ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনার আমলের ১৮ টাকার চীনা বিদ্যুতের ইউনিট ২৫ টাকা হলো কার স্বার্থে?
হত্যা ও ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দিয়ে ৪ বছর ধরে একক ও দলবদ্ধ ধর্ষণে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
দেশে হামে শিশু মৃত্যু হাজার ছুঁইছুঁই, প্রতিদিনের খুন-ধর্ষণে নেই ভ্রূক্ষেপ, নেপালের বন্যায় শোক ইউনূসের
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন বার্তা
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় শেখ হাসিনার শোক, সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহারের পরামর্শ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণের ৫০ বছর
উচ্চমূল্যে পিটার হাসের কোম্পানির সাথে ইউনূসের চুক্তি সত্ত্বেও এলএনজি সরবরাহে ব্যর্থতা, জ্বালানি সংকটের মূল কারণ
সরকারি গাছ অবৈধভাবে বিক্রি করায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও অবরোধ
মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলাধীন সাহেবরামপুর সংলগ্ন প্রধান সড়কের পাশে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণের মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে সরকারি মালিকানাধীন একটি গাছ ব্যক্তিগত স্বার্থে বিক্রি করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সালাম খান নামক এক স্থানীয় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
তার এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের কথা জানাজানি হলে চরম ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত এলাকাবাসী উক্ত নেতাকে ঘিরে ধরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং তীব্র প্রতিবাদ জানান।
উদ্বেগজনক এই ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে ২৬শে আগস্ট, বুধবার কালকিনি উপজেলার অন্তর্গত সিডিখান ইউনিয়নের মোক্তারহাট এলাকায়।
অভিযুক্ত সালাম খান কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে, মোক্তারহাট অঞ্চলে কালকিনি–সাহেবরামপুর সড়কের পাশে মাথা উঁচু করে থাকা
একটি সরকারি গাছ হঠাৎ কাটতে শুরু করেন মোকলেস মোল্লা নামে পরিচিত এক স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী। স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক বিষয়টি লক্ষ্য করে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বাধা প্রদান করেন। তখন ওই ব্যবসায়ী তাদের জানান যে, তিনি বিএনপি নেতা সালাম খানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে নগদ ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে গাছটি কিনেছেন। এ সংবাদ দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত সালাম খান স্বয়ং সেখানে এসে উপস্থিত হন। তখন বিনা অনুমতিতে সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ উত্থাপন করে স্থানীয় জনতা তাকে চারিদিক থেকে ঘেরাও করে ফেলে এবং সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ করে রাখে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি খাস জমির ওপর বেড়ে ওঠা কোনো গাছ ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিক্রি বা কাটার বিন্দুমাত্র এখতিয়ার কারো নেই।
অথচ উপযুক্ত সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো লিখিত অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র প্রকাশ্যে প্রদর্শন না করেই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গাছটি কেটে ফেলার এই অসাধু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জনতার রোষানলে পড়ে অবরুদ্ধ অবস্থাতেই সালাম খান আত্মপক্ষ সমর্থন করে দাবি করেন যে, ওই নির্দিষ্ট স্থানে জনসাধারণের সুবিধার জন্য একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটির জন্যই নাকি সরকারি অনুমতি সাপেক্ষে গাছটি বিক্রি করা হয়েছে। তবে উপস্থিত জনতার দাবির মুখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সেই তথাকথিত সরকারি অনুমোদনের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত তিনি অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে গাছ কাটার স্বপক্ষে সরকারি অনুমোদনের প্রমাণপত্র দেখানোর জোরালো আশ্বাস প্রদান করলে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা তাকে সেখান থেকে
মুক্তি দেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা আকবর শিকদার, ফরিদ শিকদার এবং জুয়েল চৌকিদার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান, সরকারি গাছ কাটার এই চক্রান্তের বিষয়টি টের পেয়েই তারা সংঘবদ্ধভাবে বাধা প্রদান করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই মুহূর্তে গাছ বিক্রির বৈধ সরকারি অনুমোদন রয়েছে—এমন কোনো দালিলিক প্রমাণপত্র তাদেরকে দেখানো হয়নি। ফলে পরবর্তীতে কাগজ দেখানোর শর্তেই কেবল সালাম খানকে অবরোধ থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, গাছের ক্রেতা মোকলেস মোল্লা নিজের সাফাই গাইতে গিয়ে বলেন, “আমি সালাম খানের কাছ থেকে পুরো ৩৫ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েই গাছটি কিনে কাটা শুরু করেছিলাম। আমাকে জানানো হয়েছিল যে, এই গাছটি বিক্রি করার বৈধ অনুমতি রয়েছে।” অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বিএনপি
নেতা সালাম খান তার পূর্বের দাবিতেই অনড় থেকে বলেন, ওই নির্দিষ্ট এলাকায় একটি যাত্রী ছাউনি গড়ে তোলার প্রকল্প রয়েছে। আর ঠিক সেই কারণেই গাছটি বিক্রি করা হয়েছে। সরকারি পর্যায় থেকে অনুমতি নিয়েই গাছ বিক্রির এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। যদিও তার এই মৌখিক দাবির সমর্থনে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদনপত্র প্রদর্শন করা হয়নি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ উল আরেফীন কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি ওই স্থানে গাছ কাটা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছেন। গাছ বিক্রির ব্যাপারে সত্যিই কোনো সরকারি অনুমোদন রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে। আগামীকালের
মধ্যে যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা গাছ কাটার স্বপক্ষে বৈধ অনুমোদনের কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের দায়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।
একটি সরকারি গাছ হঠাৎ কাটতে শুরু করেন মোকলেস মোল্লা নামে পরিচিত এক স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী। স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক বিষয়টি লক্ষ্য করে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বাধা প্রদান করেন। তখন ওই ব্যবসায়ী তাদের জানান যে, তিনি বিএনপি নেতা সালাম খানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে নগদ ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে গাছটি কিনেছেন। এ সংবাদ দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত সালাম খান স্বয়ং সেখানে এসে উপস্থিত হন। তখন বিনা অনুমতিতে সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ উত্থাপন করে স্থানীয় জনতা তাকে চারিদিক থেকে ঘেরাও করে ফেলে এবং সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ করে রাখে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি খাস জমির ওপর বেড়ে ওঠা কোনো গাছ ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিক্রি বা কাটার বিন্দুমাত্র এখতিয়ার কারো নেই।
অথচ উপযুক্ত সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো লিখিত অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র প্রকাশ্যে প্রদর্শন না করেই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গাছটি কেটে ফেলার এই অসাধু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জনতার রোষানলে পড়ে অবরুদ্ধ অবস্থাতেই সালাম খান আত্মপক্ষ সমর্থন করে দাবি করেন যে, ওই নির্দিষ্ট স্থানে জনসাধারণের সুবিধার জন্য একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটির জন্যই নাকি সরকারি অনুমতি সাপেক্ষে গাছটি বিক্রি করা হয়েছে। তবে উপস্থিত জনতার দাবির মুখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সেই তথাকথিত সরকারি অনুমোদনের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত তিনি অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে গাছ কাটার স্বপক্ষে সরকারি অনুমোদনের প্রমাণপত্র দেখানোর জোরালো আশ্বাস প্রদান করলে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা তাকে সেখান থেকে
মুক্তি দেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা আকবর শিকদার, ফরিদ শিকদার এবং জুয়েল চৌকিদার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান, সরকারি গাছ কাটার এই চক্রান্তের বিষয়টি টের পেয়েই তারা সংঘবদ্ধভাবে বাধা প্রদান করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই মুহূর্তে গাছ বিক্রির বৈধ সরকারি অনুমোদন রয়েছে—এমন কোনো দালিলিক প্রমাণপত্র তাদেরকে দেখানো হয়নি। ফলে পরবর্তীতে কাগজ দেখানোর শর্তেই কেবল সালাম খানকে অবরোধ থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, গাছের ক্রেতা মোকলেস মোল্লা নিজের সাফাই গাইতে গিয়ে বলেন, “আমি সালাম খানের কাছ থেকে পুরো ৩৫ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েই গাছটি কিনে কাটা শুরু করেছিলাম। আমাকে জানানো হয়েছিল যে, এই গাছটি বিক্রি করার বৈধ অনুমতি রয়েছে।” অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বিএনপি
নেতা সালাম খান তার পূর্বের দাবিতেই অনড় থেকে বলেন, ওই নির্দিষ্ট এলাকায় একটি যাত্রী ছাউনি গড়ে তোলার প্রকল্প রয়েছে। আর ঠিক সেই কারণেই গাছটি বিক্রি করা হয়েছে। সরকারি পর্যায় থেকে অনুমতি নিয়েই গাছ বিক্রির এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। যদিও তার এই মৌখিক দাবির সমর্থনে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদনপত্র প্রদর্শন করা হয়নি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ উল আরেফীন কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি ওই স্থানে গাছ কাটা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছেন। গাছ বিক্রির ব্যাপারে সত্যিই কোনো সরকারি অনুমোদন রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে। আগামীকালের
মধ্যে যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা গাছ কাটার স্বপক্ষে বৈধ অনুমোদনের কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের দায়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।



