ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনার আমলের ১৮ টাকার চীনা বিদ্যুতের ইউনিট ২৫ টাকা হলো কার স্বার্থে?
সরকারি গাছ অবৈধভাবে বিক্রি করায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও অবরোধ
হত্যা ও ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দিয়ে ৪ বছর ধরে একক ও দলবদ্ধ ধর্ষণে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
দেশে হামে শিশু মৃত্যু হাজার ছুঁইছুঁই, প্রতিদিনের খুন-ধর্ষণে নেই ভ্রূক্ষেপ, নেপালের বন্যায় শোক ইউনূসের
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন বার্তা
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় শেখ হাসিনার শোক, সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহারের পরামর্শ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণের ৫০ বছর
উচ্চমূল্যে পিটার হাসের কোম্পানির সাথে ইউনূসের চুক্তি সত্ত্বেও এলএনজি সরবরাহে ব্যর্থতা, জ্বালানি সংকটের মূল কারণ
বাংলাদেশ-মার্কিন বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর নামে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে ১৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সরবরাহ চুক্তি করেছে। এই চুক্তির আওতায় কোম্পানিটি পর্যায়ক্রমে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করার কথা।
তবে চুক্তিতে অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ করা হলেও কোম্পানিটি প্রতিশ্রুত কার্গো সরবরাহে ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিশ্রুতি মতে ২০২৬ সালে ১২টি কার্গোর মধ্যে মাত্র অর্ধেক সরবরাহ করতে পেরেছে অ্যাক্সিলারেট এনার্জি। এর ফলে দেশে এলএনজির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এবং তা ব্যাপক বিদ্যুৎ ঘাটতিতে রূপ নিয়েছে।
সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি. হাসের সঙ্গে যুক্ত এই কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিতে প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম ধরা হয়েছে ১৫.৬৯ ডলার, যা আন্তর্জাতিক
বাজারের চেয়ে গড়ে ২.৫ ডলার বেশি। চুক্তি অনুযায়ী ২০৪০ সাল পর্যন্ত বছরে গড়ে ০.৮৫ থেকে ১ মিলিয়ন টন এলএনজি আমদানি হওয়ার কথা। ২০২৬-২৭ সালে ২৮টি কার্গো এবং পরবর্তী বছরগুলোতে বছরে ১৬টি কার্গো আসার কথা থাকলেও বাস্তবে সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি দেশে এলএনজি সরবরাহে নতুন করে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত কার্গো না আসায় এবং টার্মিনালে স্টক ফুরিয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ কমে গেছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে এবং শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালিতে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চমূল্যে চুক্তি করেও সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারায় জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বিকল্প উৎস থেকে স্পট মার্কেটে এলএনজি কেনার চেষ্টা চললেও মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ অনিশ্চয়তা সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।
বাজারের চেয়ে গড়ে ২.৫ ডলার বেশি। চুক্তি অনুযায়ী ২০৪০ সাল পর্যন্ত বছরে গড়ে ০.৮৫ থেকে ১ মিলিয়ন টন এলএনজি আমদানি হওয়ার কথা। ২০২৬-২৭ সালে ২৮টি কার্গো এবং পরবর্তী বছরগুলোতে বছরে ১৬টি কার্গো আসার কথা থাকলেও বাস্তবে সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি দেশে এলএনজি সরবরাহে নতুন করে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত কার্গো না আসায় এবং টার্মিনালে স্টক ফুরিয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ কমে গেছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে এবং শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালিতে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চমূল্যে চুক্তি করেও সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারায় জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বিকল্প উৎস থেকে স্পট মার্কেটে এলএনজি কেনার চেষ্টা চললেও মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ অনিশ্চয়তা সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।



