ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে দরপতন, তেলের দাম নিয়ে উদ্বেগ
‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগানে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ দখলে নিল হুথিরা
চীনে কার্গো জাহাজে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২০
বৈঠকে বসছেন মোদি-পুতিন, আলোচনায় থাকছে যেসব বিষয়
ফিলিস্তিনি জমি যুক্ত করে পুরনো ‘স্টেট ল্যান্ড’ ঘোষণা ইসরাইলের
অস্ট্রেলিয়ায় ডেপুটি মেয়র হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা রহমান
ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমান যোগ দেবেন কিনা, যা জানাল ভারত
মোদিবিরোধিতায় একজোট, রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী মানতে আপত্তি শরিকদের
ভারতের আগামী লোকসভা নির্বাচন হতে এখনো প্রায় তিন বছর বাকি। তবে তার আগেই বিরোধী জোটের অন্দরে প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ক্ষমতাসীন বিজেপিকে হারানোর প্রশ্নে বিরোধী দলগুলো একমত হলেও নির্বাচনে জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেই প্রশ্নে এখনো কোনো ঐকমত্য তৈরি হয়নি।
কংগ্রেস চাইছে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রধান মুখ হিসেবে তুলে ধরতে। কিন্তু শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এমন অবস্থান নেওয়ায় জোটের ভেতরেই অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি সিপিএম নেতা এম এ বেবি বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীর দাবি থাকতেই পারে। তবে নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসার পরই প্রধানমন্ত্রী কে হবেন,
সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তার এই বক্তব্য কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপালের বক্তব্যের সঙ্গে সরাসরি ভিন্নমত তৈরি করেছে। বেণুগোপাল এর আগে বলেছিলেন, ২০২৯ সালের নির্বাচনে বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে রাহুল গান্ধীকে সামনে রাখা হবে। দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতেও এ প্রশ্নে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে অভিনেতা বিজয়ের দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগম তাকেই ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরতে আগ্রহী। এ নিয়ে তামিলনাড়ুতে কংগ্রেসের সঙ্গে দলটির সম্পর্কেও টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরিস্থিতি এবং ২০২৯ সালের পরিস্থিতি এক হবে না। ২০২৪ সালে উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে আঞ্চলিক দলগুলোর আসন সমঝোতা বিরোধীদের নির্বাচনি সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সমাজবাদী
পার্টিসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দল নিজেদের রাজ্যে শক্তিশালী ফল করেছিল। তবে সেই সাফল্যকে জাতীয় পর্যায়ে কোনো একটি দলের নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার সম্মতি হিসেবে দেখছে না শরিক দলগুলো। আঞ্চলিক দলগুলোর নেতারা নিজেদের রাজ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলেছেন। ফলে নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি অন্য কোনো দলের জাতীয় নেতৃত্বের হাতে তুলে দিতে তারা কতটা রাজি হবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বিরোধী জোটের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিভিন্ন রাজ্যে শক্তিশালী আঞ্চলিক দলগুলোর উপস্থিতি। আবার এটিই জোটের সবচেয়ে বড় দুর্বলতাও। কারণ প্রতিটি দলের নিজস্ব রাজনৈতিক স্বার্থ, ভোটব্যাংক ও নেতৃত্ব রয়েছে। বিজেপির বিপক্ষে একসঙ্গে লড়াই করা এবং নির্বাচনের পর একজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে
নেওয়া এক বিষয় নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিরোধী দলগুলো দেখিয়েছে, একসঙ্গে লড়াই করলে বিজেপির শক্তির মোকাবিলা করা সম্ভব। কিন্তু ২০২৯ সালের লড়াইয়ে শুধু বিজেপিবিরোধিতা যথেষ্ট হবে না। নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে মতৈক্য তৈরি করা সম্ভব হবে কি না, সেটিই বিরোধী জোটের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। ফলে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরুর আগেই বিরোধী জোটের সামনে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে নেতৃত্বের বিষয়টি। বিজেপিকে হারানোর লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো যতটা একমত, রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রশ্নে তারা ততটাই বিভক্ত।
সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তার এই বক্তব্য কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপালের বক্তব্যের সঙ্গে সরাসরি ভিন্নমত তৈরি করেছে। বেণুগোপাল এর আগে বলেছিলেন, ২০২৯ সালের নির্বাচনে বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে রাহুল গান্ধীকে সামনে রাখা হবে। দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতেও এ প্রশ্নে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে অভিনেতা বিজয়ের দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগম তাকেই ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরতে আগ্রহী। এ নিয়ে তামিলনাড়ুতে কংগ্রেসের সঙ্গে দলটির সম্পর্কেও টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরিস্থিতি এবং ২০২৯ সালের পরিস্থিতি এক হবে না। ২০২৪ সালে উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে আঞ্চলিক দলগুলোর আসন সমঝোতা বিরোধীদের নির্বাচনি সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সমাজবাদী
পার্টিসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দল নিজেদের রাজ্যে শক্তিশালী ফল করেছিল। তবে সেই সাফল্যকে জাতীয় পর্যায়ে কোনো একটি দলের নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার সম্মতি হিসেবে দেখছে না শরিক দলগুলো। আঞ্চলিক দলগুলোর নেতারা নিজেদের রাজ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলেছেন। ফলে নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি অন্য কোনো দলের জাতীয় নেতৃত্বের হাতে তুলে দিতে তারা কতটা রাজি হবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বিরোধী জোটের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিভিন্ন রাজ্যে শক্তিশালী আঞ্চলিক দলগুলোর উপস্থিতি। আবার এটিই জোটের সবচেয়ে বড় দুর্বলতাও। কারণ প্রতিটি দলের নিজস্ব রাজনৈতিক স্বার্থ, ভোটব্যাংক ও নেতৃত্ব রয়েছে। বিজেপির বিপক্ষে একসঙ্গে লড়াই করা এবং নির্বাচনের পর একজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে
নেওয়া এক বিষয় নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিরোধী দলগুলো দেখিয়েছে, একসঙ্গে লড়াই করলে বিজেপির শক্তির মোকাবিলা করা সম্ভব। কিন্তু ২০২৯ সালের লড়াইয়ে শুধু বিজেপিবিরোধিতা যথেষ্ট হবে না। নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে মতৈক্য তৈরি করা সম্ভব হবে কি না, সেটিই বিরোধী জোটের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। ফলে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরুর আগেই বিরোধী জোটের সামনে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে নেতৃত্বের বিষয়টি। বিজেপিকে হারানোর লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো যতটা একমত, রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রশ্নে তারা ততটাই বিভক্ত।



