ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশে সবচেয়ে বেশি ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত ঢাকায়
চরম দুর্ভোগে রাঙামাটি: বাঘাইছড়িতে পানিবন্দী ২০ হাজার মানুষ, ৬ দিনে ১০৪ পাহাড়ধস
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোট ব্যবস্থা ফিরল
ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনারের চারপাশ ঘিরে শৌচাগার নির্মাণ
জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার কোটি টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন
নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করুন
নিঃসঙ্গ এক সন্তের বিদায়
বালুচিস্তানের ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’: ভাইরাল দাবি, তবে আন্তর্জাতিকভাবে অস্বীকৃত ও পাকিস্তানের প্রত্যাখ্যান
গত কয়েক দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে “রিপাবলিক অব বালুচিস্তান” নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে এই দাবির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করতে পারেনি কোনো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, এবং পাকিস্তান সরকার এটি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
দাবিতে যা বলা হয়েছে
“রিপাবলিক অব বালুচিস্তান” নামে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, তারা নিজস্ব পতাকা, জাতীয় সংগীত (“Ma Chukain Balochani”) ও মুদ্রা (“বালুচি ফালুস”) চালু করেছে এবং অঞ্চলের প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বাহিনী দিয়ে তারা এলাকা পরিচালনা করছে এবং
প্রায় পাঁচ লাখ সদস্যের একটি বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীকে হটাতে প্রস্তুত রয়েছে। জ্বালানি তেল, খনিজ সম্পদ ও কয়লাখনির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবিও করা হয়েছে সেখানে। তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টিভি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা এই ভাইরাল বিবৃতির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এবং এর জন্য দায়ও নিচ্ছে না। পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার এই ভাইরাল দাবির বিষয়ে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে বালুচিস্তান নিয়ে দীর্ঘদিনের অবস্থান অনুযায়ী, ইসলামাবাদ বরাবরই বলে আসছে প্রদেশটি পাকিস্তানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান বারবার বালুচিস্তানের স্বাধীনতা সংক্রান্ত ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জানিয়েছে যে তারা প্রদেশটিকে বিচ্ছিন্ন হতে দেবে না। সম্প্রতি এপি (অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী
বালুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৭৫ জন বিদ্রোহীকে হত্যার দাবি করেছে। এর একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ কোয়েটা সফরে গিয়ে সাম্প্রতিক হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘদিনের সংঘাত বালুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ প্রদেশ, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো স্বায়ত্তশাসন বা পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে সক্রিয়। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতেও বালুচিস্তানের একাধিক শহরে সমন্বিত হামলা চালিয়েছিল বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গিরা, যাতে অন্তত ৪৮ জন নিহত হয়। সংক্ষেপে বালুচিস্তানের “স্বাধীনতা ঘোষণা” এখন পর্যন্ত শুধুই সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো একটি বিবৃতি, যার সত্যতা কোনো নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেনি। জাতিসংঘ বা কোনো রাষ্ট্র এখনো এই তথাকথিত “রিপাবলিক
অব বালুচিস্তান”-কে স্বীকৃতি দেয়নি। পাকিস্তান বরাবরের মতোই বালুচিস্তানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করছে এবং সেখানে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। অঞ্চলটিতে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন কয়েক দশক ধরে চলমান, যা মাঝে মাঝে তীব্র রূপ নেয়, তবে তা কোনো প্রকৃত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সমতুল্য নয়।
প্রায় পাঁচ লাখ সদস্যের একটি বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীকে হটাতে প্রস্তুত রয়েছে। জ্বালানি তেল, খনিজ সম্পদ ও কয়লাখনির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবিও করা হয়েছে সেখানে। তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টিভি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা এই ভাইরাল বিবৃতির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এবং এর জন্য দায়ও নিচ্ছে না। পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার এই ভাইরাল দাবির বিষয়ে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে বালুচিস্তান নিয়ে দীর্ঘদিনের অবস্থান অনুযায়ী, ইসলামাবাদ বরাবরই বলে আসছে প্রদেশটি পাকিস্তানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান বারবার বালুচিস্তানের স্বাধীনতা সংক্রান্ত ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জানিয়েছে যে তারা প্রদেশটিকে বিচ্ছিন্ন হতে দেবে না। সম্প্রতি এপি (অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী
বালুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৭৫ জন বিদ্রোহীকে হত্যার দাবি করেছে। এর একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ কোয়েটা সফরে গিয়ে সাম্প্রতিক হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘদিনের সংঘাত বালুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ প্রদেশ, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো স্বায়ত্তশাসন বা পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে সক্রিয়। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতেও বালুচিস্তানের একাধিক শহরে সমন্বিত হামলা চালিয়েছিল বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গিরা, যাতে অন্তত ৪৮ জন নিহত হয়। সংক্ষেপে বালুচিস্তানের “স্বাধীনতা ঘোষণা” এখন পর্যন্ত শুধুই সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো একটি বিবৃতি, যার সত্যতা কোনো নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেনি। জাতিসংঘ বা কোনো রাষ্ট্র এখনো এই তথাকথিত “রিপাবলিক
অব বালুচিস্তান”-কে স্বীকৃতি দেয়নি। পাকিস্তান বরাবরের মতোই বালুচিস্তানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করছে এবং সেখানে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। অঞ্চলটিতে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন কয়েক দশক ধরে চলমান, যা মাঝে মাঝে তীব্র রূপ নেয়, তবে তা কোনো প্রকৃত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সমতুল্য নয়।



