ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাতীয় পরিচয়পত্র করানোর কথা বলে মামাতো বোনকে ধর্ষণ, ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক গ্রেপ্তার
ধর্ষণ মামলায় বরিশাল ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি গ্রেফতার
ধর্ষণ মামলায় চৌগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
একই দিনে রাজধানীজুড়ে জোড়া বোমাতঙ্ক: মিরপুর ও ফার্মগেট মেট্রোস্টেশন তোলপাড়
ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে: কি.মি. প্রতি ব্যয় বাড়ল ৪২৩ কোটি টাকা, এক লাফেই ছাড়াল ১০ হাজার কোটি
প্রাইভেট পড়ানোর নামে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াতের রোকন আটক
১০ম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত
বন্যার্তদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৩০ মেট্রিক টন চাল, এক মুঠোও জোটেনি কারো ভাগ্যে
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল বিতরণ না করে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে গুদামে রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো মানুষ সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
অভিযোগ রয়েছে, বন্যাকবলিত ইউনিয়নগুলোতে চাল বিতরণের পরিবর্তে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে বন্যামুক্ত দুটি ইউনিয়নের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে চাল উত্তোলন করে গুদামজাত রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন দুটি হলো সন্তোষপুর ও রামখানা।
বন্যাকবলিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের দাবি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ. এম. খোদাদাদ হোসেনের অবহেলা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে এবার বন্যার্তরা ত্রাণের চাল পাননি।
উত্তোলন করা চাল বর্তমানে কোথায় এবং কী অবস্থায় রয়েছে, সে সম্পর্কেও তারা নিশ্চিত
নন। উপজেলা ত্রাণ শাখার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বন্যায় উপজেলার দুই হাজার ৬৪০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। পাশাপাশি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হন আরও শতাধিক ব্যক্তি। তাদের জন্য জেলা প্রশাসন ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল এবং ১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়। গত ২৯শে জুন বরাদ্দের পরদিন ৩০ জুন চাল ও শুকনো খাবার উত্তোলন করা হয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী, এসব ত্রাণ তিন কর্মদিবসের মধ্যে বিতরণ করার কথা। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত ৩০ মেট্রিক টন চালের কোনো অংশই বন্যার্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি। কেবল ১০০ প্যাকেটের মধ্যে ৩০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কারা পেয়েছেন সেই শুকনা খাবার, এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া
যায়নি। রায়গঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান দীপ বলেন, তার ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ড, বিশেষ করে ফান্দের চর এলাকায় মানুষ বন্যার পানিতে আটকে পড়লেও একাধিকবার যোগাযোগ করেও তারা কোনো ত্রাণ পাননি। তিনি জানান, চাল বরাদ্দের কথা শুনলেও তা ইউনিয়নে পৌঁছেনি। এদিকে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ উঠেছে যে, জুন মাসে টিসিবির আওতাভুক্ত ৪১ হাজার ১০২ জন গ্রাহকের জন্য বরাদ্দ দুই লাখ পাঁচ হাজার ৫১০ কেজি চালও সময়মতো উত্তোলন করা হয়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাড়পত্রে স্বাক্ষর না করায় বরাদ্দের চাল ফেরত চলে যায়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ. এম. খোদাদাদ হোসেন। তিনি বলেন, বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের আগেই বন্যার পরিস্থিতির উন্নতি হয়।
সে কারণে চাল ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও পরে তা গুদামে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আবার বন্যা হলে দ্রুত বিতরণ করা যায়। টিসিবির চাল উত্তোলন প্রসঙ্গে ইউএনও বলেন, বিশেষ কারণে তার অনুপস্থিতিতে নির্ধারিত সময় পার হয়ে যায়। তবে গ্রাহকদের জন্য বরাদ্দ অন্যান্য পণ্য বিতরণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা ত্রাণ বিতরণে বিলম্ব ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
নন। উপজেলা ত্রাণ শাখার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বন্যায় উপজেলার দুই হাজার ৬৪০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। পাশাপাশি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হন আরও শতাধিক ব্যক্তি। তাদের জন্য জেলা প্রশাসন ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল এবং ১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়। গত ২৯শে জুন বরাদ্দের পরদিন ৩০ জুন চাল ও শুকনো খাবার উত্তোলন করা হয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী, এসব ত্রাণ তিন কর্মদিবসের মধ্যে বিতরণ করার কথা। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত ৩০ মেট্রিক টন চালের কোনো অংশই বন্যার্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি। কেবল ১০০ প্যাকেটের মধ্যে ৩০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কারা পেয়েছেন সেই শুকনা খাবার, এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া
যায়নি। রায়গঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান দীপ বলেন, তার ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ড, বিশেষ করে ফান্দের চর এলাকায় মানুষ বন্যার পানিতে আটকে পড়লেও একাধিকবার যোগাযোগ করেও তারা কোনো ত্রাণ পাননি। তিনি জানান, চাল বরাদ্দের কথা শুনলেও তা ইউনিয়নে পৌঁছেনি। এদিকে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ উঠেছে যে, জুন মাসে টিসিবির আওতাভুক্ত ৪১ হাজার ১০২ জন গ্রাহকের জন্য বরাদ্দ দুই লাখ পাঁচ হাজার ৫১০ কেজি চালও সময়মতো উত্তোলন করা হয়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাড়পত্রে স্বাক্ষর না করায় বরাদ্দের চাল ফেরত চলে যায়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ. এম. খোদাদাদ হোসেন। তিনি বলেন, বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের আগেই বন্যার পরিস্থিতির উন্নতি হয়।
সে কারণে চাল ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও পরে তা গুদামে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আবার বন্যা হলে দ্রুত বিতরণ করা যায়। টিসিবির চাল উত্তোলন প্রসঙ্গে ইউএনও বলেন, বিশেষ কারণে তার অনুপস্থিতিতে নির্ধারিত সময় পার হয়ে যায়। তবে গ্রাহকদের জন্য বরাদ্দ অন্যান্য পণ্য বিতরণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা ত্রাণ বিতরণে বিলম্ব ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।



