ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজনৈতিক বাধা সরিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো সাফ সভাপতি সালাউদ্দিন
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা ও সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ফেনীতে ছাত্রলীগের মিছিল
বন্যার্তদের বঞ্চিত করে ত্রাণের চাল বিক্রি: কাপ্তাইয়ে গাড়ি ও চালসহ হাতেনাতে আটক বিএনপি সভাপতি
সিলেটে পরপর দুবার এনসিপির শীর্ষ নেতাদের গাড়িবহরে হামলা
ঘটনাস্থলে না থেকেও জুলাই মামলা: আদালতে আত্মসমর্পণ ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ নেতার
হেফাজতের শাপলা সমাবেশের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার
যশোরে জামায়াত এমপি অধ্যাপক গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও, মহাসড়ক অবরোধ
২০ বছর ধরে মৃত সহকর্মীর বেতন তুলে খেয়েছেন ‘সৎ লোকের শাসন’ চাওয়া জামায়াতের নেতা
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একই নামের এক মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে প্রায় ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
একই সঙ্গে ঘটনা ধামাচাপা দিতে ঘুষ প্রদান ও জালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভের অভিযোগও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে “সৎ লোকের শাসন চাই”- স্লোগান ব্যবহার করা জামায়াতে ইসলামীর নেতার এমন অসৎ কর্ম, লুটপাট ও অনৈতিক চরিত্রের মুখোশ উন্মোচিত হওয়ায় স্থানীয়রা তার বিচার ও শাস্তি দাবি করেছেন।
সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান।
তবে এ ঘটনায় মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধেও তার দেওয়া ঘুষের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন অভিযুক্ত ওই জামায়াত নেতা-শিক্ষক। লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ সালের ১৩ই মার্চ মো. মহিউদ্দিন নামে অপর এক ব্যক্তি জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে মাদ্রাসাটিতে নিয়োগ পান। তার ইনডেক্স নম্বর ছিল ৩৬৪৭৭৬ এবং ব্যাংক হিসাব নম্বর ছিল ৪৬০৬। ২০২৫ সালে ওই শিক্ষকের মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হয়ে যায়। অন্যদিকে তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মহিউদ্দিন, যার পিতা আছমত আলী মহাজন এবং যার নিজস্ব ইনডেক্স নম্বর ৬০২৭৮২ ও ব্যাংক হিসাব নম্বর ৪৫৭৭, তিনি ২০০৬ সালের ৭ই অক্টোবর সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০০৫ সালে
শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরও তথ্য গোপন করে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। একই নামের সুযোগ নিয়ে মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সরকারি অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেও জুনিয়র শিক্ষক পদের বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এমপিও শিটে মহিউদ্দিনের ইনডেক্সের বিপরীতে মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব নম্বর ৪৬০৬ প্রদর্শিত হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন। তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো
হচ্ছে। তার ভাষ্য, “ব্যাংক হিসাব নম্বর এক হলেও” ওই হিসাব থেকে তিনি কখনও বেতন উত্তোলন করেননি। নিয়োগের সময়ও তিনি কোনো তথ্য গোপন করেননি। বেতন ইস্যুর দায়িত্ব মাদ্রাসার সুপার ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির, তাই নিজ উদ্যোগে বেতন তোলার সুযোগ তার ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। পাল্টা অভিযোগ করে মো. মহিউদ্দিন বলেন, ২০১৮ সালে সমস্যা সমাধানের কথা বলে মাদ্রাসার সুপার তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। পরে তিনি ৩ লাখ টাকা দিলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। পরবর্তীতে ওই টাকা ফেরত চাইতেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান বলেন, বর্তমানে এমপিও শিটে ৬০২৭৮২ ইনডেক্সের বিপরীতে ৪৬০৬ নম্বর ব্যাংক হিসাবে
সহকারী শিক্ষক মহিউদ্দিনের নাম রয়েছে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টি জানতে পারলেও বিভিন্ন কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে বিলম্ব হয়েছে বলে জানান। তবে মহিউদ্দিনের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
তবে এ ঘটনায় মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধেও তার দেওয়া ঘুষের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন অভিযুক্ত ওই জামায়াত নেতা-শিক্ষক। লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ সালের ১৩ই মার্চ মো. মহিউদ্দিন নামে অপর এক ব্যক্তি জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে মাদ্রাসাটিতে নিয়োগ পান। তার ইনডেক্স নম্বর ছিল ৩৬৪৭৭৬ এবং ব্যাংক হিসাব নম্বর ছিল ৪৬০৬। ২০২৫ সালে ওই শিক্ষকের মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হয়ে যায়। অন্যদিকে তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মহিউদ্দিন, যার পিতা আছমত আলী মহাজন এবং যার নিজস্ব ইনডেক্স নম্বর ৬০২৭৮২ ও ব্যাংক হিসাব নম্বর ৪৫৭৭, তিনি ২০০৬ সালের ৭ই অক্টোবর সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০০৫ সালে
শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরও তথ্য গোপন করে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। একই নামের সুযোগ নিয়ে মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সরকারি অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেও জুনিয়র শিক্ষক পদের বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এমপিও শিটে মহিউদ্দিনের ইনডেক্সের বিপরীতে মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব নম্বর ৪৬০৬ প্রদর্শিত হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন। তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো
হচ্ছে। তার ভাষ্য, “ব্যাংক হিসাব নম্বর এক হলেও” ওই হিসাব থেকে তিনি কখনও বেতন উত্তোলন করেননি। নিয়োগের সময়ও তিনি কোনো তথ্য গোপন করেননি। বেতন ইস্যুর দায়িত্ব মাদ্রাসার সুপার ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির, তাই নিজ উদ্যোগে বেতন তোলার সুযোগ তার ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। পাল্টা অভিযোগ করে মো. মহিউদ্দিন বলেন, ২০১৮ সালে সমস্যা সমাধানের কথা বলে মাদ্রাসার সুপার তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। পরে তিনি ৩ লাখ টাকা দিলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। পরবর্তীতে ওই টাকা ফেরত চাইতেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান বলেন, বর্তমানে এমপিও শিটে ৬০২৭৮২ ইনডেক্সের বিপরীতে ৪৬০৬ নম্বর ব্যাংক হিসাবে
সহকারী শিক্ষক মহিউদ্দিনের নাম রয়েছে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টি জানতে পারলেও বিভিন্ন কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে বিলম্ব হয়েছে বলে জানান। তবে মহিউদ্দিনের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।



