ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
“জুলাই আন্দোলন পরিকল্পিত ডিজাইন ছিল, যেখানে স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে”— বিএনপির সাংসদ নিলোফার চৌধুরী মনি
“প্রতিটি ফোঁটা রক্তের হিসেব নিতে হবে, সেইভাবে প্রস্তুত হও”— নিপীড়িত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা
‘দেশে এখন পক্ষ দুটি- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অথবা বিপক্ষে’, অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান মিথিলা ফারজানার
‘মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, গাজীপুরে শেখ হাসিনার আইন চলবে’
মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন
সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে মদ্যপানের পর চিৎকার-চেঁচামেচি ও মাতলামি করার অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়।
ঘটনাটি উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের নুকালী বহুপার্শ্বিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটেছে।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, ভিডিওটি নজরে এলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাইদুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিনকে শোকজ করেন। ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন তার কক্ষে বসে আবোলতাবোল বকছেন। মদ্যপানের কথা স্বীকার করতেও শোনা যায় তাকে। একপর্যায়ে
উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে তাকে বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে নিয়ে যান। নিরাপত্তা শঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, “হেডস্যার রুহুল আমিন অনেকদিন ধরে স্কুলে বসে মদ খান।স্থানীয়ভাবে বিএনপি ও জামায়াতের বড় নেতাদের শেল্টারে চলাফেরা করেন তিনি। প্রভাবশালী হওয়ার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।” আরেক অভিভাবক জানালেন, বিদ্যালয়ের এমন ভয়াবহ পরিবেশের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান এবং তাদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা। এ ঘটনার পর অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন জানান, মানসিক অশান্তির কারণে তিনি মদ্যপান করেছিলেন। তখন
তার মাথা ঠিক ছিল না। ওই অবস্থায় কী বলেছেন বা কী করেছেন, তা তার মনে নেই। বিদ্যালয়ে ওই অবস্থায় যাওয়াটা তার ভুল হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। তিনি অকপটে নিজের দায় স্বীকার করেন জানান, সেসময় তার বিবেক কাজ করেনি। নইলে এমন ঘটনা ঘটত না। এ বিষয়ে ইউএনও বলেন, প্রধান শিক্ষককে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।
উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে তাকে বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে নিয়ে যান। নিরাপত্তা শঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, “হেডস্যার রুহুল আমিন অনেকদিন ধরে স্কুলে বসে মদ খান।স্থানীয়ভাবে বিএনপি ও জামায়াতের বড় নেতাদের শেল্টারে চলাফেরা করেন তিনি। প্রভাবশালী হওয়ার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।” আরেক অভিভাবক জানালেন, বিদ্যালয়ের এমন ভয়াবহ পরিবেশের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান এবং তাদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা। এ ঘটনার পর অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন জানান, মানসিক অশান্তির কারণে তিনি মদ্যপান করেছিলেন। তখন
তার মাথা ঠিক ছিল না। ওই অবস্থায় কী বলেছেন বা কী করেছেন, তা তার মনে নেই। বিদ্যালয়ে ওই অবস্থায় যাওয়াটা তার ভুল হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। তিনি অকপটে নিজের দায় স্বীকার করেন জানান, সেসময় তার বিবেক কাজ করেনি। নইলে এমন ঘটনা ঘটত না। এ বিষয়ে ইউএনও বলেন, প্রধান শিক্ষককে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।



