১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ June, ২০২৬

১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ June, ২০২৬ |
১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে মেক্সিকোর মানুষের কাছ থেকে পাওয়া দারুণ সমর্থন এবং ইতালির বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটি কেন তাদের জন্য সবচেয়ে ‘সহজ’ ছিল—তা নিয়ে ফিফার সঙ্গে পুরোনো স্মৃতি হাতড়ালেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রিভেলিনো। ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার পর রবার্তো রিভেলিনো এখন স্টেডিয়ামের সেই চিৎকার-চেঁচামেচি ছেড়ে সাও পাওলোর এক শান্ত গ্রামে থাকেন। সেখানে এখন শুধুই পাখির ডাক শোনা যায়। তবে ফুটবলের বড় বড় মঞ্চের স্মৃতিগুলো ব্রাজিলের এই কিংবদন্তির মনে এখনো ভেসে ওঠে। বিশেষ করে ১৯৭০ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের কথা তিনি ভুলতে পারেন না। রিভেলিনো জানান, ব্রাজিলের তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতার পেছনে মেক্সিকোর চমৎকার পরিবেশ বড় ভূমিকা রেখেছিল। চোখ বন্ধ করলেই তিনি এখনো ইতালির

বিপক্ষের সেই ফাইনালে অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামের ১ লক্ষ দর্শকের চিৎকার শুনতে পান। তবে মেক্সিকোর মানুষের সঙ্গে ব্রাজিল দলের এই ভালোবাসার সম্পর্ক ফাইনাল ম্যাচের অনেক আগেই তৈরি হয়েছিল। ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রিভেলিনো বলেন, ‘১৯৭০ সালে মেক্সিকোতে আমাদের অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। কারণ ফাইনাল খেলার আগ পর্যন্ত আমরা গুয়াদালাহারা শহরেই ছিলাম। আমরা একের পর এক ম্যাচ জিতছিলাম, তাই পুরো টুর্নামেন্টে আমাদের একই শহরে থাকতে দেওয়া হয়েছিল। এই কারণে পুরো বিষয়টা আমাদের কাছে খুব স্পেশাল ছিল। এরপর আমরা ফাইনাল খেলতে গেলাম কানায় কানায় ভরা অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে—যেটি ছিল এক বিশাল মাঠ।’ কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক মেক্সিকো বিদায় নেওয়ার পর, দেশটির ফুটবলপ্রেমীরা ব্রাজিল দলকে মন-প্রাণ দিয়ে সমর্থন করতে শুরু করেন।

এটি ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল। ব্রাজিলও দুর্দান্ত খেলে দর্শকদের সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিয়েছিল। পেলে, তোস্তাও, গার্সন, জাইরজিনহো এবং রিভেলিনোর মতো তারকাদের জাদুকরী খেলায় ব্রাজিল তাদের সবকটি (ছয়টি) ম্যাচেই জয় পায়। রিভেলিনো বুঝিয়ে বলেন, ‘মেক্সিকো যখন বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে গেল, তখন মেক্সিকোর মানুষ আমাদের আপন করে নিলেন। এর কারণ ছিল আমাদের খেলার চমৎকার ধরন এবং ফুটবলের জাদু। তারা আমাদের সত্যিই মনে জায়গা দিয়েছিলেন এবং মন থেকে সমর্থন করেছিলেন। এই কারণেই ফাইনাল ম্যাচটি দেখার মতো একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।’ মেক্সিকোর মাটিতে ব্রাজিলের ফুটবল জাদু ব্রাজিল দলের এই দাপট কিন্তু হুট করে আসেনি। এটি ছিল এমন একটি দল, যারা মাঠে নামলেই প্রতি

ম্যাচে নিজেদের খেলা আরও উন্নত করে তুলছিল। দলের ভেতরের বোঝাপড়া এবং আত্মবিশ্বাস এতটাই বেশি ছিল যে, রিভেলিনোর মতে, কোনো প্রতিপক্ষের পক্ষেই তাদের থামানো সম্ভব ছিল না। প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে ব্রাজিলের খেলার ধার বাড়ছিল। এমনকি টুর্নামেন্টে আরও দুই-তিনটি ম্যাচ হলেও আমার মনে হয় না কেউ আমাদের হারাতে পারত। আমরা দিন দিন আরও ভালো খেলছিলাম। আর তার ওপর আমাদের দলে ছিলেন ফুটবল সম্রাট পেলে। এমন খেলা কে না দেখতে চাইবে?’ দলের সবচেয়ে শক্তিশালী বাঁ-পায়ের মালিক—যাকে সবাই ‘পাতাদা অ্যাটমিকা’ (পারমাণবিক লাথি) নামে ডাকত—তিনি বেশ শান্তভাবেই ফাইনাল ম্যাচের কথা মনে করলেন। তার মতে, শক্তিশালী ইতালির বিপক্ষের সেই ফাইনাল ম্যাচটিই ছিল পুরো টুর্নামেন্টে ব্রাজিলের জন্য সবচেয়ে সহজ

ম্যাচ। পেলে এবং ইতালির রবার্তো বোনিনসেগনিয়ার গোলে প্রথমার্ধ ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল একচেটিয়া খেলে ম্যাচ নিজেদের করে নেয়। গার্সন, জাইরজিনহো এবং কার্লোস আলবার্তোর গোলে ব্রাজিল ৪-১ ব্যবধানে বিশাল জয় নিয়ে ট্রফি জিতে নেয়। রিভেলিনো বলেন, ‘বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আমাদের জন্য সবচেয়ে স্বস্তির এবং “সহজ” ম্যাচ ছিল ইতালির বিপক্ষের ফাইনালটি। এটা শুনে হয়তো মনে হতে পারে, “সে কী, ফাইনাল ম্যাচ আবার সহজ হয় নাকি?” কিন্তু মাঠে আমার মনে হচ্ছিল আমরা অনায়াসে পাঁচটি গোল করতে পারতাম। এমনকি আমি যখন গোল করার জন্য একদম তৈরি, তখন এক ডিফেন্ডার আমাকে ফাউল করে ফেলে দেন। কিন্তু আমরা তখন ৪-১ গোলে এগিয়ে থাকায়

রেফারি আর পেনাল্টি দেননি।’ ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে পুরো অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে আনন্দের এক তুমুল হুলস্থুল পড়ে যায়। মেক্সিকোর সমর্থকরা নিরাপত্তার দেওয়াল ভেঙে মাঠের ভেতরে ঢুকে পড়েন এবং ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের জড়িয়ে ধরে উদযাপন করতে থাকেন। হাসিমুখে সেই স্মৃতি মনে করে রিভেলিনো বলেন, ‘ফাইনাল ম্যাচের কথা মনে করলেই ভেসে ওঠে, খেলা শেষ হওয়া মাত্র মেক্সিকোর ভক্তরা মাঠে নেমে এসেছিলেন। তারা পেলের মাথায় একটি মেক্সিকান টুপি (সোমব্রেরো) পরিয়ে দিয়েছিলেন। সেটি ছিল এক চরম উন্মাদনা! আজকাল এমনটা আর দেখা যায় না। কিন্তু তখনকার দিনে মানুষ মাঠে চলে আসত। তোস্তাওয়ের তো প্রায় অন্তর্বাস ছাড়া সব পোশাকই টেনে খুলে নেওয়া হয়েছিল। ভাবা যায় না!’ গৌরবের সেই মঞ্চে

ফিরে যাওয়া পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর, উত্তর আমেরিকায় আরেকটি বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। আর এই বিশ্বকাপ মেক্সিকোর সঙ্গে রিভেলিনোর সেই পুরোনো স্মৃতিকে আবারও তাজা করে তুলেছে। আগামী ১১ জুন মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচে তিনি মাঠে উপস্থিত থাকবেন। যদিও রিভেলিনো সম্মাননা নেওয়ার জন্য এর আগে বেশ কয়েকবার মেক্সিকোতে গিয়েছেন, কিন্তু যে মাঠে ব্রাজিল তৃতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, সেখানে আর যাওয়া হয়নি। ২০১৮ সালে, আরেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কাফুর সঙ্গে তাকে মেক্সিকোর ‘পাচুকা ফুটবল হল অব ফেমে’ জায়গা দেওয়া হয়। সাবেক এই মিডফিল্ডারকে মেক্সিকো সিটির একটি প্রতীকী চাবিকাঠি দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছিল—যা ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপজয়ী নায়কদের দেওয়া একটি বিশেষ সম্মান। তিনি এখন দিন গুনছেন সেই চেনা মাঠে আবার পা রাখার জন্য, যা তাদের প্রজন্মকে ফুটবল ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি দারুণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। প্রায় ৫৬ বছর পর আমি সেখানে আবার পা রাখব। আমি সত্যিই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের