ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
বৈঠকে বসছেন মোদি-পুতিন, আলোচনায় থাকছে যেসব বিষয়
ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে আগামী শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বৈঠকে বসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৈঠকে প্রতিরক্ষা, রুশ তেল আমদানি, পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য ও ইউক্রেন যুদ্ধসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
তবে বৈঠকে সবচেয়ে বেশি নজর থাকছে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার দিকে। রাশিয়া জানিয়েছে, ভারতকে অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি দিতে তারা প্রস্তুত। এর মধ্যে রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমান** নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে রুশ যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের দীর্ঘদিনের ব্যবহার রয়েছে। ফলে এসইউ-৫৭ নিয়ে আলোচনা হলে তা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিতে পারে।
বৈঠকে পরমাণু শক্তিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে
পারে। ভারতে নতুন পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী রাশিয়া। এ ছাড়া দুই দেশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরিতে যৌথ উদ্যোগ আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করতে পারে। মোদি-পুতিন বৈঠকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যেও ভারত রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কিনছে। তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি দৈনিক প্রায় ২৮ লাখ ২০ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছিল। এটি ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫৫ দশমিক ৯ শতাংশ। আগস্টে আমদানি কমে দৈনিক প্রায় ২০ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেলে নেমে আসে। তবুও রাশিয়া এখনো ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী। সেইসঙ্গে তেল
বাণিজ্যের অর্থ পরিশোধ নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। রাশিয়া ও ভারত নিজস্ব মুদ্রায় লেনদেনের ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। রুশ ব্যাংকিং সূত্রের দাবি, দুই দেশের বাণিজ্যের প্রায় ৯৬ শতাংশ রুবল ও রুপিতে নিষ্পত্তি হচ্ছে। বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে। ভারত সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিলেও রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ফলে যুদ্ধের সমাধান, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং ভবিষ্যৎ শান্তি আলোচনা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময় হতে পারে। পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতও বৈঠকে আলোচনায় আসতে পারে। হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এরইমধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বিশ্বের অন্যতম বড়
জ্বালানি আমদানিকারক ভারত। তাই তেলের দাম বাড়লে দেশটির আমদানি ব্যয়, রুপির মূল্য এবং বৈদেশিক লেনদেনে চাপ বাড়তে পারে। এ কারণে রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা ভারতের জন্য কেবল কূটনৈতিক বিষয় নয়, অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
পারে। ভারতে নতুন পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী রাশিয়া। এ ছাড়া দুই দেশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরিতে যৌথ উদ্যোগ আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করতে পারে। মোদি-পুতিন বৈঠকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যেও ভারত রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কিনছে। তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি দৈনিক প্রায় ২৮ লাখ ২০ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছিল। এটি ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫৫ দশমিক ৯ শতাংশ। আগস্টে আমদানি কমে দৈনিক প্রায় ২০ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেলে নেমে আসে। তবুও রাশিয়া এখনো ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী। সেইসঙ্গে তেল
বাণিজ্যের অর্থ পরিশোধ নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। রাশিয়া ও ভারত নিজস্ব মুদ্রায় লেনদেনের ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। রুশ ব্যাংকিং সূত্রের দাবি, দুই দেশের বাণিজ্যের প্রায় ৯৬ শতাংশ রুবল ও রুপিতে নিষ্পত্তি হচ্ছে। বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে। ভারত সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিলেও রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ফলে যুদ্ধের সমাধান, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং ভবিষ্যৎ শান্তি আলোচনা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময় হতে পারে। পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতও বৈঠকে আলোচনায় আসতে পারে। হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এরইমধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বিশ্বের অন্যতম বড়
জ্বালানি আমদানিকারক ভারত। তাই তেলের দাম বাড়লে দেশটির আমদানি ব্যয়, রুপির মূল্য এবং বৈদেশিক লেনদেনে চাপ বাড়তে পারে। এ কারণে রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা ভারতের জন্য কেবল কূটনৈতিক বিষয় নয়, অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।





