ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চীনে ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২৫, বেইজিংসহ একাধিক অঞ্চলে সতর্কতা
মোদির বাসভবন ঘেরাওয়ের ডাক কেজরিওয়ালের
প্রেসিডেন্টের শপথের আগেই কলম্বিয়ায় বোমা হামলা, আহত ১১
মাত্র এক দশকেই এলএনজি রপ্তানিকারক সব দেশকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থানে যুক্তরাষ্ট্র
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের পর কাশ্মীরেও বিদ্রোহ দানা বাধছে
বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে বাংলাদেশে ৫ বাক্স আম পাঠালো পাকিস্তান
বাংলাদেশ সরকারের কাছে জাতিসংঘের বিশেষ দূতদের চিঠি: বাংলাদেশে নির্যাতন ও গুম প্রতিরোধে আইনি সংস্কারের আহ্বান
ইরান যাওয়ার পথে মরুভূমিতে ১৯ আফগানের মৃত্যু
ইরানে প্রবেশের চেষ্টার সময় মরুভূমির তীব্র গরমে ও তৃষ্ণায় ১৯ জন আফগান অভিবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। খবর গালফ নিউজের।
আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নিমরোজ প্রদেশের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাদঘিস প্রদেশ থেকে আসা ওই ১৯ জন পুরুষ অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু পথিমধ্যে তীব্র গরম ও পানির অভাবে তারা মরুভূমিতে আটকা পড়েন এবং তৃষ্ণা ও তাপজনিত কারণে মারা যান।
নিমরোজের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক হাবিবুল্লাহ এলহাম জানান, নিখোঁজদের সন্ধানে পরিচালিত উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় নিমরোজের রিগ লালো মরুভূমি থেকে ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে নিকটবর্তী ‘মৃত্যুর উপত্যকা’ নামে পরিচিত দাশ্ত-এ মার্গো মরুভূমি
থেকে আরও ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সর্বশেষ ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে ওই দলের ১৯ জন অভিবাসীরই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়। প্রাদেশিক মুখপাত্র আব্দুল মুতাওয়াকিল তাওয়াহিদি জানান, স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দারা দুর্গম ওই এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে স্থানান্তর করেছেন। নিহত অভিবাসীরা সবাই বাদঘিস প্রদেশের একটি নির্দিষ্ট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মূলত কাজের সন্ধানে ও উন্নত অর্থনৈতিক জীবনের আশায় তারা দেশত্যাগ করে ইরানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। ইরান ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী নিমরোজ প্রদেশটি আফগান অভিবাসীদের জন্য অন্যতম প্রধান একটি ট্রানজিট রুট। তবে বিশাল বালিয়াড়ি, বরফাবৃত নয় বরং রুক্ষ ল্যান্ডস্কেপ এবং গ্রীষ্মকালে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি তাপমাত্রা থাকার কারণে এই অঞ্চলের
মরুভূমি পারাপার অত্যন্ত বিপজ্জনক। মানবাধিকার ও মানবিক সাহায্যকারী সংস্থাগুলো বারবার সতর্ক করে আসছে যে গ্রীষ্মের এই সময়ে মরুভূমি পাড়ি দেওয়ার সময় পানিশূন্যতা, চরম আবহাওয়া এবং অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে অভিবাসীরা মারাত্মক জীবনঝুঁকির মুখে পড়েন। আফগানিস্তান থেকে অবৈধ ও বিপজ্জনক এই অভিবাসন রুটগুলোর ভয়াবহতারই একটি করুণ উদাহরণ এই ঘটনা।
থেকে আরও ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সর্বশেষ ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে ওই দলের ১৯ জন অভিবাসীরই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়। প্রাদেশিক মুখপাত্র আব্দুল মুতাওয়াকিল তাওয়াহিদি জানান, স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দারা দুর্গম ওই এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে স্থানান্তর করেছেন। নিহত অভিবাসীরা সবাই বাদঘিস প্রদেশের একটি নির্দিষ্ট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মূলত কাজের সন্ধানে ও উন্নত অর্থনৈতিক জীবনের আশায় তারা দেশত্যাগ করে ইরানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। ইরান ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী নিমরোজ প্রদেশটি আফগান অভিবাসীদের জন্য অন্যতম প্রধান একটি ট্রানজিট রুট। তবে বিশাল বালিয়াড়ি, বরফাবৃত নয় বরং রুক্ষ ল্যান্ডস্কেপ এবং গ্রীষ্মকালে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি তাপমাত্রা থাকার কারণে এই অঞ্চলের
মরুভূমি পারাপার অত্যন্ত বিপজ্জনক। মানবাধিকার ও মানবিক সাহায্যকারী সংস্থাগুলো বারবার সতর্ক করে আসছে যে গ্রীষ্মের এই সময়ে মরুভূমি পাড়ি দেওয়ার সময় পানিশূন্যতা, চরম আবহাওয়া এবং অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে অভিবাসীরা মারাত্মক জীবনঝুঁকির মুখে পড়েন। আফগানিস্তান থেকে অবৈধ ও বিপজ্জনক এই অভিবাসন রুটগুলোর ভয়াবহতারই একটি করুণ উদাহরণ এই ঘটনা।



