আনন্দ কুটুম
আরও খবর
প্রোফাইল লাল করা নিয়ে জুলাই-আগস্টের রাজনীতি এবং বর্তমান বাস্তবতা
ক্যাডেট কলেজ: “কিল দ্য ইন্ডিয়ান ইন হিম অ্যান্ড সেভ দ্য ম্যান”
বেলুচিস্তানের নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়ানো কেন বাংলাদেশের নৈতিক ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব?
মব এবং ব্যাঙ্কিং খাতের সংকট একই মেটিকুলাস প্ল্যানের অংশ
৫ আগস্ট ও শেখ হাসিনার ‘তৃতীয় পথ’: একটি কৌশলগত ও মানবিক মূল্যায়ন
আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে সংসদ ভবন চত্ত্বরে বিদেশী কোন দেশের স্বাধীনতা দিবস পালন হলে কি হতো?
হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও)
এলাকার সবচেয়ে ভালো ছেলেটা শিবির করে: জুবায়ের কেমন শিবির?
ঢাকায় থাকি ষোল বছরের উপরে। এখনো জানি না ঢাকায় কোথায় কয়টা মদের দোকান আছে (যদিও গুলশানের একটা বারে গিয়েছি কলিগদের সাথে কয়েকবার। খুব একটা সফিস্টিগেটেড লাগে নাই)। কোথায় কয়টা ব্রোথেল আছে তাও জানি না। কোন এলাকায়, কোন পার্কে বা কোন ওভারব্রিজের উপরে গনিকারা পন্য সাজিয়ে বসে তাও জানি না। আমার এলাকায় কে গুটি বেচে আর কে শুকনা বেচে তাও জানি না। এসব জানার দরকারও পরেনি কখনো। এসব না জেনেই কৈশোর, তারুণ্য, যৌবন পেরিয়ে পৌঢ় হওয়ার পথে। অথচ সদ্য ইন্টারমিডিয়েট পাশ করা পোলাপাইন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ভর্তি হয়েই লাইব্রেরি চেনার আগে চেনে পরিবাগের ওভার ব্রিজ। রমনা পার্কের চিপাচাপা আর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাঞ্জা
সাপ্লায়ারদের টং-এর দোকান। ঢাকা ইউনিভার্সিটির এতোই সুনাম। এবি জুবায়ের গতকাল যা করেছে সেটাই অধিকাংশ ইউনিভার্সিটি গোইং স্টুডেন্টদের বাস্তবতা। প্রেম নাই, গার্লফ্রেন্ড নাই, আবেগ শেয়ারের যায়গা নাই, পলিটিকাল কায়ক্যাচালে মন খুলে কথা বলার মতো বন্ধু নাই। শেষ ভরসা ঐ গণিকারাই। এবি জুবায়েরের যে পার্সোনালিটি তাতে সারাজীবন অভুক্ত থাকলেও তো কোন মেয়ে তার দিকে ফিরে তাকাবে না। একটা ছেলে দেখতে কুচ্ছিত (যদিও চেহারা আল্লাহর দান। এটা নিয়ে কথা বলা উচিৎ না), কোদালের মতো দাত, দেখলেই মনে হয় শরীরে ঘষা দিলে ময়লা উঠবে। এটিটিউড সন্ত্রাসীদের মতো। একে মারবে, ওকে ধরবে, তার পিছে লাগবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, এরকম কেওটিক একটা ছেলেকে কোন মেয়ে তার দেহ বা মন
দেবে? কে তার সাথে প্রেম করবে? যার নাই নুন্যতম সৌজন্যবোধ, নেই পার্সোনাল গ্রুমিং, নাই সভ্যভব্য আচারন। অগত্যা ওভার ব্রিজের উপরের হিজড়াই তার শেষ ভরসা। এবি জুবায়ের গতরাতের এই ঘটনা দেখে তার জন্য আমার ঘৃণা হবার চেয়ে করুণাই হয়েছে বেশি। আহারে মনুষ্য জীবন। সামান্য সেক্স শেয়ার করার মতো একজন সঙ্গী নাই। মেয়েও পায়নি, যেতে হইছে হিজড়াদের কাছে। হিজড়া/ছেলে যদি তার প্রেফারেন্স হয় তাতে কোন আপত্তি নাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, হিজড়াটাকে দিয়ে কাজ করিয়ে তাকে পেমেন্ট দেবে না? মানে এই লেভেলের ছ্যাচড়া এরা কেমনে হয়? জামাত শিবিরের একটা ডায়লগ আছে- “এলাকার সবচেয়ে ভদ্র ছেলেটা শিবির করে”। এই হলো সেই ভদ্র ছেলের নমুনা। ভদ্রদের
মধ্যে অধিক ভদ্র যে আবার ঢাকা ইউনিভার্সিটির মতো যায়গায় স্টুডেন্ট লিডার। শিবিরের ক্রিম অব দ্য ক্রিম। আপনার সন্তানকে শিবির বানানোর আগে, অন্তত পার্সোনাল গ্রুমিং শেখান। তাহলে হয়তো চিপায় চাপায় যেতে হবে না। আসেন এবার এবি জুবায়ের স্ট্যাটাসটা পোস্টমর্টেম করি। সে দাবী করেছে তার এক বন্ধু হিজড়াদের ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য তাকে সাথে নিয়ে গিয়েছিলো। যাবার আগে সে থানায় জানিয়ে যায়। এখানে প্রশ্ন হলো… ১. কোন থানা? কাকে জানিয়ে গেছে। কিভাবে জানিয়েছে? তার প্রমান কোথায়? ২. কোন সাংবাদিক বন্ধু? কোন হাউজে কাজ করে সে? সম্পাদক কে? তাকে কে এই এসাইনমেন্ট দিয়েছে? এসাইনমেন্টের প্রমান কোথায়? নাকি এসাইনমেন্ট ছাড়াই নিজ উদ্যোগে গিয়েছে সে এই প্রতিবেদন করতে? ৩. ঢাবির স্টুডেন্ট লিডার এবং
সাংবাদিক উভয়ের কাজের গন্ডি ঢাকা ইউনিভার্সিটির এরিয়ার ভেতরে। পরিবাগ ওভার ব্রিজ তো ঢাবির এরিয়ায় পরে না। সেখানে রিপোর্ট করতে কেন এবি জুবায়ের যাবে? কারন কী? জুবায়ের বন্ধু মানে খুব স্বাভাবিক যে সেও ইউনিভার্সিটি কেন্দ্রীক জার্নালিস্ট। তারা ইউনিভার্সিটির এরিয়ার বাইরে প্রতিবেদন করতে কেন গিয়েছে? এবং সবচেয়ে ইমপর্ট্যান্ট পয়েন্ট হলো… মধ্যরাতে এরকম রিস্ক জোনে সাক্ষাৎকার করার পার্মিশন তাদের কে দিয়েছে? দুনিয়ায় আর কেউ সাংবাদিকতা করে না? এসব ক্ষেত্রে কি হয়? এসব ক্ষেত্রে হয় যে, আগে সোর্সের মাধ্যমে সাবজেক্টের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তারপর সাবজেক্টের সুবিধা মতো সময়ে এবং প্লেসে গিয়ে তাদের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। কিন্তু তা না করে মধ্যরাতে যেখানে তারা সার্ভিস দিচ্ছে সরাসরি সেখানে
গিয়ে তাদের অনুমতি না নিয়েই তাদের ইন্টারভিউ করতে শুরু করা এটা কোন লেভেলের সাংবাদিকতা? কে শিখিয়েছে এবি জুবায়েরদের এই সাংবাদিকতা? সেই পন্ডিতকে একটু দেখতে চাই। মোদ্দা কথা হলো, এবি জুবায়ের যে এক্সপ্লেনেশন দিয়েছে সেটা পুরোটাই ভুয়া। সে হিজড়াদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে যখন টাকা দেয়নি, হিজড়ারা ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন সে একটা মনগড়া গল্প আমাদের শোনাচ্ছে। তার গল্পের ভেতরেই তার জন্য মরনফাদ লুকায় আছে। ভালো করে লক্ষ করলেই দেখা যাবে। সেই পুরানা কথা। এলাকার সবচেয়ে ভালো ছেলেটা শিবির করে। এই হলো ভালো ছেলের নমুনা। জামাতের তো অনেক স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, গার্মেন্টস ইত্যাদি আছে। এবার একটা ব্রোথেল বানাক। তাতে অন্তত তাদের লোকজন রাস্তাঘাটে,
হোটেলে, বাসে লাগালাগি করতে গিয়ে এভাবে এক্সপোজ হবে না। জামাতের জন্য এখন একটা ব্রোথেল বানানো সময়ের দাবী।
সাপ্লায়ারদের টং-এর দোকান। ঢাকা ইউনিভার্সিটির এতোই সুনাম। এবি জুবায়ের গতকাল যা করেছে সেটাই অধিকাংশ ইউনিভার্সিটি গোইং স্টুডেন্টদের বাস্তবতা। প্রেম নাই, গার্লফ্রেন্ড নাই, আবেগ শেয়ারের যায়গা নাই, পলিটিকাল কায়ক্যাচালে মন খুলে কথা বলার মতো বন্ধু নাই। শেষ ভরসা ঐ গণিকারাই। এবি জুবায়েরের যে পার্সোনালিটি তাতে সারাজীবন অভুক্ত থাকলেও তো কোন মেয়ে তার দিকে ফিরে তাকাবে না। একটা ছেলে দেখতে কুচ্ছিত (যদিও চেহারা আল্লাহর দান। এটা নিয়ে কথা বলা উচিৎ না), কোদালের মতো দাত, দেখলেই মনে হয় শরীরে ঘষা দিলে ময়লা উঠবে। এটিটিউড সন্ত্রাসীদের মতো। একে মারবে, ওকে ধরবে, তার পিছে লাগবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, এরকম কেওটিক একটা ছেলেকে কোন মেয়ে তার দেহ বা মন
দেবে? কে তার সাথে প্রেম করবে? যার নাই নুন্যতম সৌজন্যবোধ, নেই পার্সোনাল গ্রুমিং, নাই সভ্যভব্য আচারন। অগত্যা ওভার ব্রিজের উপরের হিজড়াই তার শেষ ভরসা। এবি জুবায়ের গতরাতের এই ঘটনা দেখে তার জন্য আমার ঘৃণা হবার চেয়ে করুণাই হয়েছে বেশি। আহারে মনুষ্য জীবন। সামান্য সেক্স শেয়ার করার মতো একজন সঙ্গী নাই। মেয়েও পায়নি, যেতে হইছে হিজড়াদের কাছে। হিজড়া/ছেলে যদি তার প্রেফারেন্স হয় তাতে কোন আপত্তি নাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, হিজড়াটাকে দিয়ে কাজ করিয়ে তাকে পেমেন্ট দেবে না? মানে এই লেভেলের ছ্যাচড়া এরা কেমনে হয়? জামাত শিবিরের একটা ডায়লগ আছে- “এলাকার সবচেয়ে ভদ্র ছেলেটা শিবির করে”। এই হলো সেই ভদ্র ছেলের নমুনা। ভদ্রদের
মধ্যে অধিক ভদ্র যে আবার ঢাকা ইউনিভার্সিটির মতো যায়গায় স্টুডেন্ট লিডার। শিবিরের ক্রিম অব দ্য ক্রিম। আপনার সন্তানকে শিবির বানানোর আগে, অন্তত পার্সোনাল গ্রুমিং শেখান। তাহলে হয়তো চিপায় চাপায় যেতে হবে না। আসেন এবার এবি জুবায়ের স্ট্যাটাসটা পোস্টমর্টেম করি। সে দাবী করেছে তার এক বন্ধু হিজড়াদের ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য তাকে সাথে নিয়ে গিয়েছিলো। যাবার আগে সে থানায় জানিয়ে যায়। এখানে প্রশ্ন হলো… ১. কোন থানা? কাকে জানিয়ে গেছে। কিভাবে জানিয়েছে? তার প্রমান কোথায়? ২. কোন সাংবাদিক বন্ধু? কোন হাউজে কাজ করে সে? সম্পাদক কে? তাকে কে এই এসাইনমেন্ট দিয়েছে? এসাইনমেন্টের প্রমান কোথায়? নাকি এসাইনমেন্ট ছাড়াই নিজ উদ্যোগে গিয়েছে সে এই প্রতিবেদন করতে? ৩. ঢাবির স্টুডেন্ট লিডার এবং
সাংবাদিক উভয়ের কাজের গন্ডি ঢাকা ইউনিভার্সিটির এরিয়ার ভেতরে। পরিবাগ ওভার ব্রিজ তো ঢাবির এরিয়ায় পরে না। সেখানে রিপোর্ট করতে কেন এবি জুবায়ের যাবে? কারন কী? জুবায়ের বন্ধু মানে খুব স্বাভাবিক যে সেও ইউনিভার্সিটি কেন্দ্রীক জার্নালিস্ট। তারা ইউনিভার্সিটির এরিয়ার বাইরে প্রতিবেদন করতে কেন গিয়েছে? এবং সবচেয়ে ইমপর্ট্যান্ট পয়েন্ট হলো… মধ্যরাতে এরকম রিস্ক জোনে সাক্ষাৎকার করার পার্মিশন তাদের কে দিয়েছে? দুনিয়ায় আর কেউ সাংবাদিকতা করে না? এসব ক্ষেত্রে কি হয়? এসব ক্ষেত্রে হয় যে, আগে সোর্সের মাধ্যমে সাবজেক্টের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তারপর সাবজেক্টের সুবিধা মতো সময়ে এবং প্লেসে গিয়ে তাদের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। কিন্তু তা না করে মধ্যরাতে যেখানে তারা সার্ভিস দিচ্ছে সরাসরি সেখানে
গিয়ে তাদের অনুমতি না নিয়েই তাদের ইন্টারভিউ করতে শুরু করা এটা কোন লেভেলের সাংবাদিকতা? কে শিখিয়েছে এবি জুবায়েরদের এই সাংবাদিকতা? সেই পন্ডিতকে একটু দেখতে চাই। মোদ্দা কথা হলো, এবি জুবায়ের যে এক্সপ্লেনেশন দিয়েছে সেটা পুরোটাই ভুয়া। সে হিজড়াদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে যখন টাকা দেয়নি, হিজড়ারা ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন সে একটা মনগড়া গল্প আমাদের শোনাচ্ছে। তার গল্পের ভেতরেই তার জন্য মরনফাদ লুকায় আছে। ভালো করে লক্ষ করলেই দেখা যাবে। সেই পুরানা কথা। এলাকার সবচেয়ে ভালো ছেলেটা শিবির করে। এই হলো ভালো ছেলের নমুনা। জামাতের তো অনেক স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, গার্মেন্টস ইত্যাদি আছে। এবার একটা ব্রোথেল বানাক। তাতে অন্তত তাদের লোকজন রাস্তাঘাটে,
হোটেলে, বাসে লাগালাগি করতে গিয়ে এভাবে এক্সপোজ হবে না। জামাতের জন্য এখন একটা ব্রোথেল বানানো সময়ের দাবী।



