হামে শিশু মৃত্যুর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিশু ধর্ষণ: দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিশু ধর্ষণ ৪ মাসে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ মে, ২০২৬

হামে শিশু মৃত্যুর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিশু ধর্ষণ: দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিশু ধর্ষণ ৪ মাসে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ মে, ২০২৬ |
বাংলাদেশের বুকে আজ যেন এক ভয়ংকর অভিশাপ ভর করেছে। যে ছোট ছোট ফুটফুটে মুখগুলো হাসলে পৃথিবী আলো হয়ে ওঠে, সেই নিষ্পাপ শিশুরাই আজ নৃশংস পাশবিকতার শিকার। মাত্র চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল ২০২৬) ১২ বছরের কম বয়সী ৫৬ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে! আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে মোট ১৮০টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৮১ জনের বয়স ১৮ বছরের নিচে। এই সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়—প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি ভাঙা শৈশব, একটি আতঙ্কিত মায়ের আর্তনাদ, একটি নিঃশব্দ কান্না যা কখনো থামবে না। বছরের পর বছর এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ২০২৫ সালে ৭-১২ বছরের ১৪৮ জন মেয়ে শিশু ধর্ষিত হয়েছে। ৬

বছরের নিচের শিশুদের ওপর নির্যাতনের সংখ্যাও ভয়াবহভাবে বেড়েছে। অথচ সমাজ এখনো ঘুমিয়ে আছে। সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয়—অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরাধী অচেনা কেউ নয়। প্রতিবেশী, আত্মীয়, মাদ্রাসার হুজুর বা পরিচিতজন। যাদের বিশ্বাস করে শিশুকে ছেড়ে দেয়া হয়, সেই বিশ্বাসের জায়গাতেই ঘটছে এই জঘন্য অপরাধ। সম্প্রতি নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। মাদ্রাসার শিক্ষকই ছিল অভিযুক্ত। আজ মিরপুরে রামিসা নামের ফুটফুটে ৭ বছরের এক কণ্যা শিশুকে ধর্ষণের পর দ্বিখণ্ডিত করে হত্যা করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান শুধু কণ্যা শিশুদের। মাদ্রাসায় ইসলাম শিক্ষার নামে শিশু পুত্রদের সংখ্যা যুক্ত হলে আর ভয়ংকর চিত্র ফুটে উঠবে। পরিসংখ্যান দেখে মনে হচ্ছে, কেউ যেনো সুপরিকল্পিত

ভাবে নতুন প্রজন্মকে ট্রমা দিয়ে, পাশবিক ও নৃশংসভাবে মানসিকভাবে ভেঙ্গেচুরে ফেলার চেষ্টা করছে। এই শিশুরা কী দোষ করেছিল? তারা তো শুধু খেলতে চেয়েছিল, বড় হতে চেয়েছিল, স্বপ্ন দেখতে চেয়েছিল। কিন্তু আমাদের সমাজ তাদের নিরাপদ আশ্রয় দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বিচারহীনতা, সামাজিক লজ্জা আর প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় অপরাধীরা বারবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।এখনই সময় জেগে ওঠার। প্রতিটি মা-বাবা, প্রতিটি নাগরিক, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন করতে হবে—আমাদের শিশুরা কি সত্যিই নিরাপদ? না কি আমরা তাদের প্রতিদিন মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছি? যতক্ষণ না এই পাশবিকতার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, সামাজিক সচেতনতা ও নৈতিক পুনর্জাগরণ না ঘটবে, ততক্ষণ আমাদের সমাজের মুখ কলঙ্কিতই থাকবে। আমাদের শিশুদের চোখের জল আর মুছতে দিতে পারি না। এই

নীরব হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে হবে—আজ, এখনই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে টিটিপি-আইএসআইএস-কে’র গোপন নেটওয়ার্ক! পেশোয়ার থেকে সতর্কতা! বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রাষ্ট্রব্যবস্থার মুখে রামিসার বাবার সজোর চপেটাঘাত বিএনপি-জামায়াত সিন্ডিকেটে জিম্মি আদালতপাড়া: চট্টগ্রামের রাজপথে সাধারণ আইনজীবীরা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতেই ‘আওয়ামী লীগের ফেরা’ নিয়ে মাহফুজ-আসিফের ফেসবুক নাটক হামে শিশু মৃত্যুর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিশু ধর্ষণ: দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিশু ধর্ষণ ৪ মাসে বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে সংকট মোকাবেলায় বিপর্যস্ত সরকার: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক চাপ ও বাস্তবতার টানাপোড়েনে প্রথম বাজেট শেখ হাসিনার জীবনের উপর কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই, নিশ্চিত করলো দিল্লি’র গোয়েন্দা সংস্থা কালার রেভ্যুলেশনে ক্ষত-বিক্ষত বাংলাদেশ: থার্ড ন্যাশনালিজমের উত্থান কি অনিবার্য? মাহফুজ আলমের দ্বিচারিতা: গ্রহনযোগ্যতা ফিরে পাবার রিসেট বাটন ভদকা, বুলেট ট্রেন ও রান্না: যেভাবে গড়ে ওঠে শি-পুতিনের বন্ধুত্ব গ্যাং স্টারদের পাকিস্তান বধ খুমেক হাসপাতালে আগুন, আতঙ্কিত হয়ে লাফিয়ে আহত ২ নার্স চীন-রাশিয়া ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতি রুখে দেবে: শি ডুয়েট ফাঁকা, ভিসির সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বৈঠক তরুণদের তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা, ভারতে বিজেপির আদলে ‘ককরোচ জনতা পার্টি জ্বালানি থেকে এআই, ২০ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন শি-পুতিন চীনের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছর হামের টিকার সংকট ছিল, সরকারকে ১০ বার সতর্ক করা হয়: ইউনিসেফ সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা: চারজনের মৃত্যুদণ্ড, নয়জনকে যাবজ্জীবন