ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’, ১৮৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এল যে ভয়াবহ তথ্য
নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙা হলো তিন মসজিদ ও মাজার
পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
ভারতীয় তরুণের মুখে হরমুজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বেঁচে ফেরার গল্প
তেলবাহী ‘স্কাইলাইট’ নামের জাহাজটি যখন কেঁপে ওঠে, ২৬ বছর বয়সী সুনীল পুনিয়া তখন তৃতীয় তলার কেবিনে ঘুমাচ্ছিলেন। তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন ইঞ্জিনে কোনো গোলযোগ হয়েছে। যখন কেবিন থেকে বের হতে যান, ঠিক তখনই বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন।
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা জাহাজটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয় গত ১ মার্চ ভোরে। এটি দুবাই থেকে রওনা হয়েছিল। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর স্কাইলাইটই প্রথম বাণিজ্যিক জাহাজ যেটি হামলার মুখে পড়ে।
সুনীলের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি জাহাজের ইঞ্জিন রুমে আঘাত হানে। ফলে সেখানে আগুন ধরে যায়। এরপর দ্রুত ছড়াতে থাকে। সুনীল বলেন, ‘চারপাশ অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল। সবারই শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।
আতঙ্কের মধ্যে কয়েকজন নাবিক বাড়িতে ফোন করার চেষ্টা করেন। আমি তাঁদের ফোন করা বন্ধ করতে বলে দ্রুত জাহাজের ডেকে যেতে বলি।’ কিন্তু নাবিকরা যখন ডেকে যান, ততক্ষণে সেখানেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সুনীল বলেন, ‘চারপাশে শুধু তেল আর তেল। আগুনের লেলিহান শিখা আমাদের দিকে যখন ধেয়ে আসছিল, তখন বাধ্য হয়ে সাগরে ঝাঁপ দেই।’ ‘সে ছিল ভাইয়ের মতো’ হামলার এক ঘণ্টার মধ্যেই ওমানের নৌবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সাগরে ঝাঁপ দেওয়া বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে। তবে সবাইকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। জাহাজটিতে সুনীলের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল দিলীপ রাঠোর নামে আরেক তরুণের। সুনীল বলেন, ‘যখন বুঝতে পারলাম দিলীপ সেখানে (উদ্ধার হওয়া নাবিকদের মধ্যে) নেই, তখন মাথায়
আকাশ ভেঙে পড়ল। আমি শুধু ভাবছিলাম, ওর পরিবারকে কী জবাব দেব।’ ২৫ বছর বয়সী দিলীপ ভারতের রাজস্থানের বাসিন্দা ছিলেন। সুনীলও রাজস্থানের হওয়ায় জাহাজে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুনীল বলেন, ‘জাহাজে নেটওয়ার্কের সমস্যা থাকায় আমরা খুব একটা বাড়িতে ফোন করতে পারতাম না। সেই একাকীত্বের মুহূর্তগুলোতে দিলীপ সবসময় আমার পাশে থাকত। ও আমার ভাইয়ের মতো ছিল।’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, দিলীপ জাহাজটির ইঞ্জিন রুমের দায়িত্বে ছিলেন। হামলায় দিলীপ ও ক্যাপ্টেন আশীষ কুমার দুজনই নিহত হন। আশীষের মরদেহের কিছু অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, দলীপকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আতঙ্কের মধ্যে কয়েকজন নাবিক বাড়িতে ফোন করার চেষ্টা করেন। আমি তাঁদের ফোন করা বন্ধ করতে বলে দ্রুত জাহাজের ডেকে যেতে বলি।’ কিন্তু নাবিকরা যখন ডেকে যান, ততক্ষণে সেখানেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সুনীল বলেন, ‘চারপাশে শুধু তেল আর তেল। আগুনের লেলিহান শিখা আমাদের দিকে যখন ধেয়ে আসছিল, তখন বাধ্য হয়ে সাগরে ঝাঁপ দেই।’ ‘সে ছিল ভাইয়ের মতো’ হামলার এক ঘণ্টার মধ্যেই ওমানের নৌবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সাগরে ঝাঁপ দেওয়া বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে। তবে সবাইকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। জাহাজটিতে সুনীলের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল দিলীপ রাঠোর নামে আরেক তরুণের। সুনীল বলেন, ‘যখন বুঝতে পারলাম দিলীপ সেখানে (উদ্ধার হওয়া নাবিকদের মধ্যে) নেই, তখন মাথায়
আকাশ ভেঙে পড়ল। আমি শুধু ভাবছিলাম, ওর পরিবারকে কী জবাব দেব।’ ২৫ বছর বয়সী দিলীপ ভারতের রাজস্থানের বাসিন্দা ছিলেন। সুনীলও রাজস্থানের হওয়ায় জাহাজে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুনীল বলেন, ‘জাহাজে নেটওয়ার্কের সমস্যা থাকায় আমরা খুব একটা বাড়িতে ফোন করতে পারতাম না। সেই একাকীত্বের মুহূর্তগুলোতে দিলীপ সবসময় আমার পাশে থাকত। ও আমার ভাইয়ের মতো ছিল।’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, দিলীপ জাহাজটির ইঞ্জিন রুমের দায়িত্বে ছিলেন। হামলায় দিলীপ ও ক্যাপ্টেন আশীষ কুমার দুজনই নিহত হন। আশীষের মরদেহের কিছু অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, দলীপকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।



