) নামজারি আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অভিযুক্তের
তালিকায় রাখা হয়েছে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হামলার ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে এজাহারনামীয় আসামি জিয়া মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



