ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শহীদুল্লাহ্ হলের শিবিরের এজিএসের কক্ষে সমকামিতায় লিপ্ত দুই কর্মী আটক
প্রাথমিকে ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষকের যোগদান শুরু অক্টোবরে
ঢাবির ৬ অধ্যাপককে অব্যাহতি, সাদেকা হালিমকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত
ঢাবির ‘নীল দলের’ ২৩১ শিক্ষকের বিচার চাইলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা
ঢাবি শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে গিয়ে তৃতীয় লিঙ্গদের হেনস্তার শিকার এ বি জুবায়ের
সভা চলাকালে ‘সিন্ডিকেট ঘেরাও’ কর্মসূচি ডাকসু নেতাদের
আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে
‘শয়তানের ধোঁকায় পড়ে ওইসব করছিলাম, অন্যরা দেখে ফেলায় কাজ শেষ করতে পারিনি’, শিবির কর্মীর ভাষ্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল সংসদের শিবির প্যানেলের সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ইব্রাহীম খলিলের কক্ষে বাইরে থেকে আসা দুই শিবির কর্মীর সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পেরিয়ে সারা দেশের শিক্ষাঙ্গনে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।
এই ঘটনার একটি ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর শিবির নেতা ইব্রাহীম খলিলের সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় হল প্রশাসন ইব্রাহীম খলিলের আবাসিক সিটটি সাময়িকভাবে বাতিল ঘোষণা করেছে এবং পুরো বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গতকাল ১লা আগস্ট, শনিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে দেখা যায়, গত ২৭শে জুলাই শিবির নেতা ইব্রাহীম খলিলের কক্ষে রাতযাপন করা দুই কর্মী তাদের অনৈতিক ও
সমকামী কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন শিক্ষার্থীদের সামনে। ভিডিওচিত্রটি না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে তাদের ক্ষমা চাইতেও দেখা যায় সেখানে। শিবির নেতা খলিলের রুমমেট ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এনসিপি কর্মী অনয় চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে জানান, গত ২৭শে জুলাই খলিলের কক্ষে এসে ওঠে ওই দুই কর্মী। পরে তাদের সেখানে আপত্তিকর ও অন্তরঙ্গ অবস্থায় পাওয়া যায়। অনয় জানান, উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তি ধারণ করলেও ঘটনার স্পর্শকাতরতার কারণে পুরো ভিডিও প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যক্ষদর্শীদের নাম-পরিচয় গোপনীয় রাখা হয়েছে। সমালোচনার মুখে পড়ে ফেসবুকে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে শিবির নেতা ইব্রাহীম খলিল দাবি করেন, ঘটনাটির ব্যাপারে তিনি কিছুই জানতেন না। তিনি
জানান, ঢাকায় আসা সেই ব্যক্তিকে তার কক্ষে থাকার অনুমতি দেন তিনি। ঘটনার সময়ে তিনি কক্ষে ছিলেন না। বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে ওই দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এজিএস ইব্রাহীম খলিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি একটি অডিও কল রেকর্ড সরবরাহ করেন। কথোপকথনে দুই সমকামী সঙ্গীর একজনকে বলতে শোনা যায়, তারা ‘শয়তানের ধোঁকা’য় পড়ে উক্ত কর্মে লিপ্ত হন, কিন্তু ‘কাজ’ শেষ করার পূর্বেই রুমমেট এসে দেখে ফেলায় তা ভেস্তে যায়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে গুপ্ত সংগঠন শিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে শহীদুল্লাহ হলের এজিএস পদে জয়লাভ করেছিলেন ইব্রাহীম খলিল। তিনি সংগঠনটির সক্রিয় কর্মী বলে
ঢাবি শাখা শিবির সভাপতি মহিউদ্দিন খান নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে হল প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলাম ভূইয়া জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খলিলের সিটটি সাময়িক বাতিল করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই শেষে চুড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হল সংসদের ভূমিকার বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) তৌকির হাসান জানান, খলিলের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়া হয়েছে। এজিএস ও তার রুমমেটের বক্তব্য বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে হলের পুকুরপাড়ে জমায়েত হয়ে মিছিল ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন একদল শিক্ষার্থী।
সমকামী কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন শিক্ষার্থীদের সামনে। ভিডিওচিত্রটি না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে তাদের ক্ষমা চাইতেও দেখা যায় সেখানে। শিবির নেতা খলিলের রুমমেট ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এনসিপি কর্মী অনয় চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে জানান, গত ২৭শে জুলাই খলিলের কক্ষে এসে ওঠে ওই দুই কর্মী। পরে তাদের সেখানে আপত্তিকর ও অন্তরঙ্গ অবস্থায় পাওয়া যায়। অনয় জানান, উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তি ধারণ করলেও ঘটনার স্পর্শকাতরতার কারণে পুরো ভিডিও প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যক্ষদর্শীদের নাম-পরিচয় গোপনীয় রাখা হয়েছে। সমালোচনার মুখে পড়ে ফেসবুকে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে শিবির নেতা ইব্রাহীম খলিল দাবি করেন, ঘটনাটির ব্যাপারে তিনি কিছুই জানতেন না। তিনি
জানান, ঢাকায় আসা সেই ব্যক্তিকে তার কক্ষে থাকার অনুমতি দেন তিনি। ঘটনার সময়ে তিনি কক্ষে ছিলেন না। বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে ওই দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এজিএস ইব্রাহীম খলিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি একটি অডিও কল রেকর্ড সরবরাহ করেন। কথোপকথনে দুই সমকামী সঙ্গীর একজনকে বলতে শোনা যায়, তারা ‘শয়তানের ধোঁকা’য় পড়ে উক্ত কর্মে লিপ্ত হন, কিন্তু ‘কাজ’ শেষ করার পূর্বেই রুমমেট এসে দেখে ফেলায় তা ভেস্তে যায়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে গুপ্ত সংগঠন শিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে শহীদুল্লাহ হলের এজিএস পদে জয়লাভ করেছিলেন ইব্রাহীম খলিল। তিনি সংগঠনটির সক্রিয় কর্মী বলে
ঢাবি শাখা শিবির সভাপতি মহিউদ্দিন খান নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে হল প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলাম ভূইয়া জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খলিলের সিটটি সাময়িক বাতিল করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই শেষে চুড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হল সংসদের ভূমিকার বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) তৌকির হাসান জানান, খলিলের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়া হয়েছে। এজিএস ও তার রুমমেটের বক্তব্য বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে হলের পুকুরপাড়ে জমায়েত হয়ে মিছিল ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন একদল শিক্ষার্থী।



