ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কোনোভাবেই খাড়া হচ্ছে না শেয়ারবাজার: ফের মন্দা, কমেছে লেনদেন ও অধিকাংশ শেয়ারের দর
আয় বাড়ছে না, ক্রমশ বেড়ে চলেছে জীবনযাত্রার ব্যয়
১৫ দিনের সংকটের পর একদিনের স্বস্তি, আবার গ্যাস নেই!
বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে
গ্যাস সংকটে নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর কারখানা বন্ধ: কর্মহীন শ্রমিকেরা, বিপাকে মালিকপক্ষ
কারাগার থেকে পালানো জঙ্গি বন্দিদের তথ্য প্রকাশের পরেই আইজি প্রিজন প্রত্যাহার
১২ ঘণ্টার জন্য দীপু মনির প্যারোল অনুমতি, প্রশ্ন—‘কেন আগামীকাল, আজ নয় কেন?’
চিকিৎসক ধীপ্রা হত্যা: প্রভাবশালীদের ইয়ার্কি ও চাপে মানসিক নির্যাতন ও স্বজনদের অবহেলায় মৃত্যুর মামলা প্রত্যাহার
রাজধানীর ধানমন্ডিতে চিকিৎসক নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি অবশেষে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। এই মামলায় ধীপ্রার চিকিৎসক স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছিল।
মামলার সূত্রপাত
গত ১৬ জুন ঢাকার একটি আদালতে মশিউর রহমান শাহ নামের এক ব্যক্তি এই মামলাটি দায়ের করেন, যিনি নিজেকে ধীপ্রার আত্মীয় বলে পরিচয় দেন। মামলায় অবহেলাজনিত মৃত্যু, নির্যাতন এবং ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের মাধ্যমে আলামত গোপনের অভিযোগ আনা হয়। আদালত এরপর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয় সিআইডিকে।
মামলায় আসামি করা হয় ধীপ্রার স্বামী রহমত রশীদ, শ্বশুর ও বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ, শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা এবং স্যাটায়ার ওয়েবসাইট ‘ইয়ার্কি’-র সম্পাদক শিমু নাসেরকে।
এছাড়া আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছিল। অভিযোগের বিবরণ মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ধীপ্রাকে টানা তিন দিন ধানমন্ডির একটি ফ্ল্যাটে আটকে রাখা হয়েছিল। গত ৪ জুন খবর পেয়ে তাঁর মা সেখানে গিয়ে মেয়েকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান এবং দরজা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। এরপর কক্ষ থেকে বের হয়ে ধীপ্রা মায়ের কাছে খাবার চান এবং পরপরই মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন বলে অভিযোগে বলা হয়। অসুস্থ হওয়ার পরও তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে না নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে; পরে বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। সহপাঠী রহমত রশীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ে করেছিলেন ধীপ্রা, তাঁদের দুই বছর বয়সী একটি সন্তানও রয়েছে। মামলায় দাবি করা হয়, বিয়ের
পর থেকেই তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন। চিকিৎসক পরিবার হওয়া সত্ত্বেও তাঁর চিকিৎসা ও পরিচর্যায় অবহেলা এবং এফসিপিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বাধা দেওয়ারও অভিযোগ আনা হয়। মৃত্যুর আগে ‘ফিমেল ডক্টরস ইন বাংলাদেশ’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে পারিবারিক নির্যাতনের বিষয়ে ধীপ্রা নিজেই পোস্ট করেছিলেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়। মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া গত ১৬ জুলাই ধীপ্রার বাবা আলাউদ্দিন আদালতে মেয়ের মরদেহ উত্তোলনে অসম্মতি জানিয়ে আবেদন করেন, তবে আদালত তা নাকচ করে দেয়। এরপর তিনি বাদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসনিক পর্যায় থেকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য ব্যাপক চাপ প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে ধীপ্রার বাবা ও বাদী মামলা প্রত্যাহারে
বাধ্য হন বলে জানা যায়। গত ২৯ জুলাই বাদী মশিউর রহমান মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। সেই আবেদনের ওপর বুধবার শুনানি শেষে আদালত মামলাটি প্রত্যাহারের আদেশ দেন। চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যু ও এই মামলা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল, বিশেষত পারিবারিক নির্যাতন ও প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরে। মামলা প্রত্যাহারের এই ঘটনা এখন নতুন করে বিতর্ক ও প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিয়ে।
এছাড়া আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছিল। অভিযোগের বিবরণ মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ধীপ্রাকে টানা তিন দিন ধানমন্ডির একটি ফ্ল্যাটে আটকে রাখা হয়েছিল। গত ৪ জুন খবর পেয়ে তাঁর মা সেখানে গিয়ে মেয়েকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান এবং দরজা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। এরপর কক্ষ থেকে বের হয়ে ধীপ্রা মায়ের কাছে খাবার চান এবং পরপরই মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন বলে অভিযোগে বলা হয়। অসুস্থ হওয়ার পরও তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে না নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে; পরে বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। সহপাঠী রহমত রশীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ে করেছিলেন ধীপ্রা, তাঁদের দুই বছর বয়সী একটি সন্তানও রয়েছে। মামলায় দাবি করা হয়, বিয়ের
পর থেকেই তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন। চিকিৎসক পরিবার হওয়া সত্ত্বেও তাঁর চিকিৎসা ও পরিচর্যায় অবহেলা এবং এফসিপিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বাধা দেওয়ারও অভিযোগ আনা হয়। মৃত্যুর আগে ‘ফিমেল ডক্টরস ইন বাংলাদেশ’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে পারিবারিক নির্যাতনের বিষয়ে ধীপ্রা নিজেই পোস্ট করেছিলেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়। মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া গত ১৬ জুলাই ধীপ্রার বাবা আলাউদ্দিন আদালতে মেয়ের মরদেহ উত্তোলনে অসম্মতি জানিয়ে আবেদন করেন, তবে আদালত তা নাকচ করে দেয়। এরপর তিনি বাদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসনিক পর্যায় থেকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য ব্যাপক চাপ প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে ধীপ্রার বাবা ও বাদী মামলা প্রত্যাহারে
বাধ্য হন বলে জানা যায়। গত ২৯ জুলাই বাদী মশিউর রহমান মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। সেই আবেদনের ওপর বুধবার শুনানি শেষে আদালত মামলাটি প্রত্যাহারের আদেশ দেন। চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যু ও এই মামলা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল, বিশেষত পারিবারিক নির্যাতন ও প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরে। মামলা প্রত্যাহারের এই ঘটনা এখন নতুন করে বিতর্ক ও প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিয়ে।



