ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফোল্ডেবল আইফোন এনে বড় ঝুঁকি নিল অ্যাপল
বার্ধক্য ঠেকাতে এআইয়ের সহায়তায় তৈরি ওষুধে আশার আলো
১৬ বছরের কম বয়সিদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আইনি নিষেধাজ্ঞা চায় পাকিস্তানের এক প্রদেশ
তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে পেন্টাগনের নতুন পদক্ষেপ
অপ্রাপ্ত বয়সে না বুঝে প্রশ্ন করার ঝুঁকি
ব্যক্তিগত চ্যাট গোপন রাখতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার
ব্যান্ডউইথ সংকটের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ইন্টারনেটের দাম বাড়া ও গতি কমার আশঙ্কা
যেসব ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ
স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য বড় ধরণের পরিবর্তন নিয়ে আসছে হোয়াটসঅ্যাপ কতৃপক্ষ। পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে চলা বেশ কিছু স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার বন্ধ হতে যাচ্ছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ভার্সনে চালিত ডিভাইসের জন্য সাপোর্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ফলে যেসব ফোনে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ বা ৫.১ রয়েছে এবং সেগুলোকে পরবর্তী অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে আপডেট করার সুযোগ নেই, সেসব ডিভাইসে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না।
চলতি বছরের এপ্রিলেই পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে হোয়াটসঅ্যাপের সাপোর্ট বন্ধের বিষয়টি জানানো হয়েছিল। সেই ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও ৫.১ এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপের সাপোর্ট শেষ হয়েছে।
বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ মার্শম্যালো বা পরবর্তী
সংস্করণ প্রয়োজন। অর্থাৎ ফোনটি যদি অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ বা ৫.১-এ আটকে থাকে এবং সেটিকে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা পরবর্তী সংস্করণে আপডেট করার সুযোগ না থাকে, তাহলে ওই ফোনে আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। এই পরিবর্তনের ফলে মূলত দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত পুরোনো স্মার্টফোনগুলোর ওপর প্রভাব পড়বে। যেসব ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর সফটওয়্যার আপডেট দেয় না, সেসব ডিভাইসে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে ভারত, ব্রাজিল, পাকিস্তান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যবহার রয়েছে। এসব ডিভাইসের অনেকগুলোতেই নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ইনস্টলের সুযোগ নেই। ফলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার চালিয়ে যেতে অনেক ব্যবহারকারীকে নতুন ফোন কেনার কথা ভাবতে হতে পারে। হোয়াটসঅ্যাপ চালু রাখতে
যা করবেন প্রথমে ফোনে বর্তমানে কোন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ রয়েছে তা দেখে নিতে হবে। যদি সেটি অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ বা ৫.১ হয়, তাহলে ফোনটির জন্য কোনো সফটওয়্যার আপডেট এসেছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা পরবর্তী সংস্করণে আপডেট করা গেলে সফটওয়্যার আপডেটের পর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তবে ফোনটির জন্য নতুন কোনো আপডেট না থাকলে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা পরবর্তী সংস্করণ সমর্থন করে—এমন নতুন ডিভাইসে পরিবর্তন করতে হবে। এই নিয়ম শুধু সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রে নয়, হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যে কারণে পুরোনো অ্যান্ড্রয়েডের সাপোর্ট বন্ধ হোয়াটসঅ্যাপ নিয়মিত নতুন ফিচার ও নিরাপত্তাব্যবস্থা যুক্ত করে। একটি অ্যাপকে একই সঙ্গে অনেক পুরোনো ও নতুন অ্যান্ড্রয়েড
সংস্করণে কার্যকর রাখতে হলে নতুন ফিচার তৈরি এবং সেগুলোর সামঞ্জস্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ওয়েবিটাইনফোর তথ্য অনুযায়ী, পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণগুলোর প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে নতুন ফিচারের সব সুবিধা সেখানে ঠিকভাবে চালানো সম্ভব নয়। এ কারণে তুলনামূলক পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমের সাপোর্ট সরিয়ে নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণগুলোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। ফলে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও ৫.১ ব্যবহারকারীদের একটি অংশ সমস্যায় পড়লেও আধুনিক ডিভাইসের জন্য নতুন ফিচার ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হোয়াটসঅ্যাপের জন্য সহজ হবে।
সংস্করণ প্রয়োজন। অর্থাৎ ফোনটি যদি অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ বা ৫.১-এ আটকে থাকে এবং সেটিকে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা পরবর্তী সংস্করণে আপডেট করার সুযোগ না থাকে, তাহলে ওই ফোনে আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। এই পরিবর্তনের ফলে মূলত দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত পুরোনো স্মার্টফোনগুলোর ওপর প্রভাব পড়বে। যেসব ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর সফটওয়্যার আপডেট দেয় না, সেসব ডিভাইসে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে ভারত, ব্রাজিল, পাকিস্তান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যবহার রয়েছে। এসব ডিভাইসের অনেকগুলোতেই নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ইনস্টলের সুযোগ নেই। ফলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার চালিয়ে যেতে অনেক ব্যবহারকারীকে নতুন ফোন কেনার কথা ভাবতে হতে পারে। হোয়াটসঅ্যাপ চালু রাখতে
যা করবেন প্রথমে ফোনে বর্তমানে কোন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ রয়েছে তা দেখে নিতে হবে। যদি সেটি অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ বা ৫.১ হয়, তাহলে ফোনটির জন্য কোনো সফটওয়্যার আপডেট এসেছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা পরবর্তী সংস্করণে আপডেট করা গেলে সফটওয়্যার আপডেটের পর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তবে ফোনটির জন্য নতুন কোনো আপডেট না থাকলে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা পরবর্তী সংস্করণ সমর্থন করে—এমন নতুন ডিভাইসে পরিবর্তন করতে হবে। এই নিয়ম শুধু সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রে নয়, হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যে কারণে পুরোনো অ্যান্ড্রয়েডের সাপোর্ট বন্ধ হোয়াটসঅ্যাপ নিয়মিত নতুন ফিচার ও নিরাপত্তাব্যবস্থা যুক্ত করে। একটি অ্যাপকে একই সঙ্গে অনেক পুরোনো ও নতুন অ্যান্ড্রয়েড
সংস্করণে কার্যকর রাখতে হলে নতুন ফিচার তৈরি এবং সেগুলোর সামঞ্জস্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ওয়েবিটাইনফোর তথ্য অনুযায়ী, পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণগুলোর প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে নতুন ফিচারের সব সুবিধা সেখানে ঠিকভাবে চালানো সম্ভব নয়। এ কারণে তুলনামূলক পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমের সাপোর্ট সরিয়ে নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণগুলোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। ফলে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও ৫.১ ব্যবহারকারীদের একটি অংশ সমস্যায় পড়লেও আধুনিক ডিভাইসের জন্য নতুন ফিচার ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হোয়াটসঅ্যাপের জন্য সহজ হবে।



