ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি গাছ অবৈধভাবে বিক্রি করায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও অবরোধ
হত্যা ও ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দিয়ে ৪ বছর ধরে একক ও দলবদ্ধ ধর্ষণে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
দেশে হামে শিশু মৃত্যু হাজার ছুঁইছুঁই, প্রতিদিনের খুন-ধর্ষণে নেই ভ্রূক্ষেপ, নেপালের বন্যায় শোক ইউনূসের
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন বার্তা
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় শেখ হাসিনার শোক, সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহারের পরামর্শ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণের ৫০ বছর
উচ্চমূল্যে পিটার হাসের কোম্পানির সাথে ইউনূসের চুক্তি সত্ত্বেও এলএনজি সরবরাহে ব্যর্থতা, জ্বালানি সংকটের মূল কারণ
শেখ হাসিনার আমলের ১৮ টাকার চীনা বিদ্যুতের ইউনিট ২৫ টাকা হলো কার স্বার্থে?
ঢাকার আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পে প্রায় পাঁচ বছর আগে নির্ধারিত বিদ্যুতের ডলারভিত্তিক দরই বহাল থাকছে। কিন্তু তখনকার বিনিময় হারে যে বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ছিল ১৮ টাকা ২৯৫ পয়সা, এখন একই ২১ দশমিক ৭৮ মার্কিন সেন্টের দর বর্তমান বিনিময় হারে হিসাব করে প্রায় ২৫ টাকা দিতে হবে বাংলাদেশকে।
অর্থাৎ চীনা কোম্পানি চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএমইসি) নতুন করে বেশি ডলার দাবি করছে না। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ বিলম্বের পর পুরোনো ডলার ট্যারিফকে বর্তমান বিনিময় হারে রূপান্তর করায় বাংলাদেশি মুদ্রায় বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাচ্ছে প্রায় ৩৭ শতাংশ।
এখন প্রশ্ন উঠছে, প্রকল্পটি যখন ২০২১ সালে চূড়ান্ত হওয়ার পথে ছিল, তখন যে ডলারদরকে
১৮ টাকা ২৯৫ পয়সার সমপরিমাণ ধরা হয়েছিল, কয়েক বছর পর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় সেই টাকার অঙ্ক কেন পুনর্মূল্যায়ন করা হলো না? বরং পুরোনো ডলারদরকে বর্তমান উচ্চ বিনিময় হারে হিসাব করে বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ব্যয়ের বোঝা কেন চাপানো হচ্ছে? আরও বড় প্রশ্ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে এত দীর্ঘ বিলম্বের পর সরকার কি চীনা কোম্পানির সঙ্গে ট্যারিফ কমানো, বিনিময় হারজনিত ঝুঁকি ভাগাভাগি অথবা আর্থিক শর্ত পুনর্নির্ধারণের কোনো চেষ্টা করেছে? প্রকাশ্য তথ্য থেকে এখন পর্যন্ত এর সুস্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ১৮ টাকা থেকে ২৫ টাকার হিসাব: আমিনবাজারে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের প্রস্তাব ২০২০ সালের নভেম্বরে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত অনুমোদন পায়। তখনই বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে ২৫ বছরের জন্য প্রতি ইউনিট ২১ দশমিক ৭৮ মার্কিন সেন্ট বা ১৮ দশমিক ২৯৫ টাকা সমপরিমাণ দরে বিদ্যুৎ কেনার কথা জানানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সিএমইসিকে প্রকল্পের স্পনসর হিসেবে রাখা হয়। প্রকল্পটি বিল্ড-ওন-অপারেট বা বিওও পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের কথা ছিল। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন জমি ও বর্জ্য সরবরাহ করবে এবং সিএমইসি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে। ২০২১ সালের আগস্টেও পিপিএর খসড়ায় প্রতি ইউনিট ২১ দশমিক ৭৮ সেন্ট বা ১৮ দশমিক ২৯৫ টাকা দরের কথা প্রকাশ্যে আসে। অর্থাৎ ট্যারিফটি মূলত ডলারে নির্ধারিত হয়েছিল। ১৮ টাকা ২৯৫ পয়সা ছিল তখনকার বিনিময় হারে তার টাকাভিত্তিক সমপরিমাণ। এখন ডলারের দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে
একই ২১ দশমিক ৭৮ সেন্টকে বর্তমান বিনিময় হারে হিসাব করলে টাকার অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় ২৫ টাকা। এখানে তাই প্রশ্নটি সরাসরি ‘চীনা কোম্পানি দাম বাড়িয়েছে কি না’ এমন নয়। বরং প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার কেন বর্তমান বিনিময় হারে পুরোনো ডলার ট্যারিফ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, অথচ প্রকল্পের দীর্ঘ বিলম্বের পর ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার চেষ্টা করছে না? মন্ত্রীর ছেলের স্বার্থে নিয়ে অভিযোগ: এই প্রকল্পের আর্থিক শর্ত নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ছেলে আবেদ হাসান মাহমুদের নাম ঘিরেও অভিযোগের আলোচনা রয়েছে। অভিযোগটি হলো, তিনি অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে চীনা কোম্পানিকে প্রকল্পে সুবিধা পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখছেন। বরং আমিনবাজার প্রকল্পে প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে
উঠেছে, কারণ একই প্রকল্প, একই চীনা কোম্পানি এবং একই ডলারভিত্তিক ট্যারিফের ক্ষেত্রে কয়েক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের টাকার হিসাবে ব্যয় প্রায় ১৮ টাকা থেকে ২৫ টাকায় উঠে গেছে। ২০২০-২১ সালে প্রকল্পের অনুমোদন ও চুক্তির প্রক্রিয়া এগোলেও নির্ধারিত সময়ে উৎপাদন শুরু হয়নি। ফলে যে সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা ছিল, সেই সময় পার হয়ে গেছে। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি হলো ডলারের বিপরীতে টাকার ব্যাপক অবমূল্যায়ন। এর ফল সরাসরি পড়ছে এই প্রকল্পের ওপর। ২০২০-২১ সালের হিসাব অনুযায়ী যেখানে প্রতি ইউনিটের টাকার সমপরিমাণ ছিল ১৮ দশমিক ২৯৫ টাকা, বর্তমান বিনিময় হারে সেটি প্রায় ২৫ টাকা। অর্থাৎ
প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বের সময়ে টাকার অবমূল্যায়নের আর্থিক প্রভাব এখন বিদ্যুৎ কেনার ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। দর পুনর্বিবেচনা হলো না কেন? ২০২১ সালের পর শুধু ডলারের বিনিময় হারই বদলায়নি। বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক পরিস্থিতি, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার, প্রযুক্তি, নির্মাণ ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়নের পরিবেশও বদলেছে। তারপরও পুরোনো ডলার ট্যারিফ বহাল রেখে প্রকল্পটি চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি বলা হয়, ২১ দশমিক ৭৮ সেন্টই চুক্তির নির্ধারিত ট্যারিফ এবং সেটি পরিবর্তনের সুযোগ নেই, তাহলে সেই চুক্তির কোন ধারা ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার সুযোগ বন্ধ করেছে, সেটি প্রকাশ করা প্রয়োজন। আর যদি দর পুনর্নির্ধারণের সুযোগ থাকে, তাহলে সেই সুযোগ ব্যবহার করা হলো না কেন, সেটিও প্রশ্ন। কারণ প্রকল্পের মূল
উদ্দেশ্য যদি জনগণের স্বার্থে সাশ্রয়ীভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, তাহলে প্রকল্প বাস্তবায়নে কয়েক বছরের বিলম্বের পর বাংলাদেশের জন্য আর্থিক শর্ত আরও অনুকূল করার চেষ্টা করাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সেই ধরনের কোনো দরকষাকষির তথ্য সামনে আসেনি।
১৮ টাকা ২৯৫ পয়সার সমপরিমাণ ধরা হয়েছিল, কয়েক বছর পর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় সেই টাকার অঙ্ক কেন পুনর্মূল্যায়ন করা হলো না? বরং পুরোনো ডলারদরকে বর্তমান উচ্চ বিনিময় হারে হিসাব করে বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ব্যয়ের বোঝা কেন চাপানো হচ্ছে? আরও বড় প্রশ্ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে এত দীর্ঘ বিলম্বের পর সরকার কি চীনা কোম্পানির সঙ্গে ট্যারিফ কমানো, বিনিময় হারজনিত ঝুঁকি ভাগাভাগি অথবা আর্থিক শর্ত পুনর্নির্ধারণের কোনো চেষ্টা করেছে? প্রকাশ্য তথ্য থেকে এখন পর্যন্ত এর সুস্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ১৮ টাকা থেকে ২৫ টাকার হিসাব: আমিনবাজারে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের প্রস্তাব ২০২০ সালের নভেম্বরে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত অনুমোদন পায়। তখনই বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে ২৫ বছরের জন্য প্রতি ইউনিট ২১ দশমিক ৭৮ মার্কিন সেন্ট বা ১৮ দশমিক ২৯৫ টাকা সমপরিমাণ দরে বিদ্যুৎ কেনার কথা জানানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সিএমইসিকে প্রকল্পের স্পনসর হিসেবে রাখা হয়। প্রকল্পটি বিল্ড-ওন-অপারেট বা বিওও পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের কথা ছিল। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন জমি ও বর্জ্য সরবরাহ করবে এবং সিএমইসি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে। ২০২১ সালের আগস্টেও পিপিএর খসড়ায় প্রতি ইউনিট ২১ দশমিক ৭৮ সেন্ট বা ১৮ দশমিক ২৯৫ টাকা দরের কথা প্রকাশ্যে আসে। অর্থাৎ ট্যারিফটি মূলত ডলারে নির্ধারিত হয়েছিল। ১৮ টাকা ২৯৫ পয়সা ছিল তখনকার বিনিময় হারে তার টাকাভিত্তিক সমপরিমাণ। এখন ডলারের দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে
একই ২১ দশমিক ৭৮ সেন্টকে বর্তমান বিনিময় হারে হিসাব করলে টাকার অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় ২৫ টাকা। এখানে তাই প্রশ্নটি সরাসরি ‘চীনা কোম্পানি দাম বাড়িয়েছে কি না’ এমন নয়। বরং প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার কেন বর্তমান বিনিময় হারে পুরোনো ডলার ট্যারিফ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, অথচ প্রকল্পের দীর্ঘ বিলম্বের পর ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার চেষ্টা করছে না? মন্ত্রীর ছেলের স্বার্থে নিয়ে অভিযোগ: এই প্রকল্পের আর্থিক শর্ত নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ছেলে আবেদ হাসান মাহমুদের নাম ঘিরেও অভিযোগের আলোচনা রয়েছে। অভিযোগটি হলো, তিনি অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে চীনা কোম্পানিকে প্রকল্পে সুবিধা পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখছেন। বরং আমিনবাজার প্রকল্পে প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে
উঠেছে, কারণ একই প্রকল্প, একই চীনা কোম্পানি এবং একই ডলারভিত্তিক ট্যারিফের ক্ষেত্রে কয়েক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের টাকার হিসাবে ব্যয় প্রায় ১৮ টাকা থেকে ২৫ টাকায় উঠে গেছে। ২০২০-২১ সালে প্রকল্পের অনুমোদন ও চুক্তির প্রক্রিয়া এগোলেও নির্ধারিত সময়ে উৎপাদন শুরু হয়নি। ফলে যে সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা ছিল, সেই সময় পার হয়ে গেছে। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি হলো ডলারের বিপরীতে টাকার ব্যাপক অবমূল্যায়ন। এর ফল সরাসরি পড়ছে এই প্রকল্পের ওপর। ২০২০-২১ সালের হিসাব অনুযায়ী যেখানে প্রতি ইউনিটের টাকার সমপরিমাণ ছিল ১৮ দশমিক ২৯৫ টাকা, বর্তমান বিনিময় হারে সেটি প্রায় ২৫ টাকা। অর্থাৎ
প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বের সময়ে টাকার অবমূল্যায়নের আর্থিক প্রভাব এখন বিদ্যুৎ কেনার ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। দর পুনর্বিবেচনা হলো না কেন? ২০২১ সালের পর শুধু ডলারের বিনিময় হারই বদলায়নি। বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক পরিস্থিতি, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার, প্রযুক্তি, নির্মাণ ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়নের পরিবেশও বদলেছে। তারপরও পুরোনো ডলার ট্যারিফ বহাল রেখে প্রকল্পটি চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি বলা হয়, ২১ দশমিক ৭৮ সেন্টই চুক্তির নির্ধারিত ট্যারিফ এবং সেটি পরিবর্তনের সুযোগ নেই, তাহলে সেই চুক্তির কোন ধারা ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার সুযোগ বন্ধ করেছে, সেটি প্রকাশ করা প্রয়োজন। আর যদি দর পুনর্নির্ধারণের সুযোগ থাকে, তাহলে সেই সুযোগ ব্যবহার করা হলো না কেন, সেটিও প্রশ্ন। কারণ প্রকল্পের মূল
উদ্দেশ্য যদি জনগণের স্বার্থে সাশ্রয়ীভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, তাহলে প্রকল্প বাস্তবায়নে কয়েক বছরের বিলম্বের পর বাংলাদেশের জন্য আর্থিক শর্ত আরও অনুকূল করার চেষ্টা করাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সেই ধরনের কোনো দরকষাকষির তথ্য সামনে আসেনি।



