ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ফাঁড়ির খাবার পানিতে বিষ: নাশকতার শঙ্কা, নমুনা পাঠানো হলো ল্যাবে
গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে ডিগবাজি দেওয়া নেতা চাঁদাবাজির দায়ে গ্রেপ্তার
অস্ত্রের ভাণ্ডারে পরিণত হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বাড়ছে জঙ্গি আতঙ্ক
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: বিপুল ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন ভেঙে পড়ল ৭ দিনেই, দায় চাপল মিস্ত্রিদের ঘাড়ে
চট্টগ্রামে নালা থেকে উদ্ধার ১৪শ গুলির বড় অংশই একে-৪৭ ও মেশিনগানের
বালু ব্যবসার দ্বন্দ্বে দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাচেষ্টা বিএনপির অপর গ্রুপের
ধ্বংস করে দেওয়া শেখ হাসিনার বাড়ি ‘সুধা সদন’ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: নির্মাণের এক মাসেই সড়কে ধস, জলাবদ্ধতায় স্থবির পাঁচ গ্রামের জনজীবন
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নগরপাড়া বাজার থেকে খালের সেতু পর্যন্ত প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি ঢালাই সড়ক চালুর মাত্র ৩০ দিনের মাথায় বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পে প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ বা পাইপলাইন না থাকায় বাজারসংলগ্ন এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
ফলে নগরপাড়া, কাজীবাড়ি, পূর্বপাড়াসহ অন্তত পাঁচটি গ্রামের প্রায় ৭ হাজার মানুষ প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের নামে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, অপরিকল্পিত নির্মাণ এবং বরাদ্দের অর্থে অনিয়মের কারণে অল্প সময়েই সড়কটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যদিও প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি নির্মাণের সময় থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল।
তাদের দাবি,
প্রয়োজনীয় মান বজায় না রেখে নামমাত্র ইটের খোয়া ও কার্পেটিংয়ের মাধ্যমে দায়সারাভাবে নির্মাণকাজ শেষ করা হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন অংশে ধস দেখা দেয় এবং পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, বাজার এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো পাইপলাইন বা ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে বৃষ্টির পানি জমে প্রধান সড়ক থেকে ভেতরের গ্রামগুলোতে প্রবেশের একমাত্র পথ দীর্ঘসময় পানির নিচে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনার এই ঘাটতির কারণে সড়ক নির্মাণের মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির বদলে এখন প্রতিদিন দুর্ভোগই বাড়ছে। পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকায় শিশু, বৃদ্ধ ও সাধারণ পথচারীদের মধ্যে চর্মরোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ
স্থানীয়দের। জলাবদ্ধতার কারণে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, দিনমজুর ও চাকরিজীবীদের নিয়মিত যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে অসুস্থ রোগীদের খাটিয়া বা কাঁধে করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যেতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ড্রেনেজ পাইপ না দেওয়ার কারণে পুরো ভেতরের সড়ক পানিতে ডুবে থাকে। এতে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। ব্রাইট শিশু কানন হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ফাহিম ও শাহরিয়ার জানায়, প্রতিদিন নোংরা পানি পেরিয়ে স্কুলে যেতে গিয়ে তাদের পায়ে চুলকানিসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ী বিপ্লব দাস বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে দোকানের ভেতরে পানি ঢুকে ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্পে ব্যাপক
অনিয়ম হয়েছে এবং বরাদ্দের অর্থের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়কটি পুনর্নির্মাণ, স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপলাইন স্থাপন এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয়রা। রূপগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছেন। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম জয় জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি অর্থে নির্মিত
একটি সড়ক মাত্র এক মাসের মধ্যেই ধসে পড়া এবং একই প্রকল্পে প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় হাজারো মানুষ জলাবদ্ধতায় ভোগান্তির শিকার হওয়ায় প্রকল্প পরিকল্পনা, নির্মাণমান এবং তদারকি—সবকিছুই নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের মতে, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত করাই যথেষ্ট নয়; প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে জনদুর্ভোগ আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।
প্রয়োজনীয় মান বজায় না রেখে নামমাত্র ইটের খোয়া ও কার্পেটিংয়ের মাধ্যমে দায়সারাভাবে নির্মাণকাজ শেষ করা হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন অংশে ধস দেখা দেয় এবং পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, বাজার এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো পাইপলাইন বা ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে বৃষ্টির পানি জমে প্রধান সড়ক থেকে ভেতরের গ্রামগুলোতে প্রবেশের একমাত্র পথ দীর্ঘসময় পানির নিচে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনার এই ঘাটতির কারণে সড়ক নির্মাণের মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির বদলে এখন প্রতিদিন দুর্ভোগই বাড়ছে। পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকায় শিশু, বৃদ্ধ ও সাধারণ পথচারীদের মধ্যে চর্মরোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ
স্থানীয়দের। জলাবদ্ধতার কারণে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, দিনমজুর ও চাকরিজীবীদের নিয়মিত যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে অসুস্থ রোগীদের খাটিয়া বা কাঁধে করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যেতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ড্রেনেজ পাইপ না দেওয়ার কারণে পুরো ভেতরের সড়ক পানিতে ডুবে থাকে। এতে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। ব্রাইট শিশু কানন হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ফাহিম ও শাহরিয়ার জানায়, প্রতিদিন নোংরা পানি পেরিয়ে স্কুলে যেতে গিয়ে তাদের পায়ে চুলকানিসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ী বিপ্লব দাস বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে দোকানের ভেতরে পানি ঢুকে ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্পে ব্যাপক
অনিয়ম হয়েছে এবং বরাদ্দের অর্থের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়কটি পুনর্নির্মাণ, স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপলাইন স্থাপন এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয়রা। রূপগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছেন। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম জয় জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি অর্থে নির্মিত
একটি সড়ক মাত্র এক মাসের মধ্যেই ধসে পড়া এবং একই প্রকল্পে প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় হাজারো মানুষ জলাবদ্ধতায় ভোগান্তির শিকার হওয়ায় প্রকল্প পরিকল্পনা, নির্মাণমান এবং তদারকি—সবকিছুই নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের মতে, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত করাই যথেষ্ট নয়; প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে জনদুর্ভোগ আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।



