ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিরাপদ খাদ্য নিয়ে আপনার ভয় ‘ওদের’ পুঁজি দেশি-বিদেশি অর্গানিক ফুডের নামে আসলে কী খাচ্ছেন?
২ বছরেও শেষ হয়নি ৮৬% জুলাই মামলার তদন্ত: হয়নি ময়নাতদন্ত, ঢালাও আসামি-মামলা বাণিজ্যে ভজঘট অবস্থা!
জুলাইর ‘শহীদ’ বহাল তবিয়তে কাজ করেন সৌদিতে, বাদী উধাও! আসামি শেখ হাসিনাসহ অসংখ্য নিরীহ মানুষ
বালুচিস্তানের ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’: ভাইরাল দাবি, তবে আন্তর্জাতিকভাবে অস্বীকৃত ও পাকিস্তানের প্রত্যাখ্যান
দেশে সবচেয়ে বেশি ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত ঢাকায়
চরম দুর্ভোগে রাঙামাটি: বাঘাইছড়িতে পানিবন্দী ২০ হাজার মানুষ, ৬ দিনে ১০৪ পাহাড়ধস
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোট ব্যবস্থা ফিরল
অরক্ষিত আকাশ, নীরব কর্তৃপক্ষ
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩৫ জনের প্রাণহানির পর বিমান চলাচলের নিরাপত্তার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। হযরত শাহজালাল ও তেজগাঁও বিমানবন্দরের আশপাশে গত এক দশকে উচ্চতাসীমা লঙ্ঘন করে গড়ে ওঠা পাঁচ শতাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ভেঙে, এমনকি জাল ছাড়পত্র ব্যবহার করেও নির্মিত হয়েছে এসব ভবন। এগুলো অপসারণে বছরখানেক আগে রাজউককে চিঠি দেওয়া হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে যে কোনো সময় আবারও ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।
জানা যায়, গত বছরের ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারান ৩৫ জন এবং গুরুতর আহত হন অন্তত ৬৫
জন। সেসময় দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে-কেবল যান্ত্রিক ত্রুটিই নয়; বরং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) উপেক্ষা করে স্কুল ভবন নির্মাণের কারণেও হতাহতের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ট্র্যাজেডি কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়। এটি দীর্ঘদিনের নীতিমালা লঙ্ঘন, দুর্বল এভিয়েশন আইন প্রয়োগ ও রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর চরম দায়িত্বহীনতার ধারাবাহিক পরিণতি। বেবিচক সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকায় গত এক দশকে নিয়ম লঙ্ঘন করে অন্তত ৫২৫টি উঁচু ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এসব ভবন বিমান চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায় এক বছর আগে ভবনগুলো অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) চিঠি দেয় বেবিচক। কিন্তু আজও
এ বিষয়ে রাজউকের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দরের আশপাশের এলাকায় নির্ধারিত উচ্চতার বেশি কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। কিন্তু বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এসব বিধিনিষেধ কার্যকরভাবে মানা হয়নি। ফলে উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় বিমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে। শুধু অবৈধ ভবন শনাক্ত করলেই হবে না, দ্রুত আইন অনুযায়ী সেগুলো অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো অননুমোদিত উচ্চ ভবন নির্মাণ না হয়, সেজন্য রাজউক, বেবিচক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত ও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, ভবন অপসারণ বা
ভেঙে ফেলার আইনগত এখতিয়ার বেবিচকের নেই। আমরা বিমান চলাচলের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনুমোদিত উচ্চতার ভবনগুলো চিহ্নিত করে একাধিকবার রাজউককে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছি। এখন এসব ভবনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব রাজউকের। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, উচ্চতাসীমা অতিক্রম করা ভবনগুলোর বিষয়ে বেবিচক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। এসব ভবনের বিষয়ে সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি এ ভবনগুলোকে রাজউকের উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। হাতে
আসা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে রাজউককে গত বছর পাঠানো বেবিচকের ৬০ পৃষ্ঠার নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, কখনো রাজউকের নজর এড়িয়ে আবার বেবিচকের জাল বা ভুয়া ছাড়পত্র ব্যবহার করে বিমানবন্দরের রানওয়ের আশপাশে এসব অতিরিক্ত উচ্চতার ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী, রানওয়ের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্টাকল লিমিটেশন সারফেস (ওএলএস) বজায় রাখতে হয়। এ এলাকায় দূরত্বভেদে ভবনের উচ্চতা শূন্য থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ ফুট পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে প্রভাব খাটিয়ে তিনতলার অনুমোদন নিয়ে ছয়-সাততলা ভবন নির্মাণেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ভবনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-বিমানবন্দরের ওএলএস এলাকায় অবস্থিত হলিডে ইন হোটেল। ভবনটির অনুমোদিত উচ্চতা ছিল ১৫০ ফুট; কিন্তু বাস্তবে এটি নির্মাণ করা হয়েছে
প্রায় ২০০ ফুট। অর্থাৎ, উড্ডয়ন নিরাপত্তাসীমা লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত ৫০ ফুট উঁচু করা হয়েছে ভবনটি। এর চেয়েও গুরুতর অনিয়ম পাওয়া গেছে নিকুঞ্জ-২ এলাকায় অবস্থিত পাঁচতারকা হোটেল লা মেরিডিয়ানের ক্ষেত্রে। বেবিচকের অনুমোদন অনুযায়ী ভবনটির সর্বোচ্চ উচ্চতা হওয়ার কথা ছিল ১৫০ ফুট। কিন্তু বর্তমানে এর উচ্চতা প্রায় ১৮০ ফুট। শুধু তাই নয়, বেবিচকের নথিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, হোটেল কর্তৃপক্ষ যে ছাড়পত্র উপস্থাপন করেছে, তা সম্পূর্ণ জাল। অন্যদিকে, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বেবিচকের যৌথ সমীক্ষায় তেজগাঁও বিমানবন্দরের রানওয়ে-১৭ এপ্রোচ পাথ এবং ভিভিআইপি হেলিপ্যাডসংলগ্ন এলাকার চিত্রও ভয়াবহ। কাফরুল ও শেওড়াপাড়া এলাকায় যেখানে ভবনের সর্বোচ্চ অনুমোদিত উচ্চতা ছিল শূন্য থেকে ১১ ফুট, সেখানে ২০ থেকে
১০৪ ফুট পর্যন্ত উচ্চতার ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে মেসার্স বিল্ডার্স ও গ্রীন ভিউ হোমল্যান্ডের নয়তলা ভবন রয়েছে। এসব ভবনের কারণে হেলিকপ্টার ও বিমান ওঠানামা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে বলে রাজউককে সতর্ক করেছে বিমানবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। একই ধরনের অনিয়মের চিত্র পাওয়া গেছে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরেও। সেক্টরটির ৫ নম্বর সড়কের ২, ৯, ২১, ২৬, ৫৩ ও ৭০ নম্বর প্লটে নির্মিত ভবন ও টাওয়ার নির্ধারিত উচ্চতার সীমা অতিক্রম করে ১৮ থেকে ২৬ ফুট বেশি উঁচু করা হয়েছে।
জন। সেসময় দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে-কেবল যান্ত্রিক ত্রুটিই নয়; বরং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) উপেক্ষা করে স্কুল ভবন নির্মাণের কারণেও হতাহতের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ট্র্যাজেডি কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়। এটি দীর্ঘদিনের নীতিমালা লঙ্ঘন, দুর্বল এভিয়েশন আইন প্রয়োগ ও রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর চরম দায়িত্বহীনতার ধারাবাহিক পরিণতি। বেবিচক সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকায় গত এক দশকে নিয়ম লঙ্ঘন করে অন্তত ৫২৫টি উঁচু ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এসব ভবন বিমান চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায় এক বছর আগে ভবনগুলো অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) চিঠি দেয় বেবিচক। কিন্তু আজও
এ বিষয়ে রাজউকের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দরের আশপাশের এলাকায় নির্ধারিত উচ্চতার বেশি কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। কিন্তু বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এসব বিধিনিষেধ কার্যকরভাবে মানা হয়নি। ফলে উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় বিমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে। শুধু অবৈধ ভবন শনাক্ত করলেই হবে না, দ্রুত আইন অনুযায়ী সেগুলো অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো অননুমোদিত উচ্চ ভবন নির্মাণ না হয়, সেজন্য রাজউক, বেবিচক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত ও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, ভবন অপসারণ বা
ভেঙে ফেলার আইনগত এখতিয়ার বেবিচকের নেই। আমরা বিমান চলাচলের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনুমোদিত উচ্চতার ভবনগুলো চিহ্নিত করে একাধিকবার রাজউককে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছি। এখন এসব ভবনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব রাজউকের। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, উচ্চতাসীমা অতিক্রম করা ভবনগুলোর বিষয়ে বেবিচক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। এসব ভবনের বিষয়ে সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি এ ভবনগুলোকে রাজউকের উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। হাতে
আসা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে রাজউককে গত বছর পাঠানো বেবিচকের ৬০ পৃষ্ঠার নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, কখনো রাজউকের নজর এড়িয়ে আবার বেবিচকের জাল বা ভুয়া ছাড়পত্র ব্যবহার করে বিমানবন্দরের রানওয়ের আশপাশে এসব অতিরিক্ত উচ্চতার ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী, রানওয়ের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্টাকল লিমিটেশন সারফেস (ওএলএস) বজায় রাখতে হয়। এ এলাকায় দূরত্বভেদে ভবনের উচ্চতা শূন্য থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ ফুট পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে প্রভাব খাটিয়ে তিনতলার অনুমোদন নিয়ে ছয়-সাততলা ভবন নির্মাণেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ভবনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-বিমানবন্দরের ওএলএস এলাকায় অবস্থিত হলিডে ইন হোটেল। ভবনটির অনুমোদিত উচ্চতা ছিল ১৫০ ফুট; কিন্তু বাস্তবে এটি নির্মাণ করা হয়েছে
প্রায় ২০০ ফুট। অর্থাৎ, উড্ডয়ন নিরাপত্তাসীমা লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত ৫০ ফুট উঁচু করা হয়েছে ভবনটি। এর চেয়েও গুরুতর অনিয়ম পাওয়া গেছে নিকুঞ্জ-২ এলাকায় অবস্থিত পাঁচতারকা হোটেল লা মেরিডিয়ানের ক্ষেত্রে। বেবিচকের অনুমোদন অনুযায়ী ভবনটির সর্বোচ্চ উচ্চতা হওয়ার কথা ছিল ১৫০ ফুট। কিন্তু বর্তমানে এর উচ্চতা প্রায় ১৮০ ফুট। শুধু তাই নয়, বেবিচকের নথিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, হোটেল কর্তৃপক্ষ যে ছাড়পত্র উপস্থাপন করেছে, তা সম্পূর্ণ জাল। অন্যদিকে, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বেবিচকের যৌথ সমীক্ষায় তেজগাঁও বিমানবন্দরের রানওয়ে-১৭ এপ্রোচ পাথ এবং ভিভিআইপি হেলিপ্যাডসংলগ্ন এলাকার চিত্রও ভয়াবহ। কাফরুল ও শেওড়াপাড়া এলাকায় যেখানে ভবনের সর্বোচ্চ অনুমোদিত উচ্চতা ছিল শূন্য থেকে ১১ ফুট, সেখানে ২০ থেকে
১০৪ ফুট পর্যন্ত উচ্চতার ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে মেসার্স বিল্ডার্স ও গ্রীন ভিউ হোমল্যান্ডের নয়তলা ভবন রয়েছে। এসব ভবনের কারণে হেলিকপ্টার ও বিমান ওঠানামা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে বলে রাজউককে সতর্ক করেছে বিমানবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। একই ধরনের অনিয়মের চিত্র পাওয়া গেছে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরেও। সেক্টরটির ৫ নম্বর সড়কের ২, ৯, ২১, ২৬, ৫৩ ও ৭০ নম্বর প্লটে নির্মিত ভবন ও টাওয়ার নির্ধারিত উচ্চতার সীমা অতিক্রম করে ১৮ থেকে ২৬ ফুট বেশি উঁচু করা হয়েছে।



