ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে
ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের
পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’
প্রেমের ফাঁদে ফেলে পর্নোগ্রাফি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল: চট্টগ্রামে শিবির নেতা গ্রেপ্তার
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
৬ বছরের শিশুকে ৭০ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণচেষ্টা: সালিশ-মীমাংসার নামে ধামাচাপার চেষ্টা যুবদল নেতাদের
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় ছয় বছরের এক অবুজ শিশুকে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ কর্তৃক যৌন নিপীড়নের রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। তবে এই পাশবিক অপরাধের চেয়েও এখন বড় হয়ে উঠেছে অপরাধীকে আড়াল করার নিকৃষ্ট চেষ্টা।
গতকাল ২৩শে মে, শনিবার দুপুরে উপজেলার একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটার পর থেকেই স্থানীয় প্রভাবশালী একটি রাজনৈতিক চক্র পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, শিশুটির বাবা-মা দুজনেই অত্যন্ত দরিদ্র এবং ঘটনার সময় তারা জীবিকার তাগিদে বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে ঘরে ঢুকে শিশুটির ওপর চড়াও হয় ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ আবদুল রশিদ। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ঠিক
সেই মুহূর্তেই শিশুটির মা ঘরে প্রবেশ করলে কুলাঙ্গার রশিদ দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ভয়ার্ত কণ্ঠে শিশুটির মা বলেন, “দুপুরে ঘরে ফিরে দেখি, লোকটা (রশিদ) মেয়ের সঙ্গে খারাপ কাজের চেষ্টা করছে।” ঘটনার পর গত শনিবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু অদৃশ্য এক শক্তির প্রভাবে ও আতঙ্কে পরিবারটি শিশুটিকে ওসিসিতে না নিয়ে উল্টো বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত রশিদের পক্ষ নিয়ে মাঠে নেমেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী মহল। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় ওয়ার্ড
যুবদলের সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ভুক্তভোগী পরিবারটিকে আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে লোকদেখানো ‘মীমাংসা’ করার জন্য অনবরত চাপ সৃষ্টি করছেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে ওই নেতাদের ভুক্তভোগী পরিবারকে সালিশের আশ্বাস দিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন অবশ্য তার মতো করেই সাফাই গেয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ডাক্তার বলেছে শিশুটির সঙ্গে কিছু হয় নাই, আপনারা নিশ্চিন্তে বাসায় যেতে পারেন। শুধু মেয়েটির হাতের মধ্যে একটি কামড় দিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার করে দেবো।” তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন, ওসিসির পরীক্ষা ছাড়াই একজন রাজনৈতিক নেতা কীভাবে নির্ধারণ করলেন যে
শিশুটির বড় কোনো ক্ষতি হয়নি? প্রভাবশালীদের প্রচণ্ড চাপ ও সামাজিক বাস্তবতার মুখে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে শিশুটির পরিবার। আইনি লড়াইয়ের সাহস হারিয়ে ফেলা শিশুটির বাবা হতাশাগ্রস্ত কণ্ঠে বলেন, “এলাকার লোকজন বলছে বিচার করে দিবে, এ জন্য আর মামলা করতে চাই না। তারা যদি ভালো করে বিচার করে দেয়, তাহলে চলবে। একই গ্রামে থাকি, এলাকার লোকজনের বাইরে যাব কীভাবে?” ঘটনার পর থেকেই লম্পট আবদুল রশিদ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে। লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। ওসি কাজী কামরুন্নাহার লাইলি বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতনের চেষ্টা করা
হয়েছে। জড়িত ব্যক্তি এলাকা থেকে আত্মগোপনে আছেন। আমরা ভিকটিমের পরিবারকে মামলা দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা অভিযোগ দিলে আমরা কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব।” একটি শিশুর ওপর এমন বর্বরতার পর যেখানে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়ার কথা, সেখানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের এই ‘সালিশি বাণিজ্য’ ও ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা এলাকাবাসীকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। সচেতন মহল অবিলম্বে এই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করে পুলিশকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করার এবং অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
সেই মুহূর্তেই শিশুটির মা ঘরে প্রবেশ করলে কুলাঙ্গার রশিদ দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ভয়ার্ত কণ্ঠে শিশুটির মা বলেন, “দুপুরে ঘরে ফিরে দেখি, লোকটা (রশিদ) মেয়ের সঙ্গে খারাপ কাজের চেষ্টা করছে।” ঘটনার পর গত শনিবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু অদৃশ্য এক শক্তির প্রভাবে ও আতঙ্কে পরিবারটি শিশুটিকে ওসিসিতে না নিয়ে উল্টো বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত রশিদের পক্ষ নিয়ে মাঠে নেমেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী মহল। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় ওয়ার্ড
যুবদলের সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ভুক্তভোগী পরিবারটিকে আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে লোকদেখানো ‘মীমাংসা’ করার জন্য অনবরত চাপ সৃষ্টি করছেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে ওই নেতাদের ভুক্তভোগী পরিবারকে সালিশের আশ্বাস দিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন অবশ্য তার মতো করেই সাফাই গেয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ডাক্তার বলেছে শিশুটির সঙ্গে কিছু হয় নাই, আপনারা নিশ্চিন্তে বাসায় যেতে পারেন। শুধু মেয়েটির হাতের মধ্যে একটি কামড় দিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার করে দেবো।” তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন, ওসিসির পরীক্ষা ছাড়াই একজন রাজনৈতিক নেতা কীভাবে নির্ধারণ করলেন যে
শিশুটির বড় কোনো ক্ষতি হয়নি? প্রভাবশালীদের প্রচণ্ড চাপ ও সামাজিক বাস্তবতার মুখে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে শিশুটির পরিবার। আইনি লড়াইয়ের সাহস হারিয়ে ফেলা শিশুটির বাবা হতাশাগ্রস্ত কণ্ঠে বলেন, “এলাকার লোকজন বলছে বিচার করে দিবে, এ জন্য আর মামলা করতে চাই না। তারা যদি ভালো করে বিচার করে দেয়, তাহলে চলবে। একই গ্রামে থাকি, এলাকার লোকজনের বাইরে যাব কীভাবে?” ঘটনার পর থেকেই লম্পট আবদুল রশিদ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে। লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। ওসি কাজী কামরুন্নাহার লাইলি বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতনের চেষ্টা করা
হয়েছে। জড়িত ব্যক্তি এলাকা থেকে আত্মগোপনে আছেন। আমরা ভিকটিমের পরিবারকে মামলা দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা অভিযোগ দিলে আমরা কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব।” একটি শিশুর ওপর এমন বর্বরতার পর যেখানে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়ার কথা, সেখানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের এই ‘সালিশি বাণিজ্য’ ও ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা এলাকাবাসীকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। সচেতন মহল অবিলম্বে এই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করে পুলিশকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করার এবং অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।



