ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২০ বছর ধরে মৃত সহকর্মীর বেতন তুলে খেয়েছেন ‘সৎ লোকের শাসন’ চাওয়া জামায়াতের নেতা
রাজনৈতিক বাধা সরিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো সাফ সভাপতি সালাউদ্দিন
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা ও সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ফেনীতে ছাত্রলীগের মিছিল
বন্যার্তদের বঞ্চিত করে ত্রাণের চাল বিক্রি: কাপ্তাইয়ে গাড়ি ও চালসহ হাতেনাতে আটক বিএনপি সভাপতি
সিলেটে পরপর দুবার এনসিপির শীর্ষ নেতাদের গাড়িবহরে হামলা
ঘটনাস্থলে না থেকেও জুলাই মামলা: আদালতে আত্মসমর্পণ ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ নেতার
হেফাজতের শাপলা সমাবেশের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার
‘অর্থাভাবে’ মেট্রোরেলের কাজ বন্ধ হলেও ফ্যামিলি কার্ড জরিপে ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা!
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্ড প্রস্তুত, উপকারভোগী নির্বাচন ও তথ্য সংগ্রহসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে সরকার।
এর মধ্যে শুধু প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্যই ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুশাসনবিষয়ক বিশ্লেষকেরা।
একদিকে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাস্তবায়নাধীন মেট্রোরেল লাইন-৫ (নর্দান রুট) প্রকল্পের উড়াল অংশের কাজ বন্ধ করা হয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি)-এ পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায়। অন্যদিকে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে এই বিপুল খরচ বিএনপি সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন খোদ সরকারপক্ষের অতি আস্থাভাজন খ্যাত বদিউল আলম
মজুমদারও। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)- নামক এনজিওর এই সম্পাদকের মতে, সরকার ব্যয় সংকোচনের কথা বললেও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এত বড় অঙ্কের বরাদ্দের প্রস্তাবটি ‘খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি’- প্রবাদের সমার্থক। তিনি বলেন, এই অর্থ দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষকে সরাসরি সহায়তা দেওয়া সম্ভব হতো। তার মতে, অনুষ্ঠান আয়োজনেই যদি বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়, তাহলে কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে প্রকল্প পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, অনুষ্ঠানের জন্য ৫০ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হলেও পুরো অর্থ ব্যয় হবে—এমনটি নয়। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘সোশ্যাল প্রটেকশন ফর ইম্প্রুভড রেজিলিয়েন্স, ইনক্লুশন অ্যান্ড টার্গেটিং (এসএসপিআইআরআইটি)’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীর আওতায় ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচি যুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় সংশোধিত প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে কয়েকটি খাতে ব্যয় কমিয়ে অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। যদিও চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এ কারণে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব গত ১৮ই জুলাই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে থোক বরাদ্দ থেকে চলতি অর্থবছরেই ১ হাজার ৫১১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা স্থানান্তরের অনুরোধ জানান। পরদিন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পরিকল্পনা কমিশন, অর্থ বিভাগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) চিঠি পাঠানো হয়। ব্যয় প্রস্তাব অনুযায়ী, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড প্রস্তুত ও বিতরণে ৫৫০ কোটি ৮২ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী
তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫টি ট্যাব এবং পাঁচটি সুপার কম্পিউটার কেনায় ২২১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া আট বিভাগে সেমিনার আয়োজনের জন্য ৮০ লাখ টাকা, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং মাঠপর্যায়ের তদারকিতে কর্মকর্তাদের ভ্রমণ ভাতা বাবদ ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকৃত সুবিধাভোগী শনাক্তে ৬০ হাজার জরিপকারী নিয়োগ দিয়ে জরিপ, তথ্য সংগ্রহ, ডেটা এন্ট্রি ও প্রসেসিংয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫ সালে ৯০৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে অনুমোদিত এসএসপিআইআরআইটি প্রকল্পের আওতায় নতুন কর্মসূচি যুক্ত হওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে ২ হাজার ৮১৩ কোটি
৭৮ লাখ টাকা করা হয়। পরে বিভিন্ন খাতে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন অংশের ব্যয় ১ হাজার ৯০৯ কোটি টাকায় নির্ধারণের সুপারিশ করে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি। প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ডেটা এন্ট্রি ও কম্পিউটিং সেবা আউটসোর্সিংয়ের পাশাপাশি দুটি জিপ ও আটটি মাইক্রোবাস ভাড়ায় ব্যবহারের প্রস্তাবও রয়েছে। প্রকল্প পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন জানান, প্রথম অর্থবছরে ৪১ লাখ মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, দ্রুত জরিপ শেষ করতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কারিগরি সহযোগিতায় আগস্টের মধ্যেই জরিপ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে কর্মসূচির পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নেই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে রাজধানীর
কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, প্রকৃত নিম্নআয়ের অনেক পরিবার বাদ পড়লেও তুলনামূলকভাবে সচ্ছল ব্যক্তি, এমনকি বাড়ির মালিকরাও ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন। কড়াইলের অটোরিকশাচালক মো. শান্ত বলেন, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে গেলেও তিনি কোনো সহায়তা পাননি। তার অভিযোগ, যাদের প্রকৃত প্রয়োজন তারা বাদ পড়েছেন, অথচ তার বাড়িওয়ালা কার্ড পেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইনে ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে প্রকাশ্যে উপকারভোগী নির্বাচন করার বিধান রয়েছে, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সুবিধাভোগীর তালিকা প্রণয়ন করা না যায়। কিন্তু বাস্তবে সেই বিধান অনুসরণ না করায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সরকারি নীতিমালায় ভূমিহীন, গৃহহীন, নারীপ্রধান ও অন্যান্য
প্রান্তিক পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠপর্যায়ে সেই নীতিমালা পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়নি। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১৪টি এলাকায় ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার উপকারভোগী কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক এলাকার হলেও কড়াইলের পৃথক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।
মজুমদারও। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)- নামক এনজিওর এই সম্পাদকের মতে, সরকার ব্যয় সংকোচনের কথা বললেও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এত বড় অঙ্কের বরাদ্দের প্রস্তাবটি ‘খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি’- প্রবাদের সমার্থক। তিনি বলেন, এই অর্থ দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষকে সরাসরি সহায়তা দেওয়া সম্ভব হতো। তার মতে, অনুষ্ঠান আয়োজনেই যদি বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়, তাহলে কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে প্রকল্প পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, অনুষ্ঠানের জন্য ৫০ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হলেও পুরো অর্থ ব্যয় হবে—এমনটি নয়। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘সোশ্যাল প্রটেকশন ফর ইম্প্রুভড রেজিলিয়েন্স, ইনক্লুশন অ্যান্ড টার্গেটিং (এসএসপিআইআরআইটি)’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীর আওতায় ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচি যুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় সংশোধিত প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে কয়েকটি খাতে ব্যয় কমিয়ে অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। যদিও চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এ কারণে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব গত ১৮ই জুলাই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে থোক বরাদ্দ থেকে চলতি অর্থবছরেই ১ হাজার ৫১১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা স্থানান্তরের অনুরোধ জানান। পরদিন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পরিকল্পনা কমিশন, অর্থ বিভাগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) চিঠি পাঠানো হয়। ব্যয় প্রস্তাব অনুযায়ী, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড প্রস্তুত ও বিতরণে ৫৫০ কোটি ৮২ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী
তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫টি ট্যাব এবং পাঁচটি সুপার কম্পিউটার কেনায় ২২১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া আট বিভাগে সেমিনার আয়োজনের জন্য ৮০ লাখ টাকা, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং মাঠপর্যায়ের তদারকিতে কর্মকর্তাদের ভ্রমণ ভাতা বাবদ ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকৃত সুবিধাভোগী শনাক্তে ৬০ হাজার জরিপকারী নিয়োগ দিয়ে জরিপ, তথ্য সংগ্রহ, ডেটা এন্ট্রি ও প্রসেসিংয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫ সালে ৯০৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে অনুমোদিত এসএসপিআইআরআইটি প্রকল্পের আওতায় নতুন কর্মসূচি যুক্ত হওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে ২ হাজার ৮১৩ কোটি
৭৮ লাখ টাকা করা হয়। পরে বিভিন্ন খাতে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন অংশের ব্যয় ১ হাজার ৯০৯ কোটি টাকায় নির্ধারণের সুপারিশ করে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি। প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ডেটা এন্ট্রি ও কম্পিউটিং সেবা আউটসোর্সিংয়ের পাশাপাশি দুটি জিপ ও আটটি মাইক্রোবাস ভাড়ায় ব্যবহারের প্রস্তাবও রয়েছে। প্রকল্প পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন জানান, প্রথম অর্থবছরে ৪১ লাখ মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, দ্রুত জরিপ শেষ করতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কারিগরি সহযোগিতায় আগস্টের মধ্যেই জরিপ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে কর্মসূচির পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নেই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে রাজধানীর
কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, প্রকৃত নিম্নআয়ের অনেক পরিবার বাদ পড়লেও তুলনামূলকভাবে সচ্ছল ব্যক্তি, এমনকি বাড়ির মালিকরাও ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন। কড়াইলের অটোরিকশাচালক মো. শান্ত বলেন, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে গেলেও তিনি কোনো সহায়তা পাননি। তার অভিযোগ, যাদের প্রকৃত প্রয়োজন তারা বাদ পড়েছেন, অথচ তার বাড়িওয়ালা কার্ড পেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইনে ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে প্রকাশ্যে উপকারভোগী নির্বাচন করার বিধান রয়েছে, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সুবিধাভোগীর তালিকা প্রণয়ন করা না যায়। কিন্তু বাস্তবে সেই বিধান অনুসরণ না করায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সরকারি নীতিমালায় ভূমিহীন, গৃহহীন, নারীপ্রধান ও অন্যান্য
প্রান্তিক পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠপর্যায়ে সেই নীতিমালা পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়নি। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১৪টি এলাকায় ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার উপকারভোগী কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক এলাকার হলেও কড়াইলের পৃথক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।



