ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অনুমতি ছাড়া কারও ছবি তোলা কি অপরাধ?
আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই গুগল পিক্সেল ১১ সিরিজের দামের তথ্য ফাঁস
৮৩% জেন-জি কনটেন্ট তৈরি করছে
ইন্টারনেট গতিতে এগিয়েছে সব দেশ, পিছিয়েছে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন
ওয়াইফাইয়ের গতি বাড়াতে যা করবেন
মানুষ কেন নাক খোঁটে জানেন?
হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হচ্ছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, যেসব সুবিধা পাবে ব্যবহারকারীরা
শিক্ষার্থীর জন্য স্কিলস টু সাকসেস
ফ্রিল্যান্সার পরিচালিত বিজনেস সল্যুশন প্ল্যাটফর্ম বিজমেকার ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (আইইউবি) ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করছে। তরুণদের দক্ষতা চিহ্নিত, তা বিকশিত ও সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে বাস্তব সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করার লক্ষ্যই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। প্রোগ্রামটি বাস্তব প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর দক্ষতাকে আয়ে রূপান্তরিত করার ব্যবহারিক সুযোগ তৈরি ছাড়াও শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, উদ্যোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করতে কাজ করে চলেছে।
বিজমেকার বিশেষ মডেলের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সবাই এখানে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেন। কর্মসংস্থান ও শেখার মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনতে কাজ করা হয়। ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর বাস্তবমুখী জ্ঞান, সময়ের দক্ষতা এবং নিজেদের আবেগ ও আগ্রহকে অর্থবহ, টেকসই ক্যারিয়ারে রূপান্তর করতে স্বচ্ছ
ধারণা দেয় এই প্ল্যাটফর্ম। বিজমেকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম রাফিউল হক বলেন, তরুণরা বছরের পর বছর ধরে শিখছে; কিন্তু তাদের অনেকেই সেই জ্ঞান প্রয়োগের প্রকৃত সুযোগ তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীর ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু বাড়তি আয়ের কোনো উৎস হিসেবে দেখতে উৎসাহিত করছে না; বরং দেশের মেধাবী তরুণরা এটি বোঝাতে চাইছে, তাদের দক্ষতার বাস্তব বাজারমূল্য রয়েছে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা তরুণদের একাডেমিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করতে চাই, যা তাদের জন্য বাস্তবে অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করবে।
ধারণা দেয় এই প্ল্যাটফর্ম। বিজমেকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম রাফিউল হক বলেন, তরুণরা বছরের পর বছর ধরে শিখছে; কিন্তু তাদের অনেকেই সেই জ্ঞান প্রয়োগের প্রকৃত সুযোগ তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীর ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু বাড়তি আয়ের কোনো উৎস হিসেবে দেখতে উৎসাহিত করছে না; বরং দেশের মেধাবী তরুণরা এটি বোঝাতে চাইছে, তাদের দক্ষতার বাস্তব বাজারমূল্য রয়েছে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা তরুণদের একাডেমিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করতে চাই, যা তাদের জন্য বাস্তবে অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করবে।



