ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হচ্ছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, যেসব সুবিধা পাবে ব্যবহারকারীরা
ফেসবুক স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা
রাতে কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিধিনিষেধ আনছে যুক্তরাজ্য
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের ‘আসক্তিকর ডিজাইন’ বদলাতে কড়া নির্দেশ ইইউ’র
ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি
Y ক্রোমোজোম হ্রাসে পুরুষ জাতি বিলুপ্তির শঙ্কা কতটা যৌক্তিক, বিজ্ঞান কী বলছে
মার্কিন বাজারে ঝড় তুলেছে চীনের নতুন এআই মডেল
মানুষ কেন নাক খোঁটে জানেন?
‘নাক খোঁটা’ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক অস্বস্তি বা হাস্যরসের শেষ নেই। অনেকেই এটিকে অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস বলে মনে করেন।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, জীবনের কোনো না কোনো সময়ে প্রায় সবাই এই কাজটি করেছেন। তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে, মানুষ কেন এমন করে? কেবল অভ্যাস, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ?
সম্প্রতি এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে গবেষকরা পেয়েছেন চমকপ্রদ কিছু তথ্য।
তাদের ধারণা, নাক খোঁটার অভ্যাসের শিকড় মানুষের বিবর্তন ইতিহাসের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকতে পারে।
সুইজারল্যান্ডের বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যানি ক্লেয়ার ফাব্রে বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী হন একটি বিরল প্রাণীর আচরণ পর্যবেক্ষণ করে।
তিনি লক্ষ্য করেন, মাদাগাস্কারের ‘আয়-আয়’ নামের এক প্রাইমেট প্রাণী নিয়মিত নিজের নাকে আঙুল প্রবেশ করায়।
গবেষণার অংশ হিসেবে
প্রাণীটির সিটি স্ক্যান করা হলে দেখা যায়, তার লম্বা আঙুল নাকের গহ্বর পেরিয়ে অনেক গভীর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই পর্যবেক্ষণ থেকেই শুরু হয় আরও বিস্তৃত অনুসন্ধান। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ ছাড়াও অন্তত ১২ ধরনের প্রাইমেট প্রাণীর মধ্যে নাক খোঁটার আচরণ দেখা যায়। প্রাইমেট শ্রেণির মধ্যে মানুষ, শিম্পাঞ্জি, গরিলা, বাঁদর, হনুমানসহ আরও অনেক প্রাণী রয়েছে। একাধিক প্রজাতির মধ্যে একই ধরনের আচরণ পাওয়া যাওয়ায় গবেষকদের ধারণা, এটি কেবল মানুষের সামাজিক অভ্যাস নয়; বরং বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা একটি আচরণও হতে পারে। তবে নাক খোঁটার সুনির্দিষ্ট উপকারিতা বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। এটি কি নাক পরিষ্কার রাখার প্রাকৃতিক উপায়, নাকি অন্য কোনো শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজন
পূরণ করে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। গবেষকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে সমাজে নানা ধরনের হাসি-ঠাট্টা থাকলেও বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়েছে খুবই সীমিত। ফলে এ আচরণের প্রকৃত কারণ জানতে আরও বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নাক খোঁটার অভ্যাসকে ঘিরে কৌতূহল থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। নাকে আঙুল দেওয়ার আগে ও পরে হাত পরিষ্কার না থাকলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আপাতদৃষ্টিতে অস্বস্তিকর মনে হলেও মানুষের অনেক সাধারণ আচরণের মতো নাক খোঁটার অভ্যাসের পেছনেও থাকতে পারে দীর্ঘ বিবর্তনের ইতিহাস। তবে এর প্রকৃত কারণ জানতে ভবিষ্যতে আরও গবেষণার অপেক্ষা করতে হবে।
প্রাণীটির সিটি স্ক্যান করা হলে দেখা যায়, তার লম্বা আঙুল নাকের গহ্বর পেরিয়ে অনেক গভীর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই পর্যবেক্ষণ থেকেই শুরু হয় আরও বিস্তৃত অনুসন্ধান। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ ছাড়াও অন্তত ১২ ধরনের প্রাইমেট প্রাণীর মধ্যে নাক খোঁটার আচরণ দেখা যায়। প্রাইমেট শ্রেণির মধ্যে মানুষ, শিম্পাঞ্জি, গরিলা, বাঁদর, হনুমানসহ আরও অনেক প্রাণী রয়েছে। একাধিক প্রজাতির মধ্যে একই ধরনের আচরণ পাওয়া যাওয়ায় গবেষকদের ধারণা, এটি কেবল মানুষের সামাজিক অভ্যাস নয়; বরং বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা একটি আচরণও হতে পারে। তবে নাক খোঁটার সুনির্দিষ্ট উপকারিতা বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। এটি কি নাক পরিষ্কার রাখার প্রাকৃতিক উপায়, নাকি অন্য কোনো শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজন
পূরণ করে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। গবেষকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে সমাজে নানা ধরনের হাসি-ঠাট্টা থাকলেও বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়েছে খুবই সীমিত। ফলে এ আচরণের প্রকৃত কারণ জানতে আরও বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নাক খোঁটার অভ্যাসকে ঘিরে কৌতূহল থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। নাকে আঙুল দেওয়ার আগে ও পরে হাত পরিষ্কার না থাকলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আপাতদৃষ্টিতে অস্বস্তিকর মনে হলেও মানুষের অনেক সাধারণ আচরণের মতো নাক খোঁটার অভ্যাসের পেছনেও থাকতে পারে দীর্ঘ বিবর্তনের ইতিহাস। তবে এর প্রকৃত কারণ জানতে ভবিষ্যতে আরও গবেষণার অপেক্ষা করতে হবে।



