ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুগলকে ৪০৩ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা
এআই ব্যবহার করে যেভাবে বোমা বানাচ্ছে আইএস!
‘আইফোন ডুও’ উন্মোচনের পর গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮-এর বিক্রি বাড়ল ১০ শতাংশ!
‘এআই মানুষকে ধ্বংস করতে পারে’: কেন থামছে না প্রযুক্তির দৌড়
‘দশকের শেষ নাগাদ মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে এআই’
যেসব ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ
ফোল্ডেবল আইফোন এনে বড় ঝুঁকি নিল অ্যাপল
সেবার মান, ইন্টারনেটের ধীরগতি ও ভ্যাস নিয়ে অভিযোগ বেশি
দেশের মোবাইল অপারেটরগুলোর সেবার মান নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগের পাহাড় জমেছে। বিগত সাড়ে পাঁচ বছরে চারটি মোবাইল অপারেটরের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কাছে ৬৬ হাজারের বেশি অভিযোগ এসেছে।
অপারেটরদের বিরুদ্ধে সেবার মান, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং অনিচ্ছাকৃত ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস চালু হয়ে যাওয়া নিয়ে অভিযোগ বেশি। অপারেটরদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের সমাধান এবং গ্রাহকদের পরামর্শ নিতে বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় গণশুনানি শুরু করেছে বিটিআরসি।
বিটিআরসি জানায়, ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত গত সাড়ে পাঁচ বছরে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের বিরুদ্ধে মোট ৬৬ হাজার ৭০৫টি অভিযোগ জমা পড়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, অভিযোগের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রবি এবং সবচেয়ে কম অভিযোগ জমা
পড়েছে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে। অপারেটর ভিত্তিক অভিযোগের পরিসংখ্যান বিটিআরসি’র তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত এই সময়ে চার অপারেটরের মধ্যে রবির বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৭৪টি। গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ২১ হাজার ৫২৬টি, টেলিটকের বিরুদ্ধে ১১ হাজার ৫৯৪টি এবং বাংলালিংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ৮ হাজার ৭১১টি। ১২ ক্যাটাগরির মধ্যে বেশি অভিযোগ সেবার মান, ইন্টারনেটের গতি, ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস নিয়ে গ্রাহকরা সাধারণত ১২টি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে তাদের অভিযোগগুলো দাখিল করেছেন। ক্যাটাগরিগুলো হলো: সেবার মান, ইন্টারনেটের গতি, ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস বা ভ্যাস, এমএনপি, রিচার্জ বা বিলিং সমস্যা, সিম রেজিস্ট্রেশন, ট্যারিফ বা কলরেট সংক্রান্ত অভিযোগ, সিমের মালিকানা সংক্রান্ত, লাইসেন্স ইস্যু, এমএফএস বা মোবাইল ব্যাংকিং, প্রতারণামূলক কার্যক্রম এবং কুইজ, পুরস্কার বা অ্যাওয়ার্ড সংক্রান্ত সমস্যা। বিপুল
সংখ্যক অভিযোগের মধ্যে তিনটি বিষয়ে গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এগুলো হলো—সেবার মান, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং অনিচ্ছাকৃত ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস চালু হয়ে যাওয়া। অভিযোগ নিষ্পত্তি চিত্র অভিযোগের সংখ্যা বেশি হলেও অপারেটরগুলোর পক্ষ থেকে তা নিষ্পত্তির হার বেশ ইতিবাচক। তথ্য অনুযায়ী, রবির বিরুদ্ধে ২৪ হাজার ৮৭৪টি অভিযোগের মধ্যে ২৪ হাজার ৮৩৯টি সমাধান করেছে। গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ২১ হাজার ৫২৬টি অভিযোগের মধ্যে ২০ হাজার ৮৯৫টি নিষ্পত্তি করেছে। টেলিটক ১১ হাজার ৫৯৪টি অভিযোগের মধ্যে ১১ হাজার ৪৪৭টি সমাধান করেছে। বাংলালিংক ৮ হাজার ৭১১টি অভিযোগের মধ্যে ৮ হাজার ৬৭৫টি নিষ্পত্তি করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে অপারেটরগুলো দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে, তবে
সেবার মান ও ইন্টারনেটের গতি নিয়ে গ্রাহক অসন্তোষ এখনো কাটেনি।
পড়েছে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে। অপারেটর ভিত্তিক অভিযোগের পরিসংখ্যান বিটিআরসি’র তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত এই সময়ে চার অপারেটরের মধ্যে রবির বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৭৪টি। গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ২১ হাজার ৫২৬টি, টেলিটকের বিরুদ্ধে ১১ হাজার ৫৯৪টি এবং বাংলালিংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ৮ হাজার ৭১১টি। ১২ ক্যাটাগরির মধ্যে বেশি অভিযোগ সেবার মান, ইন্টারনেটের গতি, ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস নিয়ে গ্রাহকরা সাধারণত ১২টি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে তাদের অভিযোগগুলো দাখিল করেছেন। ক্যাটাগরিগুলো হলো: সেবার মান, ইন্টারনেটের গতি, ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস বা ভ্যাস, এমএনপি, রিচার্জ বা বিলিং সমস্যা, সিম রেজিস্ট্রেশন, ট্যারিফ বা কলরেট সংক্রান্ত অভিযোগ, সিমের মালিকানা সংক্রান্ত, লাইসেন্স ইস্যু, এমএফএস বা মোবাইল ব্যাংকিং, প্রতারণামূলক কার্যক্রম এবং কুইজ, পুরস্কার বা অ্যাওয়ার্ড সংক্রান্ত সমস্যা। বিপুল
সংখ্যক অভিযোগের মধ্যে তিনটি বিষয়ে গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এগুলো হলো—সেবার মান, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং অনিচ্ছাকৃত ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস চালু হয়ে যাওয়া। অভিযোগ নিষ্পত্তি চিত্র অভিযোগের সংখ্যা বেশি হলেও অপারেটরগুলোর পক্ষ থেকে তা নিষ্পত্তির হার বেশ ইতিবাচক। তথ্য অনুযায়ী, রবির বিরুদ্ধে ২৪ হাজার ৮৭৪টি অভিযোগের মধ্যে ২৪ হাজার ৮৩৯টি সমাধান করেছে। গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ২১ হাজার ৫২৬টি অভিযোগের মধ্যে ২০ হাজার ৮৯৫টি নিষ্পত্তি করেছে। টেলিটক ১১ হাজার ৫৯৪টি অভিযোগের মধ্যে ১১ হাজার ৪৪৭টি সমাধান করেছে। বাংলালিংক ৮ হাজার ৭১১টি অভিযোগের মধ্যে ৮ হাজার ৬৭৫টি নিষ্পত্তি করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে অপারেটরগুলো দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে, তবে
সেবার মান ও ইন্টারনেটের গতি নিয়ে গ্রাহক অসন্তোষ এখনো কাটেনি।



