ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সার সংকট নিয়ে উদ্বেগ সংসদে
এক ভিসায় যাওয়া যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে
রুমিন ফারহানার যে বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্নিকান্ড: ৪০ ঘন্টা ধরে পুড়েছে সার্ভার রুম ও গুরুত্বপূর্ণ নথি
“এক দেশের উপর হামলা মানেই তিন দেশের উপর হামলা”: সৌদিতে হুতিদের হামলায় শুধুই সমবেদনা ‘মক্কা জোট’ মিত্রদের
নোয়াখালীতে মাদ্রাসায় শিশু ছাত্রী ধর্ষণঃ ধর্ষক ‘মুহতারাম’-কে আচ্ছামতো গণধোলাই দিলো এলাকাবাসী
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ প্রেসক্লাব থেকে দুর্নীতি ও অনিয়ম এর দায়ে গুপ্ত সংগঠন নেতা প্রেসক্লাব সভাপতি তৌহিদকে বহিষ্কার
১৩ লাখের মধ্যে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার, তবে…
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১৩-১৪ লাখের মতো রোহিঙ্গার মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। তাদের দেশে ফেরত নেওয়ার কথাও বলেছে। তবে সেক্ষেত্রে সর্বাগ্রে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হতে হবে। এরপরই ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আজ ১৭ই আগস্ট, সোমবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে না।
নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের
নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে।
নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে।



