ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রূপপুরের ঋণ পরিশোধে ভারতীয় রুপির প্রস্তাব: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে বাধা, বিপাকে বাংলাদেশ
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বিস্তার নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
এক মাসের ব্যবধানে ফের নিমজ্জিত চট্টগ্রাম: জলাবদ্ধতায় গৃহবন্দী নগরবাসী
চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে আশার আলো রূপপুর: সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ‘পরীক্ষামূলক’ ৩০০ মেগাওয়াট
বাংলাদেশের কাছে হারায় কামিন্সদের ধুয়ে দিল অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম
‘জুলাই শহীদ’ সাংবাদিক এসে জানালেন- “আমি মরি নাই”
পে স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে যা জানালেন মন্ত্রী
১৩ লাখের মধ্যে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার, তবে…
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১৩-১৪ লাখের মতো রোহিঙ্গার মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। তাদের দেশে ফেরত নেওয়ার কথাও বলেছে। তবে সেক্ষেত্রে সর্বাগ্রে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হতে হবে। এরপরই ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আজ ১৭ই আগস্ট, সোমবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে না।
নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের
নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে।
নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে।



