ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গল্পটা ঢাকাই সিনেমার দুই ‘মালকা বানুর’র
আবারো মা হলেন পূজা
পরিবারের অমতে বিয়ে, বছর ঘুরতেই বিচ্ছেদ জনপ্রিয় গায়িকার!
চিকিৎসা নিতে আবারও লন্ডন গেলেন ইলিয়াস কাঞ্চন
২০ কোটি রুপির পারিশ্রমিক ছেড়ে প্রযোজক হওয়ার পথে শ্রদ্ধা কাপুর
কিয়ারার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য, বিতর্কের মুখে জবাব দিলেন ইয়াশ
ক্রিকেট তারকার সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন
মাত্র ৬ হাজার টাকায় নির্মিত সিনেমার আয় ২৬ কোটি টাকা!
এতটাই বাজে সিনেমা যে, মানুষ তা দেখতে এখন প্রেক্ষাগৃহে লাইন দিচ্ছে! এমনই এক অভিনব ঘটনার জন্ম দিয়েছে চীনের স্বল্প বাজেটের অ্যানিমেশন সিনেমা ‘নিউ লাই’।
একটি গরুর স্বপ্নের অদ্ভুত কাহিনি এবং অত্যন্ত নিম্নমানের গ্রাফিক্সের জন্য নেটদুনিয়ায় ট্রোলের শিকার হয়ে রাতারাতি ভাইরাল হয়ে গেছে সিনেমাটি, আর তাতেই রকেট গতিতে বেড়েছে এর টিকিট বিক্রি। অথচ ছবিটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে মোটে ৪৭ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৭০০ টাকা)।
মুভি ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘মাও ইয়ান’-এর তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম ১০ দিনে ছবিটির আয় ছিল মাত্র ৭,৭০৫ ইউয়ান (প্রায় ১,১৪০ ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরুর পর ইতোমধ্যে
চলচ্চিত্রটির মোট আয় ১৪.৯ মিলিয়ন ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা) ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহে ‘দ্য ওডিসি’ কিংবা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-র মতো হলিউড ব্লকবাস্টার ছবির সঙ্গে টেক্কা দিচ্ছে এই স্বল্প বাজেটের সিনেমাটি। চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক জনপ্রিয় পোস্টে বলা হয়েছে, ‘সিনেমাটি দেখলে আপনি হয়তো ৮০ মিনিটের জন্য অনুশোচনা করবেন, কিন্তু না দেখলে অনুশোচনা থেকে যাবে সারাজীবনের জন্য!’ বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদমে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টের ছড়াছড়ি, তখন নেটিজেনদের একাংশ এই সিনেমাটিকে একটি ব্যতিক্রমী ‘প্রতিষেধক’ হিসেবে দেখছেন। এর বাজে অ্যানিমেশন কোয়ালিটিকে উপহাসের ছলে ‘হস্তশিল্প’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন দর্শকেরা। এটি
যে কোনো এআই দিয়ে তৈরি নয়, বরং মানুষের হাতেই তৈরি—সেটিরই প্রমান হিসেবে ক্লিপগুলো শেয়ার করা হচ্ছে। চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবো-তে ব্যবহারকারীরা ছবিটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। ছবিটি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে আরও এক অদ্ভুত কারণ রয়েছে। চীনে ‘ষাঁড়’ এবং ‘গরু’—দুটোকেই একই চীনা অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। শেয়ার বাজারের চাঙ্গা ভাবকে বলা হয় ‘বুলিশ মার্জিন’। ফলে চাঙ্গা শেয়ার বাজারের প্রত্যাশায় অনেকে কেবল নামের খাতিরেই সিনেমাটিকে সমর্থন জানাচ্ছেন! এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘আগামীকাল সূচক যদি ৪,০০০ পয়েন্টে পৌঁছায়, তবে আমি সিনেমা হলে গিয়ে এই সিনেমাকে সমর্থন দিয়ে আসব।’ অন্য একজন মন্তব্য করেন, ‘সিনেমাটি বাজে হলেও নামটা দুর্দান্ত!’ একে তো নামমাত্র বাজেটের সিনেমা, তার ওপর মুক্তির
আগে কোনো বড় প্রচারণাও ছিল না। সিনেমাটি এতটা অবহেলিত ছিল যে এর কোনো অফিশিয়াল পোস্টারও প্রকাশ করা হয়নি। এখন হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়িয়েছে প্রেক্ষাগৃহগুলো। মজার বিষয় হলো, ছবিটির কোনো পোস্টার না থাকায় অনেক সিনেমা হলের কর্মীরা নিজেরাই হাতে ছবি এঁকে অভিনব পোস্টার বানিয়ে দর্শকদের আকর্ষণ করছেন! চলচ্চিত্র পর্যবেক্ষণকারী এক জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মতে, ‘বক্স অফিসের এই রেকর্ড অভূতপূর্ব এবং হয়তো ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি আর দেখা যাবে না।’ তবে সবাই কিন্তু এই অভাবনীয় সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন না। গত সপ্তাহের শেষে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘বেইজিং নিউজ’-এর এক সম্পাদকীয়তে এ বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা
হয়, এভাবে প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়িয়ে নিচু মানের সিনেমা প্রচার করতে থাকলে প্রেক্ষাগৃহগুলো দর্শকদের ‘বিশ্বাস হারাতে’ পারে। বেইজিং নিউজের নিবন্ধে বলা হয়, ‘অতীতে বাজে কাজের জন্য সমালোচিত হওয়া সিনেমাগুলোর মতো ‘নিউ লাই’ ছবিটির মাধ্যমে বাজে চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দর্শকদের প্রত্যাশার মান আরও এক ধাপ নিচে নেমে গেল।’ এর পাশাপাশি প্রেক্ষাগৃহগুলোকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা আরও উল্লেখ করে, ‘সিনেমা হলগুলোর উচিত দর্শকদের জন্য সচেতন অভিভাবক হিসেবে কাজ করা। স্ট্যান্ডার্ডের নিচে থাকা এমন নিম্নমানের সিনেমাকে প্রশ্রয় না দিয়ে শুরুতেই প্রত্যাখ্যান করা।’
চলচ্চিত্রটির মোট আয় ১৪.৯ মিলিয়ন ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা) ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহে ‘দ্য ওডিসি’ কিংবা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-র মতো হলিউড ব্লকবাস্টার ছবির সঙ্গে টেক্কা দিচ্ছে এই স্বল্প বাজেটের সিনেমাটি। চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক জনপ্রিয় পোস্টে বলা হয়েছে, ‘সিনেমাটি দেখলে আপনি হয়তো ৮০ মিনিটের জন্য অনুশোচনা করবেন, কিন্তু না দেখলে অনুশোচনা থেকে যাবে সারাজীবনের জন্য!’ বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদমে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টের ছড়াছড়ি, তখন নেটিজেনদের একাংশ এই সিনেমাটিকে একটি ব্যতিক্রমী ‘প্রতিষেধক’ হিসেবে দেখছেন। এর বাজে অ্যানিমেশন কোয়ালিটিকে উপহাসের ছলে ‘হস্তশিল্প’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন দর্শকেরা। এটি
যে কোনো এআই দিয়ে তৈরি নয়, বরং মানুষের হাতেই তৈরি—সেটিরই প্রমান হিসেবে ক্লিপগুলো শেয়ার করা হচ্ছে। চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবো-তে ব্যবহারকারীরা ছবিটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। ছবিটি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে আরও এক অদ্ভুত কারণ রয়েছে। চীনে ‘ষাঁড়’ এবং ‘গরু’—দুটোকেই একই চীনা অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। শেয়ার বাজারের চাঙ্গা ভাবকে বলা হয় ‘বুলিশ মার্জিন’। ফলে চাঙ্গা শেয়ার বাজারের প্রত্যাশায় অনেকে কেবল নামের খাতিরেই সিনেমাটিকে সমর্থন জানাচ্ছেন! এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘আগামীকাল সূচক যদি ৪,০০০ পয়েন্টে পৌঁছায়, তবে আমি সিনেমা হলে গিয়ে এই সিনেমাকে সমর্থন দিয়ে আসব।’ অন্য একজন মন্তব্য করেন, ‘সিনেমাটি বাজে হলেও নামটা দুর্দান্ত!’ একে তো নামমাত্র বাজেটের সিনেমা, তার ওপর মুক্তির
আগে কোনো বড় প্রচারণাও ছিল না। সিনেমাটি এতটা অবহেলিত ছিল যে এর কোনো অফিশিয়াল পোস্টারও প্রকাশ করা হয়নি। এখন হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়িয়েছে প্রেক্ষাগৃহগুলো। মজার বিষয় হলো, ছবিটির কোনো পোস্টার না থাকায় অনেক সিনেমা হলের কর্মীরা নিজেরাই হাতে ছবি এঁকে অভিনব পোস্টার বানিয়ে দর্শকদের আকর্ষণ করছেন! চলচ্চিত্র পর্যবেক্ষণকারী এক জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মতে, ‘বক্স অফিসের এই রেকর্ড অভূতপূর্ব এবং হয়তো ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি আর দেখা যাবে না।’ তবে সবাই কিন্তু এই অভাবনীয় সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন না। গত সপ্তাহের শেষে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘বেইজিং নিউজ’-এর এক সম্পাদকীয়তে এ বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা
হয়, এভাবে প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়িয়ে নিচু মানের সিনেমা প্রচার করতে থাকলে প্রেক্ষাগৃহগুলো দর্শকদের ‘বিশ্বাস হারাতে’ পারে। বেইজিং নিউজের নিবন্ধে বলা হয়, ‘অতীতে বাজে কাজের জন্য সমালোচিত হওয়া সিনেমাগুলোর মতো ‘নিউ লাই’ ছবিটির মাধ্যমে বাজে চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দর্শকদের প্রত্যাশার মান আরও এক ধাপ নিচে নেমে গেল।’ এর পাশাপাশি প্রেক্ষাগৃহগুলোকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা আরও উল্লেখ করে, ‘সিনেমা হলগুলোর উচিত দর্শকদের জন্য সচেতন অভিভাবক হিসেবে কাজ করা। স্ট্যান্ডার্ডের নিচে থাকা এমন নিম্নমানের সিনেমাকে প্রশ্রয় না দিয়ে শুরুতেই প্রত্যাখ্যান করা।’



