– ড. মামুনুর রশীদ
আরও খবর
বেলুচিস্তানের নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়ানো কেন বাংলাদেশের নৈতিক ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব?
৫ আগস্ট ও শেখ হাসিনার ‘তৃতীয় পথ’: একটি কৌশলগত ও মানবিক মূল্যায়ন
আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে সংসদ ভবন চত্ত্বরে বিদেশী কোন দেশের স্বাধীনতা দিবস পালন হলে কি হতো?
হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও)
বাংলাদেশে কি একটা নিরব গণহত্যা চলছে?
ইউনূসের পথেই তারেক রহমানঃ নাম-না-জানা দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাতারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
হাওয়া ভবন বাজেট ১০১: বাজেটের “আকার” বেড়েছে কিন্তু “উকার” কমেছে
মব এবং ব্যাঙ্কিং খাতের সংকট একই মেটিকুলাস প্ল্যানের অংশ
অর্থনীতিতে “ডুয়াল শক” বলতে একটা গুরুত্বপূর্ণ থিওরি আছে। এখানে প্রথম শক হচ্ছে মব করে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা। দ্বিতীয় শক হচ্ছে ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ঋণ শোধ দিতে না পারার কারণে ব্যাঙ্কিং খাতের সংকট তৈরি হওয়া।
এই ধরনের সংকট নতুন নয়। মোটামুটি প্রত্যেকটা রেজিম পরিবর্তনের সাথে এই “পরিকল্পিত” ধ্বংসযজ্ঞ মেটিকুলাস প্ল্যানের অংশ হিসেবে যুক্ত থাকে। জাকার্তা সঙ্কট কিংবা শ্রীলংকা সংকট থেকে হালের বাংলাদেশের ব্যাঙ্কিং খাতের সংকট সরাসরি একই পদ্ধতি অনুসরণ করে করা হয়েছে।
এর উদ্দেশ্য দুইটা:
১) যাদের পরিবর্তনের জন্য মেটিকুলাস ডিজাইন করা হয়েছে তাদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা এবং ব্যাঙ্কিং খাতে তাদের ক্ষমতা খর্ব করা, যেনো ধ্বংস পরবর্তী সময়ে তারা আবার
দাঁড়াতে না পারে। ২) একটা বড় ধরনের সমন্বিত দমননীতির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা ভেঙে দেয়া। দেশকে ঋণের জালে জড়িয়ে দেয়া। দেশের সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়া। মানুষকে এমনভাবে ছন্নছাড়া করে দেয়া যেনো অন্তত দুই-দশকে আর দাঁড়াতে না পারে। আর এই ক্ষমতা কমে গেলে তারা বাধ্য হবে সকল কৌশলগত সম্পত্তি বিক্রি করে দিতে। বাংলাদেশের ব্যাঙ্কিং খাতের ট্রিপল শক ডুয়াল শক পদ্ধতির বিপরীতে ২৪ সালের প্রতারণামূলক রেজিম পরিবর্তনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং ব্যাঙ্কিং খাত পড়েছে ট্রিপল শকে। এই তিনটা শক হচ্ছে: ১) মব করে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা ২) সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কিং খাত ধ্বংস করা ৩) ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যবসায় এবং ব্যাঙ্কিং খাতে “নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে” সুবিধা দিয়ে পুনর্বাসন করা।
আসুন কিছু ডাটা নিয়ে দেখি কিভাবে এই ধ্বংস সম্ভব হচ্ছে। ১) শুরু হয়েছে প্রায় ৫ বছরের একটা সমন্বিত অপপ্রচারের মাধ্যমে যে এস আলম সব ব্যাংক ফাঁকা করে নিয়ে গেছে। অথচ এখন পর্যন্ত এস আলমের সকল প্রতিষ্ঠান লাভ করে যাচ্ছে। ইসলামী ব্যাংক যতক্ষণ এস আলমের কাছে ছিলো, ভালোই ছিলো। এখন জোর করে ক্ষমতা নিয়ে সেখানে জোরপূর্বক ৫০০০ কর্মচারী কর্মকর্তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। জামাতের রাজনীতির সাথে জড়িত প্রায় ৭,০০০ নতুন কেডারকে এই একটা ব্যাংকেই চাকুরি দেয়া হয়েছে। এতে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে এস আলমের টাকা নিয়ে ফাঁকা করে দিয়েছে কিনা তার চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে জামাতে ইসলামীর ব্যাংকে তাদের ক্ষমতা হারানোর কারণেই এই অপপ্রচার
করা হয়েছে। বরং এই ব্যাংক ব্যবহার করে জামাত দেশে বিদেশে যে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে, নিজেদের দলের লোকদের পুনর্বাসনের জন্য একটা ব্যাংক ব্যবহার করেছে তা অর্থনীতির যেকোনো নীতিতেই দুর্নীতি। সে দুর্নীতি করেছে একটা ইসলামিক দল, যারা ধর্মের কথা বলে ৭১ সালে ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করেছে। জুলাইয়ে প্রতারণা করে আর্মি এবং বিদেশি শক্তির কাছে দেশ বিক্রি করে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়। ২) ব্যাঙ্কিং খাতের সংস্কারের কথা বলে পাঁচটি ব্যাংককে জোর করে একীভূত করতে গিয়ে ব্যাঙ্কিং এবং আর্থিক খাতের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার লোপাট করেছে। এখন আবার বিএনপি সরকারকে জিম্মি করে হাজার হাজার কোটি টাকা ইসলামী ব্যাংকের নামে বাংলাদেশের
মানুষের টাকা বরাদ্দের ব্যবস্থা করছে, যেখানে পুরো ব্যাঙ্কিং খাতের সংস্কারের জন্য বিএনপি সরকার বাজেটে রেখেছে মাত্র ৪০,০০০ কোটি টাকা। ৩) এরই মধ্যে ২০২৪ এর জুন মাসের ১৩% খেলাপি ঋণ ২০২৬ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৫%। এই জন্য প্রথমে কিছুদিন আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করে লাভ হয়নি। পত্রিকার রিপোর্টে বুঝা যাচ্ছে খেলাপি ঋণ বেড়েছে মব করে ব্যবসায় ধ্বংস করার কারণে। ৪) এরমধ্যে আসলো তৃতীয় শক। এনবিআর ভেঙে দেয়া এবং মবের কারণে সরকারের রাজস্ব আয়ের ঘাটতির কারণে খরচ চালাতে সরকারের ঋণের উপর নির্ভরতা বেড়ে যাচ্ছিলো। ঝুঁকি বেশি হওয়ায় বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতিও কমতে থাকে। এমতাবস্থায় সরকার ব্যাঙ্কিং খাত থেকে বেশি ঋণ করতে বাধ্য হয়। এই
ঋণ আসে অনেকগুলো ভালো ব্যাংক থেকে নেয়া সম্ভব হলেও, আহসান মনসুরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংকের কাছ থেকে এই ঋণের ব্যবস্থা করেন। বেসরকারী খাতে ঋণ প্রবাহ ২১ বছরের সর্বনিম্ন অবস্থায় পৌঁছায়। এমন অবস্থায় কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয়াতে অন্য প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্যাংক বিপদে পড়ে যায়। ঋণের প্রবাহ না থাকায় এবং মবের কারণে ভালো ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে ২০২৬ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ হয় প্রায় ৩৫%। সংযুক্তিতে দেখুন কীভাবে পাঁচটা ব্যাংককে আহসান মনসুর সুবিধা দিয়েছেন। ২০২৩ সাল এবং ২০২৫ সালের মধ্যে তুলনামূলক একটা পার্থক্য দেখানো হয়েছে। ব্যাংকগুলোর সুদ থেকে আয় যেখানে প্রায় ঋণাত্মক, সেখানে অন্য খাত থেকে আয় বৃদ্ধি
পেয়েছে কয়েকগুণ। সিটি ব্যাংকের সুদ থেকে লস যেখানে ৮২% সেখানে অন্যান্য খাত থেকে আয় ২৮২.৭%। প্রাইম ব্যাংকের সুদ থেকে লস ৫৯% সেখানে অন্যান্য খাত থেকে আয় ১৫৬.৬%। ব্রাক ব্যাংকের সুদ থেকে লস ২২% সেখানে অন্যান্য খাত থেকে আয় ১৬৭.৭%। এই অন্যান্য খাত হচ্ছে সরকারের ট্রেজারী সিকিউরিটিতে ব্যাংকগুলোর ইনভেস্টমেন্ট। উপরের হিসাব থেকে দুটি ব্যপার লক্ষণ করুন। ১) ব্যাঙ্কিং খাতের এই ধ্বংসের পিছনে ইউনুস এবং আহসান মনসুরের সাথে মিলে জামাত এবং ব্যাঙ্কিং খাতের একটা বড় অংশ দায়ী। আওয়ামী লীগকে দোষ দেয়ার মূল কারণ এই বড় অঙ্কের লুটপাট থেকে আপনাদের দৃষ্ঠি সরিয়ে রাখা। ২) একটু চিন্তা করলেই দেখতে পাবেন ব্র্যাক এবং সিটি ব্যাংক কীভাবে জুলাই সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত। ২০০৭-০৮ এর সেনাসমর্থিত সরকারের সময় প্রাইম ব্যাংকের ডাইরেক্টর আজম জে চৌধুরীকে দিয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা করানো হয়েছিলো। ৩) এস আলমের বিপক্ষে এত অপপ্রচার কিন্তু প্রমাণ হিসেবে কিছুই সামনে আসেনি। অথচ এস আলমের গাড়িতে চড়ে বিএনপির অনেকেই নির্বাচন করেছেন তা খবরে এসেছে। কিন্তু তার চাইতে বড় অপরাধ করেও সিটি গ্রুপ বহাল তবিয়তে সরকারের এবং ব্যাঙ্কিং খাতের সকল সাহায্য পাচ্ছে। কেন? এই প্রশ্ন রেখে গেলাম আপনাদের কাছে।
দাঁড়াতে না পারে। ২) একটা বড় ধরনের সমন্বিত দমননীতির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা ভেঙে দেয়া। দেশকে ঋণের জালে জড়িয়ে দেয়া। দেশের সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়া। মানুষকে এমনভাবে ছন্নছাড়া করে দেয়া যেনো অন্তত দুই-দশকে আর দাঁড়াতে না পারে। আর এই ক্ষমতা কমে গেলে তারা বাধ্য হবে সকল কৌশলগত সম্পত্তি বিক্রি করে দিতে। বাংলাদেশের ব্যাঙ্কিং খাতের ট্রিপল শক ডুয়াল শক পদ্ধতির বিপরীতে ২৪ সালের প্রতারণামূলক রেজিম পরিবর্তনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং ব্যাঙ্কিং খাত পড়েছে ট্রিপল শকে। এই তিনটা শক হচ্ছে: ১) মব করে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা ২) সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কিং খাত ধ্বংস করা ৩) ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যবসায় এবং ব্যাঙ্কিং খাতে “নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে” সুবিধা দিয়ে পুনর্বাসন করা।
আসুন কিছু ডাটা নিয়ে দেখি কিভাবে এই ধ্বংস সম্ভব হচ্ছে। ১) শুরু হয়েছে প্রায় ৫ বছরের একটা সমন্বিত অপপ্রচারের মাধ্যমে যে এস আলম সব ব্যাংক ফাঁকা করে নিয়ে গেছে। অথচ এখন পর্যন্ত এস আলমের সকল প্রতিষ্ঠান লাভ করে যাচ্ছে। ইসলামী ব্যাংক যতক্ষণ এস আলমের কাছে ছিলো, ভালোই ছিলো। এখন জোর করে ক্ষমতা নিয়ে সেখানে জোরপূর্বক ৫০০০ কর্মচারী কর্মকর্তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। জামাতের রাজনীতির সাথে জড়িত প্রায় ৭,০০০ নতুন কেডারকে এই একটা ব্যাংকেই চাকুরি দেয়া হয়েছে। এতে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে এস আলমের টাকা নিয়ে ফাঁকা করে দিয়েছে কিনা তার চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে জামাতে ইসলামীর ব্যাংকে তাদের ক্ষমতা হারানোর কারণেই এই অপপ্রচার
করা হয়েছে। বরং এই ব্যাংক ব্যবহার করে জামাত দেশে বিদেশে যে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে, নিজেদের দলের লোকদের পুনর্বাসনের জন্য একটা ব্যাংক ব্যবহার করেছে তা অর্থনীতির যেকোনো নীতিতেই দুর্নীতি। সে দুর্নীতি করেছে একটা ইসলামিক দল, যারা ধর্মের কথা বলে ৭১ সালে ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করেছে। জুলাইয়ে প্রতারণা করে আর্মি এবং বিদেশি শক্তির কাছে দেশ বিক্রি করে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়। ২) ব্যাঙ্কিং খাতের সংস্কারের কথা বলে পাঁচটি ব্যাংককে জোর করে একীভূত করতে গিয়ে ব্যাঙ্কিং এবং আর্থিক খাতের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার লোপাট করেছে। এখন আবার বিএনপি সরকারকে জিম্মি করে হাজার হাজার কোটি টাকা ইসলামী ব্যাংকের নামে বাংলাদেশের
মানুষের টাকা বরাদ্দের ব্যবস্থা করছে, যেখানে পুরো ব্যাঙ্কিং খাতের সংস্কারের জন্য বিএনপি সরকার বাজেটে রেখেছে মাত্র ৪০,০০০ কোটি টাকা। ৩) এরই মধ্যে ২০২৪ এর জুন মাসের ১৩% খেলাপি ঋণ ২০২৬ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৫%। এই জন্য প্রথমে কিছুদিন আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করে লাভ হয়নি। পত্রিকার রিপোর্টে বুঝা যাচ্ছে খেলাপি ঋণ বেড়েছে মব করে ব্যবসায় ধ্বংস করার কারণে। ৪) এরমধ্যে আসলো তৃতীয় শক। এনবিআর ভেঙে দেয়া এবং মবের কারণে সরকারের রাজস্ব আয়ের ঘাটতির কারণে খরচ চালাতে সরকারের ঋণের উপর নির্ভরতা বেড়ে যাচ্ছিলো। ঝুঁকি বেশি হওয়ায় বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতিও কমতে থাকে। এমতাবস্থায় সরকার ব্যাঙ্কিং খাত থেকে বেশি ঋণ করতে বাধ্য হয়। এই
ঋণ আসে অনেকগুলো ভালো ব্যাংক থেকে নেয়া সম্ভব হলেও, আহসান মনসুরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংকের কাছ থেকে এই ঋণের ব্যবস্থা করেন। বেসরকারী খাতে ঋণ প্রবাহ ২১ বছরের সর্বনিম্ন অবস্থায় পৌঁছায়। এমন অবস্থায় কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয়াতে অন্য প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্যাংক বিপদে পড়ে যায়। ঋণের প্রবাহ না থাকায় এবং মবের কারণে ভালো ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে ২০২৬ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ হয় প্রায় ৩৫%। সংযুক্তিতে দেখুন কীভাবে পাঁচটা ব্যাংককে আহসান মনসুর সুবিধা দিয়েছেন। ২০২৩ সাল এবং ২০২৫ সালের মধ্যে তুলনামূলক একটা পার্থক্য দেখানো হয়েছে। ব্যাংকগুলোর সুদ থেকে আয় যেখানে প্রায় ঋণাত্মক, সেখানে অন্য খাত থেকে আয় বৃদ্ধি
পেয়েছে কয়েকগুণ। সিটি ব্যাংকের সুদ থেকে লস যেখানে ৮২% সেখানে অন্যান্য খাত থেকে আয় ২৮২.৭%। প্রাইম ব্যাংকের সুদ থেকে লস ৫৯% সেখানে অন্যান্য খাত থেকে আয় ১৫৬.৬%। ব্রাক ব্যাংকের সুদ থেকে লস ২২% সেখানে অন্যান্য খাত থেকে আয় ১৬৭.৭%। এই অন্যান্য খাত হচ্ছে সরকারের ট্রেজারী সিকিউরিটিতে ব্যাংকগুলোর ইনভেস্টমেন্ট। উপরের হিসাব থেকে দুটি ব্যপার লক্ষণ করুন। ১) ব্যাঙ্কিং খাতের এই ধ্বংসের পিছনে ইউনুস এবং আহসান মনসুরের সাথে মিলে জামাত এবং ব্যাঙ্কিং খাতের একটা বড় অংশ দায়ী। আওয়ামী লীগকে দোষ দেয়ার মূল কারণ এই বড় অঙ্কের লুটপাট থেকে আপনাদের দৃষ্ঠি সরিয়ে রাখা। ২) একটু চিন্তা করলেই দেখতে পাবেন ব্র্যাক এবং সিটি ব্যাংক কীভাবে জুলাই সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত। ২০০৭-০৮ এর সেনাসমর্থিত সরকারের সময় প্রাইম ব্যাংকের ডাইরেক্টর আজম জে চৌধুরীকে দিয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা করানো হয়েছিলো। ৩) এস আলমের বিপক্ষে এত অপপ্রচার কিন্তু প্রমাণ হিসেবে কিছুই সামনে আসেনি। অথচ এস আলমের গাড়িতে চড়ে বিএনপির অনেকেই নির্বাচন করেছেন তা খবরে এসেছে। কিন্তু তার চাইতে বড় অপরাধ করেও সিটি গ্রুপ বহাল তবিয়তে সরকারের এবং ব্যাঙ্কিং খাতের সকল সাহায্য পাচ্ছে। কেন? এই প্রশ্ন রেখে গেলাম আপনাদের কাছে।



