ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে মদ্যপানের পর চিৎকার-চেঁচামেচি ও মাতলামি করার অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়।
ঘটনাটি উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের নুকালী বহুপার্শ্বিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটেছে।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, ভিডিওটি নজরে এলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাইদুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিনকে শোকজ করেন। ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন তার কক্ষে বসে আবোলতাবোল বকছেন। মদ্যপানের কথা স্বীকার করতেও শোনা যায় তাকে। একপর্যায়ে
উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে তাকে বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে নিয়ে যান। নিরাপত্তা শঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, “হেডস্যার রুহুল আমিন অনেকদিন ধরে স্কুলে বসে মদ খান।স্থানীয়ভাবে বিএনপি ও জামায়াতের বড় নেতাদের শেল্টারে চলাফেরা করেন তিনি। প্রভাবশালী হওয়ার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।” আরেক অভিভাবক জানালেন, বিদ্যালয়ের এমন ভয়াবহ পরিবেশের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান এবং তাদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা। এ ঘটনার পর অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন জানান, মানসিক অশান্তির কারণে তিনি মদ্যপান করেছিলেন। তখন
তার মাথা ঠিক ছিল না। ওই অবস্থায় কী বলেছেন বা কী করেছেন, তা তার মনে নেই। বিদ্যালয়ে ওই অবস্থায় যাওয়াটা তার ভুল হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। তিনি অকপটে নিজের দায় স্বীকার করেন জানান, সেসময় তার বিবেক কাজ করেনি। নইলে এমন ঘটনা ঘটত না। এ বিষয়ে ইউএনও বলেন, প্রধান শিক্ষককে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।
উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে তাকে বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে নিয়ে যান। নিরাপত্তা শঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, “হেডস্যার রুহুল আমিন অনেকদিন ধরে স্কুলে বসে মদ খান।স্থানীয়ভাবে বিএনপি ও জামায়াতের বড় নেতাদের শেল্টারে চলাফেরা করেন তিনি। প্রভাবশালী হওয়ার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।” আরেক অভিভাবক জানালেন, বিদ্যালয়ের এমন ভয়াবহ পরিবেশের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান এবং তাদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা। এ ঘটনার পর অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন জানান, মানসিক অশান্তির কারণে তিনি মদ্যপান করেছিলেন। তখন
তার মাথা ঠিক ছিল না। ওই অবস্থায় কী বলেছেন বা কী করেছেন, তা তার মনে নেই। বিদ্যালয়ে ওই অবস্থায় যাওয়াটা তার ভুল হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। তিনি অকপটে নিজের দায় স্বীকার করেন জানান, সেসময় তার বিবেক কাজ করেনি। নইলে এমন ঘটনা ঘটত না। এ বিষয়ে ইউএনও বলেন, প্রধান শিক্ষককে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।



