বাংলাদেশ সরকারের কাছে জাতিসংঘের বিশেষ দূতদের চিঠি: বাংলাদেশে নির্যাতন ও গুম প্রতিরোধে আইনি সংস্কারের আহ্বান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩১ July, ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের কাছে জাতিসংঘের বিশেষ দূতদের চিঠি: বাংলাদেশে নির্যাতন ও গুম প্রতিরোধে আইনি সংস্কারের আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ July, ২০২৬ |
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের পাঁচজন বিশেষ পদ্ধতি (Special Procedures) ম্যান্ডেটধারী গত ২৭ জুলাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে একটি যৌথ চিঠি পাঠিয়েছেন (রেফারেন্স: OL BGD 5/2026), যেখানে নির্যাতন, জোরপূর্বক গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার এবং সত্য-ন্যায়বিচার-ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত পাঁচটি ম্যান্ডেটের প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন নির্যাতনবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার অ্যালিস জিল এডওয়ার্ডস, জোরপূর্বক বা অনৈচ্ছিক গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ার-র‍্যাপোর্টিয়ার গ্যাব্রিয়েলা সিত্রনি, বিচারবহির্ভূত হত্যাবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার মরিস টিডবল-বিঞ্জ, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার জিনা রোমেরো এবং সত্য-ন্যায়বিচার-ক্ষতিপূরণ ও পুনরাবৃত্তি না ঘটার নিশ্চয়তাবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার বার্নার্ড দুহেম। চিঠির প্রেক্ষাপট চিঠির শুরুতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান পনেরো বছরের ক্রমবর্ধমান স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়েছে এবং

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি সম্মানের ভিত্তিতে একটি ভিন্ন ভবিষ্যতের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞরা সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপে অংশ নিতে চিঠিটি পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। চিঠিটি সাতটি ভাগে বিভক্ত—আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা, বিদ্যমান আইনি কাঠামোর দুর্বলতা, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) সংস্কার, নির্যাতন প্রতিরোধ প্রক্রিয়া (এনপিএম) প্রতিষ্ঠা, পুলিশ সংস্কার, গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া এবং ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন। প্রধান উদ্বেগগুলো রিমান্ড ও হেফাজতে নিরাপত্তার ঘাটতি: চিঠিতে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির জন্য চিকিৎসা পরীক্ষা, যথাযথ আটক নিবন্ধন, পরিবারকে অবহিত করা কিংবা গ্রেপ্তারের মুহূর্ত থেকে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শের অধিকার নিশ্চিত করার

কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, যা হেফাজতের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় নির্যাতনের ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া সাক্ষ্য আইনের ২৪ ও ২৭ ধারায় থাকা ফাঁকফোকরের কারণে নির্যাতনের মাধ্যমে আদায় করা স্বীকারোক্তি-ভিত্তিক প্রমাণ এখনো আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়ে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। “গণ-মামলা” প্রবণতা: চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রমাণ ছাড়াই বহু নামীয়-বেনামী ব্যক্তিকে আসামি করে ব্যাপক আকারের ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রবণতা রিপোর্ট করা হয়েছে, যা কর্তৃপক্ষকে ব্যাপক নজরদারি ছাড়াই ব্যক্তিদের ওপর চাপ প্রয়োগের সুযোগ দেয়। এনএইচআরসি বিলের ঘাটতি: বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংসদে বিবেচনাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬ পূর্ববর্তী ২০০৯ সালের আইনের দুর্বলতাগুলো (নির্বাহী বিভাগ থেকে স্বাধীনতার অভাব, কমিশনার নিয়োগে সরকারি প্রভাব, নিরাপত্তা বাহিনী তদন্তে সীমিত

ক্ষমতা, আর্থিক স্বায়ত্তশাসনের অভাব) দূর করার বদলে অনেকাংশে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করছে। নির্যাতন প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম): অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে এনএইচআরসিকে এনপিএমের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে, ফলে একটি প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ সংস্কার: ঔপনিবেশিক আমলের পুলিশ আইন ১৮৬১-এর ভিত্তিতে চলা পুলিশ বাহিনীতে কার্যকর জবাবদিহিতা বা স্বাধীন বহিরাগত তদারকির অভাব রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের পুলিশ সংস্কার কমিশন ২২টি আইন সংশোধন বা প্রতিস্থাপনের সুপারিশ করলেও, এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ নতুন সংসদে গৃহীত হয়নি। ২০২৪ সালের বিক্ষোভ দমন: চিঠিতে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) তথ্য অনুসন্ধান প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ২০২৪

সালের বিক্ষোভে সম্ভবত ১,৪০০ জন পর্যন্ত মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই সামরিক রাইফেল ও প্রাণঘাতী ধাতব ছররা-বোঝাই শটগানের ব্যবহারে নিহত হন, আর কয়েক হাজার মানুষ মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক আঘাতে ভুগেছেন। এছাড়া ১১,৭০০-রও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে জানা গেছে, যাদের অনেককে আইনজীবীর সহায়তা বা আদালতে হাজির করা ছাড়াই একা আটকে রাখা হয়েছিল। চিঠিতে সুপারিশ করা হয়েছে, ধাতব ছররাসহ শটগান এবং অন্যান্য সহজাতভাবে নির্বিচার ক্রাউড-কন্ট্রোল অস্ত্রের ওপর ব্যাপক আইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হোক। গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া: গুম তদন্ত কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আনুমানিক ৪,০০০ থেকে ৬,০০০ জোরপূর্বক গুমের ঘটনা

ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে কমিশন তার ৪ জানুয়ারি, ২০২৬-এর প্রতিবেদন প্রকাশের আগে ১,৫৬৯টি স্বতন্ত্র অভিযোগ পেয়েছিল। কমিশন আরও উল্লেখ করেছে যে, রাজনৈতিক পরিচয় জানা গুমের শিকারদের মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশিই পূর্ববর্তী সরকারের বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। “প্রিভেনশন অ্যান্ড রেমেডি অব এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স অ্যাক্ট, ২০২৬”-এর খসড়ায় সংজ্ঞা, মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা, সামরিক এখতিয়ার বাদ না দেওয়াসহ একাধিক ঘাটতি চিহ্নিত করা হয়েছে। পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ: চিঠিতে বলা হয়েছে, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের জরুরি ত্রাণ মডেল স্বাগত পদক্ষেপ হলেও, রাষ্ট্রের পূর্ণ পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনি বাধ্যবাধকতা এখনো পর্যাপ্তভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। ভুক্তভোগীদের মধ্যে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ফিজিওথেরাপির অভাব, অপর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ সেবা এবং আঘাতের

ভুল শ্রেণীবিন্যাসের কারণে অপর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের কাছে ১১টি প্রশ্ন চিঠির শেষাংশে বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে ১১টি নির্দিষ্ট প্রশ্নের জবাব চেয়েছেন—এর মধ্যে রয়েছে এনএইচআরসি ও এনপিএমকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার পরিকল্পনা, স্বাধীন পুলিশ অভিযোগ কর্তৃপক্ষ গঠনের সম্ভাবনা, পুলিশ আইন ১৮৬১ সংস্কারের রূপরেখা, স্বীকারোক্তি-নির্ভরতা কমানোর ব্যবস্থা, বলপ্রয়োগ ও কম-প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ, ২০২৪ সালের ঘটনার প্রমাণ সংরক্ষণ, সাক্ষী-ভুক্তভোগী সুরক্ষা, এবং দায়মুক্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি। চিঠিতে জানানো হয়েছে, এই যোগাযোগ এবং এর জবাব ৪৮ ঘণ্টা পর জাতিসংঘের কমিউনিকেশন রিপোর্টিং ওয়েবসাইটে প্রকাশ্যে প্রকাশিত হবে এবং পরবর্তীতে মানবাধিকার পরিষদে পেশ করা নিয়মিত প্রতিবেদনেও অন্তর্ভুক্ত হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের