ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অভিষেকের ৩৫ বলের সেঞ্চুরি, পাওয়ারপ্লেতে ভারতের বিশ্বরেকর্ড
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় লঙ্কানদের রেকর্ড জয়
শান্তিতে ফুটবল ম্যাচ দেখতে স্ত্রীকে চেয়ারে বেঁধে বেসমেন্টে ফেলে রাখলেন স্বামী
অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্রুকের বিশ্বরেকর্ড বৃথা, রেকর্ডবুক তছনছ করে ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলঙ্কা
বিজেপির জোটে যোগ দিতেই ইউসুফ পাঠানকে জমি উপহার
তিনশ বলে ১৬০, টাইগাররা কি পারবে ৪১ রানে জিততে
আইএফএবের স্বীকারোক্তি: আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমবোলার লাল কার্ডটি ভুল ছিল
ফুটবলের নিয়ম প্রণেতা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএভ)-এর একটি সার্কুলার অনুযায়ী, চলতি মাসে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলাকে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা উচিত হয়নি।
কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ১-১ সমতার সময় দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এমবোলা। এরপর ১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ে দুই গোল দিয়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।
ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যান ২৯ বছর বয়সী এমবোলা। মাঠে থাকা রেফারি জোয়াও পিনেইরো প্রথমে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডারকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন। কিন্তু ভিএআর (VAR) থেকে রেফারিকে জানানো হয় যে পারেদেস কোনো ফাউল করেননি। এরপর রেফারি পিনেইরো ভুলবশত ফাউল অনুকরণ
বা সিমুলেশনের দায়ে এমবোলাকেই হলুদ কার্ড দেখান। আইএফএভ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুল পরিচিতি (mistaken identity) সংশোধনের জন্য ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারলেও, অপরাধটি নিজেই পর্যালোচনা করার জন্য ভিএআর ব্যবহার করা যায় না। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘একটি হলুদ কার্ড, যা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড নয়, তা কেবল সেই খেলোয়াড়কে চিহ্নিত করার জন্য পর্যালোচনা করা যেতে পারে যিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন; অপরাধটি নিজে পর্যালোচনা বা পরিবর্তন করা যাবে না।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সিমুলেশনের ক্ষেত্রে ভুল পরিচিতির ধারাটির ব্যবহার প্রশংসিত হয়েছে এবং ভিএআর প্রোটোকলের বিশদ পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত করা হবে… তবে সেই পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি এভাবে
ব্যবহার করা যাবে না।’ এর আগে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রুপ পর্বের জয়ে এই ভুল পরিচিতির নিয়মটি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই ম্যাচে প্যারাগুয়ের ফরোয়ার্ড মিগুয়েল আলমিরনকে ফাউল করার অভিযোগে আমেরিকান ডিফেন্ডার টিম রিমকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন রেফারি ড্যাননি ম্যাক্কেলি। তবে ভিএআর রেফারি কার্লোস ডেল সেরো ‘ভুল পরিচিতি’র ভিত্তিতে পর্যালোচনার সুপারিশ করেন। কারণ টিম রিম আলমিরনকে কোনো স্পর্শই করেননি। পরবর্তীতে রেফারি ম্যাক্কেলি তার সিদ্ধান্ত বদল করে উল্টো প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়কেই সিমুলেশনের দায়ে হলুদ কার্ড দেখান। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভঙ্গের পর সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন ব্রিল এমবোলার লাল কার্ডের পেছনে থাকা নিয়মটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেন। ম্যাচ শেষে মুরাত ইয়াকিন বলেন, ‘এটি আজকের আমাদের
ম্যাচটি ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের এটি মেনে নিতেই হবে, তবে এভাবে হেরে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টের।’
বা সিমুলেশনের দায়ে এমবোলাকেই হলুদ কার্ড দেখান। আইএফএভ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুল পরিচিতি (mistaken identity) সংশোধনের জন্য ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারলেও, অপরাধটি নিজেই পর্যালোচনা করার জন্য ভিএআর ব্যবহার করা যায় না। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘একটি হলুদ কার্ড, যা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড নয়, তা কেবল সেই খেলোয়াড়কে চিহ্নিত করার জন্য পর্যালোচনা করা যেতে পারে যিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন; অপরাধটি নিজে পর্যালোচনা বা পরিবর্তন করা যাবে না।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সিমুলেশনের ক্ষেত্রে ভুল পরিচিতির ধারাটির ব্যবহার প্রশংসিত হয়েছে এবং ভিএআর প্রোটোকলের বিশদ পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত করা হবে… তবে সেই পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি এভাবে
ব্যবহার করা যাবে না।’ এর আগে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রুপ পর্বের জয়ে এই ভুল পরিচিতির নিয়মটি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই ম্যাচে প্যারাগুয়ের ফরোয়ার্ড মিগুয়েল আলমিরনকে ফাউল করার অভিযোগে আমেরিকান ডিফেন্ডার টিম রিমকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন রেফারি ড্যাননি ম্যাক্কেলি। তবে ভিএআর রেফারি কার্লোস ডেল সেরো ‘ভুল পরিচিতি’র ভিত্তিতে পর্যালোচনার সুপারিশ করেন। কারণ টিম রিম আলমিরনকে কোনো স্পর্শই করেননি। পরবর্তীতে রেফারি ম্যাক্কেলি তার সিদ্ধান্ত বদল করে উল্টো প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়কেই সিমুলেশনের দায়ে হলুদ কার্ড দেখান। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভঙ্গের পর সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন ব্রিল এমবোলার লাল কার্ডের পেছনে থাকা নিয়মটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেন। ম্যাচ শেষে মুরাত ইয়াকিন বলেন, ‘এটি আজকের আমাদের
ম্যাচটি ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের এটি মেনে নিতেই হবে, তবে এভাবে হেরে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টের।’





