ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মানুষের পেটে ভাত নেই, ৭০% ছাড় দিয়েও বিক্রি হচ্ছে না জামা-কাপড়: ব্যবসা নেমেছে এক-তৃতীয়াংশে
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মনপুরায় রাজনৈতিক প্রভাবে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব
পটিয়ায় ছিনতাই হওয়া ২৮৪ বস্তা চিনি চকরিয়া থেকে উদ্ধার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
রিকশাচালক হাফিজুল হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপু মনি
‘আমাকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখো না’
‘কেঁদো না, বাসায় গিয়ে ফোন দেব’, স্ত্রীর সঙ্গে শাহেদের শেষ ফোনালাপ
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ প্রেসক্লাব থেকে দুর্নীতি ও অনিয়ম এর দায়ে গুপ্ত সংগঠন নেতা প্রেসক্লাব সভাপতি তৌহিদকে বহিষ্কার
প্রতারণা, দুর্নীতি, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গসহ নানা অভিযোগে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জামালগঞ্জের প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি শেরে আলম শেরু। প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় গুপ্ত সংগঠনের নেতা ও রাজাকারপুত্র তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপের ক্লাব বিরোধী নানা কর্মকান্ড নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। এতে ক্ষুব্দ হয়ে ওঠেন সংগঠনের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ। তারা তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিন্ধান্ত নেন এবং প্রেসক্লাব সংক্রান্ত কোন বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি কর্তৃপক্ষকে তার সঙ্গে কোনও ধরনের যোগাযোগ না রাখার আহ্বান জানান।
সাধারণ
সভায় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ জানান, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ইউনূসের সময়ে জামায়াতের প্রভাবে বিনা ভোটে সভাপতি হন তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ। এসময় তিনি জামায়াতের প্রভাব খাটিয়ে আতঙ্কে পরিণত হন। বাধ্য করেন তাকে বিনা ভোটে প্রেসক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত করতে। তবে ভোটের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্ধীতা করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পেশাদার সাংবাদিক এবং দৈনিক আমার দেশ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন। তৌহিদ সভাপতি হয়েই ক্লাবের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নানা অপকর্ম করে যাচ্ছিলেন। সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে সুবিধাগ্রহণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে সংগঠনকে বিতর্কিত করছিলেন তিনি এমন অভিযোগ করেন নেতৃবৃন্দ। তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ সংগঠনের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী কাজ করায়
সহ সভাপতি মো. জিয়াউর রহমান তাঁর বিরুদ্ধে বহিস্কারের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে উপস্থিত সকল সদস্য আলোচনার ভিত্তিতে একমত পোষণ করলে তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপকে ক্লাবের সভাপতির পদসহ সাধারণ সদস্য পদ থেকেও স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ, সহ সাধারণ সম্পাদক দিল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিত রায়, কোষাধ্যক্ষ মহসিন কবির, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সামাদ আফিন্দী, নির্বাহী সদস্য মো. ওয়ালী উল্লাহ সরকার, অঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সদস্য আতিকুর রহমান। প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে সিনিয়র সহ সভাপতি শেরে আলম শেরু দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ক্লাবের সকল প্রশাসনিক, সাংগঠনিক, দাপ্তরিক, আনুষ্ঠানিক
কার্যক্রমসহ পত্র আদান-প্রদান এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ করেন নেতৃবৃন্দ।
সভায় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ জানান, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ইউনূসের সময়ে জামায়াতের প্রভাবে বিনা ভোটে সভাপতি হন তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ। এসময় তিনি জামায়াতের প্রভাব খাটিয়ে আতঙ্কে পরিণত হন। বাধ্য করেন তাকে বিনা ভোটে প্রেসক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত করতে। তবে ভোটের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্ধীতা করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পেশাদার সাংবাদিক এবং দৈনিক আমার দেশ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন। তৌহিদ সভাপতি হয়েই ক্লাবের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নানা অপকর্ম করে যাচ্ছিলেন। সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে সুবিধাগ্রহণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে সংগঠনকে বিতর্কিত করছিলেন তিনি এমন অভিযোগ করেন নেতৃবৃন্দ। তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ সংগঠনের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী কাজ করায়
সহ সভাপতি মো. জিয়াউর রহমান তাঁর বিরুদ্ধে বহিস্কারের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে উপস্থিত সকল সদস্য আলোচনার ভিত্তিতে একমত পোষণ করলে তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপকে ক্লাবের সভাপতির পদসহ সাধারণ সদস্য পদ থেকেও স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ, সহ সাধারণ সম্পাদক দিল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিত রায়, কোষাধ্যক্ষ মহসিন কবির, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সামাদ আফিন্দী, নির্বাহী সদস্য মো. ওয়ালী উল্লাহ সরকার, অঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সদস্য আতিকুর রহমান। প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে সিনিয়র সহ সভাপতি শেরে আলম শেরু দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ক্লাবের সকল প্রশাসনিক, সাংগঠনিক, দাপ্তরিক, আনুষ্ঠানিক
কার্যক্রমসহ পত্র আদান-প্রদান এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ করেন নেতৃবৃন্দ।





