ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা সরকারের স্থাপিত ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় প্রথম বছরেই মুনাফা ২৩৩ কোটি টাকা
সরকারের দাবি ‘ছাড় দেওয়া হয়েছে’, কিন্তু বাজারে কমেনি নিত্যপণ্যের দাম: ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষের প্রাণ
লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে শেষ হলো রপ্তানির বছর
গ্যাসের অভাবে বন্ধ ৫৫০ কারখানা, ঝুলে আছে নতুন ১৮০০ আবেদন
গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল: ২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ঝুঁকিতে
পোশাক খাতে বেড়েই চলেছে সংকট: আরও এক কারখানা বন্ধ, ঈদের পরে লাখো শ্রমিক ছাঁটাই
জুনে ৮ মাসের সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স, অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ১৭.৩ শতাংশ
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়াল ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকায়
বিদায়ী অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে সরকার ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭ হাজার কোটি টাকা বেশি।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বড় অঙ্কের রাজস্ব ঘাটতির কারণে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা বাড়ছে, যা মূল্যস্ফীতি ও বেসরকারি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিদায়ী অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ঘাটতিতে রয়েছে। একইসঙ্গে বাজেটে নির্ধারিত বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও কম অর্জিত হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের মে পর্যন্ত ১১ মাসে বিদেশি সহায়তার অর্থছাড় দাঁড়িয়েছে ৪৫৮ কোটি ডলারে, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল ৫৬১ কোটি ডলার।
রাজস্ব আদায় ও বিদেশি ঋণের গতি কম থাকায় বাজেট বাস্তবায়নে সরকারকে ব্যাংকের ওপর
নির্ভর করতে হয়েছে। ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিতে হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৫ শতাংশের ঘরে, ফলে সরকার বাড়তি ঋণ নিলেও তার চাপ বেসরকারি খাতে পড়েনি। অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৬.৮ শতাংশ, আর সরকারি খাতে ২১.৮ শতাংশ।
নির্ভর করতে হয়েছে। ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিতে হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৫ শতাংশের ঘরে, ফলে সরকার বাড়তি ঋণ নিলেও তার চাপ বেসরকারি খাতে পড়েনি। অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৬.৮ শতাংশ, আর সরকারি খাতে ২১.৮ শতাংশ।



