ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালাল রিমান্ডে থাকা নারী আসামি, ৫ পুলিশ সাসপেন্ড
পুকুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, পানিতে ডোবার লক্ষণ মেলেনি
রংপুরে চার খুন: ‘পুলিশ ভুল সুইচ চাপায় পানিতে সব ধুয়ে যায়, কোনো ষড়যন্ত্র নেই’—ডিবি
মাদারীপুরে পরিত্যক্ত ঘরে বিকট শব্দে ফাটল বোমা, এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক
বরিশালে লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন: দিনে-রাতে ১০-১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন
মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখিয়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ কিশোর
‘প্রকাশ করায় আমাকে মেরে ফেলতে পারে’
রোহিঙ্গা-ক্যাম্পে দিনদিন বাড়ছে সহিংসতা: মসজিদে যাওয়ার পথে উগ্রবাদী সংগঠন আরসা কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও মাথাচড়া দিয়ে উঠেছে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর রক্তক্ষয়ী আধিপত্য বিস্তার। দুই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তীব্র কোন্দল ও গ্রুপিংয়ের জেরে এবার প্রতিপক্ষের গুলিতে প্রাণ হারালেন চিহ্নিত উগ্রবাদী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) প্রতাপশালী কমান্ডার মো. জুবায়ের (৩৪)।
আজ ৩০শে জুলাই, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়ার ৮-ওয়েস্ট নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ/২৯ ব্লকে ঘটে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। নিহত জুবায়ের ওই ক্যাম্পের রহমত উল্লাহর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার মধ্যরাতে উখিয়ার ইরানী পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন ৮-ওয়েস্ট ক্যাম্পের নিজ ঘর থেকে বের হয়ে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন জুবায়ের। তিনি এইচ/২৯ ব্লকের ইব্রাহিম নামের এক রোহিঙ্গার ঘরের সামনে পৌঁছামাত্রই আগে
থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাকে ঘিরে ফেলে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা জুবায়েরকে লক্ষ্য করে একে একে প্রায় ৫ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ে। গভীর রাতে গুলির বিকট শব্দে পুরো ক্যাম্প জুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুলির শব্দ থামলে স্থানীয় রোহিঙ্গারা রক্তসংক্রান্ত অবস্থায় জুবায়েরকে উদ্ধার করে ক্যাম্প-৮ ওয়েস্টের এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে পথেই তার মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে উখিয়া ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমিন জানান, “প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় দুটি সন্ত্রাসী সংগঠন— আরসা এবং আরএসও-এর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই
অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও এলাকা দখলের গ্রুপিং চলছিল। এই দ্বন্দ্বে জুবায়েরকে টার্গেট করা হতে পারে।” ঘটনার পরপরই ইরানী পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ঘাতকদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে এপিবিএন।
থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাকে ঘিরে ফেলে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা জুবায়েরকে লক্ষ্য করে একে একে প্রায় ৫ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ে। গভীর রাতে গুলির বিকট শব্দে পুরো ক্যাম্প জুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুলির শব্দ থামলে স্থানীয় রোহিঙ্গারা রক্তসংক্রান্ত অবস্থায় জুবায়েরকে উদ্ধার করে ক্যাম্প-৮ ওয়েস্টের এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে পথেই তার মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে উখিয়া ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমিন জানান, “প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় দুটি সন্ত্রাসী সংগঠন— আরসা এবং আরএসও-এর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই
অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও এলাকা দখলের গ্রুপিং চলছিল। এই দ্বন্দ্বে জুবায়েরকে টার্গেট করা হতে পারে।” ঘটনার পরপরই ইরানী পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ঘাতকদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে এপিবিএন।



