ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাফের ‘প্লে অন পিরিয়ড’ প্রকল্পের পার্টনার সেনোরা
পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের
মিরপুরের স্পিন উইকেটে বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৫ মিনিটের হ্যাটট্রিকে ১,০০০ গোলের আরও কাছে রোনালদো
ইতিহাসের সেরা ব্যালনের ডি’অর: মেসিকে পেছনে ফেললেন রোনালদো
তাইজুলের জোড়া আঘাতে মিরপুরে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
অভিষেকের ৩৫ বলের সেঞ্চুরি, পাওয়ারপ্লেতে ভারতের বিশ্বরেকর্ড
সাফ সভাপতি আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ, তাই সাফ আয়োজনে প্রচারণা নেই বাফুফের
দরজায় কড়া নাড়ছে দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের সর্ববৃহৎ আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। আর একদিন পরই ঢাকায় পর্দা উঠতে যাচ্ছে এই টুর্নামেন্টের, অথচ দেশের ফুটবল অঙ্গনে নেই কোনো উল্লাস বা উন্মাদনা। রাজধানীজুড়ে নেই ব্যানার-পোস্টার, হয়নি ট্রফি উন্মোচন কিংবা আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন।
মাঠের বাইরের এই দৃশ্যমান নীরবতার পেছনে উঠে আসছে রাজনৈতিক মেরুকরণ ও অন্তর্দলীয় নীরব মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের খবর। সাফের বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ উঠেছে, সালাউদ্দিন সাফের পদে বহাল থাকায় এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে বাফুফের বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিটি সাফ আয়োজনে দৃশ্যমান প্রচারণা এড়িয়ে চলছেন এবং আয়োজনের পথে
পথে নানা জটিলতা তৈরি করে রেখেছেন। সোমবার আন্তর্জাতিক দল হিসেবে ভুটান ঢাকায় পা রাখলেও বাফুফের মিডিয়া বিভাগ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্যই প্রকাশ করা হয়নি। অন্য দলগুলোর আগমনসূচি, অনুশীলনের সময় কিংবা টিকিট নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড উপেক্ষা করে টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করায় সাধারণ সমর্থকদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে। সাফ আয়োজনে এই স্থবিরতা ও অগোছালো ভাব প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল অবশ্য সমস্ত দায় সাফ কর্তৃপক্ষের ওপরই চাপিয়েছেন। তার বক্তব্য, “এর জন্য সাফ অফিস এবং তাদের সহযোগীরাই দায়ী। আপনারা তো সাফ সভাপতিকে চেনেন, মিডিয়া কেন তাকে জিজ্ঞেস করছে না? আমাদের কাছে লিখিত চুক্তি রয়েছে যেখানে পরিষ্কার বলা আছে সবকিছু সাফ
পরিচালনা করবে। এমনকি স্টেডিয়ামও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে সাফ নিজে ভাড়া নিয়েছে।” অন্যদিকে সাফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনও ঢাকার এমন ঠাণ্ডা প্রতিক্রিয়া ও অব্যবস্থাপনায় নিজের অসন্তোষ আড়াল করেননি। সংক্ষিপ্ত এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আমি নিজেও সাফের আয়োজন নিয়ে বিরক্ত। কার দোষ দেবো এখানে? আগে তো এমনটি হয়নি। আমি আর নতুন করে মন্তব্য করতে চাই না।” সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টুর্নামেন্টটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এমন এক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে, যাদের এ ধরনের বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট সামলানোর ন্যূনতম পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই। বাফুফের কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০০৩ কিংবা ২০১৮ সালের ঢাকার বর্ণাঢ্য সাফ আয়োজনের
স্মৃতি যাদের মনে আছে, তাদের জন্য এবারের দৃশ্যপট অনেকটাই হতাশাজনক। সালাউদ্দিনের আওয়ামী পরিচয় এবং বর্তমান ফুটবল প্রশাসনের মধ্যকার এমন শীতল মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের কারণে সাফের মতো বড় আন্তর্জাতিক আসর তার চিরচেনা রূপ ও মর্যাদা হারাতে বসেছে।
পথে নানা জটিলতা তৈরি করে রেখেছেন। সোমবার আন্তর্জাতিক দল হিসেবে ভুটান ঢাকায় পা রাখলেও বাফুফের মিডিয়া বিভাগ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্যই প্রকাশ করা হয়নি। অন্য দলগুলোর আগমনসূচি, অনুশীলনের সময় কিংবা টিকিট নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড উপেক্ষা করে টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করায় সাধারণ সমর্থকদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে। সাফ আয়োজনে এই স্থবিরতা ও অগোছালো ভাব প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল অবশ্য সমস্ত দায় সাফ কর্তৃপক্ষের ওপরই চাপিয়েছেন। তার বক্তব্য, “এর জন্য সাফ অফিস এবং তাদের সহযোগীরাই দায়ী। আপনারা তো সাফ সভাপতিকে চেনেন, মিডিয়া কেন তাকে জিজ্ঞেস করছে না? আমাদের কাছে লিখিত চুক্তি রয়েছে যেখানে পরিষ্কার বলা আছে সবকিছু সাফ
পরিচালনা করবে। এমনকি স্টেডিয়ামও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে সাফ নিজে ভাড়া নিয়েছে।” অন্যদিকে সাফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনও ঢাকার এমন ঠাণ্ডা প্রতিক্রিয়া ও অব্যবস্থাপনায় নিজের অসন্তোষ আড়াল করেননি। সংক্ষিপ্ত এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আমি নিজেও সাফের আয়োজন নিয়ে বিরক্ত। কার দোষ দেবো এখানে? আগে তো এমনটি হয়নি। আমি আর নতুন করে মন্তব্য করতে চাই না।” সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টুর্নামেন্টটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এমন এক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে, যাদের এ ধরনের বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট সামলানোর ন্যূনতম পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই। বাফুফের কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০০৩ কিংবা ২০১৮ সালের ঢাকার বর্ণাঢ্য সাফ আয়োজনের
স্মৃতি যাদের মনে আছে, তাদের জন্য এবারের দৃশ্যপট অনেকটাই হতাশাজনক। সালাউদ্দিনের আওয়ামী পরিচয় এবং বর্তমান ফুটবল প্রশাসনের মধ্যকার এমন শীতল মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের কারণে সাফের মতো বড় আন্তর্জাতিক আসর তার চিরচেনা রূপ ও মর্যাদা হারাতে বসেছে।






