ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’
মধ্যপ্রাচ্যের সাময়িক স্বস্তিতে বাড়ল স্বর্ণের দাম
ভারতে শিক্ষার্থীদের ওপরে একে-৪৭ দিয়ে পুলিশের গুলিবর্ষণ, ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য
রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রাসে ঝড়ে আটকা পড়ে ৫ পর্বতারোহীর মৃত্যু
টানা আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ
প্রথমবারের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে বাহরাইন ও কুয়েত
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে আসামের মন্ত্রীর মেয়ের অংশগ্রহণ, বিজেপি জোট সরকারে অস্বস্তি
এক ব্যাগে পুরো পৃথিবী
কয়েকটি হোটেলকে অ্যাথলেটস ভিলেজ ঘোষনা করেছে আয়োজকরা।ভিলেজের ঘরগুলো দেখতে প্রায় একই রকম। একটি বিছানা, একটি আলমারি, একটি টেবিল। দরজা বন্ধ হলেই প্রতিটি ঘর হয়ে ওঠে আলাদা একটি দেশ। সেই দেশের সবচেয়ে বড় ঠিকানা থাকে একটি ব্যাগে।
ব্যাগে শুধু জার্সি, স্পাইক, সুইমিং গগলস, বক্সিং গ্লাভস কিংবা অনুশীলনের পোশাক থাকে না। সেখানে ভাঁজ করে রাখা থাকে মায়ের স্পর্শ, বাবার বিশ্বাস, শৈশবের গন্ধ আর হাজার মাইল দূরে ফেলে আসা একটি জীবনের টুকরো টুকরো স্মৃতি। গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে ৭৪টি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় তিন হাজার অ্যাথলেট এসেছেন। তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে এসেছে আরেকটি অদৃশ্য পৃথিবী, যা কোনো টেলিভিশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে না।
স্কটল্যান্ডের তারকা সাঁতারু ডানকান
স্কটের কাছে গ্লাসগো তাঁর বেড়ে ওঠার স্মৃতির শহর। টোলক্রস ইন্টারন্যাশনাল সুইমিং সেন্টারের জলেই কৈশোরের স্বপ্নগুলো প্রথম বড় হতে শুরু করেছিল। আজ তিনি অলিম্পিক ও বিশ্ব আসরের অন্যতম সফল সাঁতারু। পরিচিত শহরে ফিরেও তাঁর ব্যাগে জায়গা করে নেয় পরিবারের ছবি, দলের ছোট্ট স্মারক । দক্ষিণ আফ্রিকার প্যারা অ্যাথলেট শেরিল জেমসের গল্প অন্যরকম। ৩২ বছর বয়সে প্রতিযোগিতামূলক অ্যাথলেটিকসে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। বয়স, প্রতিকূলতা,সীমাবদ্ধতা তাঁকে থামাতে পারেনি। তাঁর ব্যাগে খুব দামি কিছু নেই। আছে এমন কিছু স্মৃতি। পরিবারের একটি ছবি, একটি পুরোনো জার্সি কিংবা ছোট্ট কোনো স্মারকই হয়ে ওঠে তাঁর সাহসের উৎস। বাংলাদেশ দলের ব্যাগেও লুকিয়ে আছে এমন অনেক অদেখা গল্প। জাতীয় সাঁতারু সামিউল
ইসলাম রাফি কিংবা সোনিয়া আক্তারের ব্যাগে আছে পরিবারের দেওয়া ছোট্ট উপহার, প্রিয় ছবি । প্রতিযোগিতার আগে হাতে নিলেই মনে পড়ে কতটা পথ পেরিয়ে তাঁরা কমনওয়েলথ গেমসের মঞ্চে দাঁড়িয়েছেন। লাল সবুজের পতাকাটি যত্ন করে ভাঁজ করে রাখা আছে ব্যাগের একটি আলাদা অংশে। অনেক অ্যাথলেটের ব্যাগে থাকে ছোট্ট একটি তাবিজ, প্রার্থনার বই, বাবার পুরোনো ঘড়ি,মায়ের হাতে লেখা কয়েকটি লাইন। এগুলোর বাজারদর নেই। মানসিক শক্তির কাছে এগুলো অমূল্য। প্রতিযোগিতার আগে একবার ছুঁয়ে দেখলেই দূরের মানুষগুলো আরও একটু কাছে চলে আসে। বিদেশের শহরে খাবারের স্বাদও হয়ে ওঠে স্মৃতির অংশ। অনেকেই সঙ্গে করে নিয়ে আসেন শুকনো খাবার, প্রিয় মসলা কিংবা দেশের পরিচিত কোনো স্বাদ। কোনো ব্যাগে জায়গা পায়
প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সময়ের পুরোনো জুতা। কেউ ফেলে দিতে পারেন না প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড। কেউ আবার ছোট্ট একটি নোটবুকে লিখে রাখেন স্বপ্ন, ব্যর্থতা, সাফল্যের গল্প। দর্শক স্টেডিয়ামে বসে দৌড়, সাঁতার কিংবা বক্সিং লড়াই দেখেন। তখন চোখে পড়ে শুধু কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিটের পারফরম্যান্স। সেই মুহূর্তের পেছনে লুকিয়ে থাকে বছরের পর বছর অনুশীলন, অসংখ্য ত্যাগ আর একটি ছোট ব্যাগে ভরে আনা হাজারো স্মৃতি। পদক জিতবেন হাতে গোনা কয়েকজন। নিজের ব্যাগ খুলে যখন একজন অ্যাথলেট মায়ের ছবিটা দেখেন, বাবার ঘড়িটা হাতে বাঁধেন কিংবা ভাঁজ করা পতাকাটি বুকের কাছে টেনে নেন, তখন বুঝে নেন তিনি কখনো একা নন। তাঁর সঙ্গে এসেছে
একটি পরিবার। একটি শহর। একটি দেশ।
স্কটের কাছে গ্লাসগো তাঁর বেড়ে ওঠার স্মৃতির শহর। টোলক্রস ইন্টারন্যাশনাল সুইমিং সেন্টারের জলেই কৈশোরের স্বপ্নগুলো প্রথম বড় হতে শুরু করেছিল। আজ তিনি অলিম্পিক ও বিশ্ব আসরের অন্যতম সফল সাঁতারু। পরিচিত শহরে ফিরেও তাঁর ব্যাগে জায়গা করে নেয় পরিবারের ছবি, দলের ছোট্ট স্মারক । দক্ষিণ আফ্রিকার প্যারা অ্যাথলেট শেরিল জেমসের গল্প অন্যরকম। ৩২ বছর বয়সে প্রতিযোগিতামূলক অ্যাথলেটিকসে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। বয়স, প্রতিকূলতা,সীমাবদ্ধতা তাঁকে থামাতে পারেনি। তাঁর ব্যাগে খুব দামি কিছু নেই। আছে এমন কিছু স্মৃতি। পরিবারের একটি ছবি, একটি পুরোনো জার্সি কিংবা ছোট্ট কোনো স্মারকই হয়ে ওঠে তাঁর সাহসের উৎস। বাংলাদেশ দলের ব্যাগেও লুকিয়ে আছে এমন অনেক অদেখা গল্প। জাতীয় সাঁতারু সামিউল
ইসলাম রাফি কিংবা সোনিয়া আক্তারের ব্যাগে আছে পরিবারের দেওয়া ছোট্ট উপহার, প্রিয় ছবি । প্রতিযোগিতার আগে হাতে নিলেই মনে পড়ে কতটা পথ পেরিয়ে তাঁরা কমনওয়েলথ গেমসের মঞ্চে দাঁড়িয়েছেন। লাল সবুজের পতাকাটি যত্ন করে ভাঁজ করে রাখা আছে ব্যাগের একটি আলাদা অংশে। অনেক অ্যাথলেটের ব্যাগে থাকে ছোট্ট একটি তাবিজ, প্রার্থনার বই, বাবার পুরোনো ঘড়ি,মায়ের হাতে লেখা কয়েকটি লাইন। এগুলোর বাজারদর নেই। মানসিক শক্তির কাছে এগুলো অমূল্য। প্রতিযোগিতার আগে একবার ছুঁয়ে দেখলেই দূরের মানুষগুলো আরও একটু কাছে চলে আসে। বিদেশের শহরে খাবারের স্বাদও হয়ে ওঠে স্মৃতির অংশ। অনেকেই সঙ্গে করে নিয়ে আসেন শুকনো খাবার, প্রিয় মসলা কিংবা দেশের পরিচিত কোনো স্বাদ। কোনো ব্যাগে জায়গা পায়
প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সময়ের পুরোনো জুতা। কেউ ফেলে দিতে পারেন না প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড। কেউ আবার ছোট্ট একটি নোটবুকে লিখে রাখেন স্বপ্ন, ব্যর্থতা, সাফল্যের গল্প। দর্শক স্টেডিয়ামে বসে দৌড়, সাঁতার কিংবা বক্সিং লড়াই দেখেন। তখন চোখে পড়ে শুধু কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিটের পারফরম্যান্স। সেই মুহূর্তের পেছনে লুকিয়ে থাকে বছরের পর বছর অনুশীলন, অসংখ্য ত্যাগ আর একটি ছোট ব্যাগে ভরে আনা হাজারো স্মৃতি। পদক জিতবেন হাতে গোনা কয়েকজন। নিজের ব্যাগ খুলে যখন একজন অ্যাথলেট মায়ের ছবিটা দেখেন, বাবার ঘড়িটা হাতে বাঁধেন কিংবা ভাঁজ করা পতাকাটি বুকের কাছে টেনে নেন, তখন বুঝে নেন তিনি কখনো একা নন। তাঁর সঙ্গে এসেছে
একটি পরিবার। একটি শহর। একটি দেশ।



