ঢাবিতে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট বক্তা আনার নেপথ্যে শিবির, অন্ধকারে হল কর্তৃপক্ষ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ August, ২০২৬

ঢাবিতে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট বক্তা আনার নেপথ্যে শিবির, অন্ধকারে হল কর্তৃপক্ষ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ August, ২০২৬ |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলে একসময়ের জঙ্গি-সংশ্লিষ্ট অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া আসিফ আদনানকে নিয়ে বক্তৃতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ছাত্রশিবির-সমর্থিত হল ছাত্র সংসদ। হল কর্তৃপক্ষকে অন্ধকারে রেখে গোপনে এই আয়োজন করা হয়েছিল বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। ২০১৪ সালের গ্রেপ্তার ও পটভূমি ২০১৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের নাগরিক ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সামিউন রহমানকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তখন সদ্য উত্থিত জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএসিস) এবং আল-কায়েদার মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক শাখা জাবহাত আল-নুসরার হয়ে সিরিয়া-ইরাকে যুদ্ধ করার জন্য লোক নিয়োগের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর চার দিন আগে পুলিশ ঢাকা থেকে দুই যুবক আসিফ আদনান ও ফজলে ইলাহী তানজিলকে তাদের নিজ

নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে, সামিউনের সঙ্গে তাদের ইলেকট্রনিক বার্তা আদান-প্রদানের সূত্র ধরে। আসিফ একজন সাবেক হাইকোর্ট বিচারপতির ছেলে, আর তানজিল একজন অবসরপ্রাপ্ত শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার ছেলে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসিফ ও তানজিলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সামিউনকে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই তাদের সম্পৃক্ততা ও পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছিলেন বলে জানা যায়। এই ঘটনার পাশাপাশি আরও কয়েকজনকে আইএসে যোগ দিতে দেশত্যাগের আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৪-এ গ্রেপ্তারের পর পুলিশ হেফাজতে অন্যান্য সন্ত্রাসী সন্দেহভাজনদের সাথে আসিফ আদনান (লাল বৃত্তাকার)। সিরিয়া-ইরাক যুদ্ধের সময়কালে এই গ্রেপ্তারগুলো ঘটেছিল, যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শত শত তরুণ-তরুণী আইএস ও আল-কায়েদার বিভিন্ন শাখার

হয়ে যুদ্ধ করতে সেখানে পাড়ি জমাচ্ছিলেন। ২০১৪ সালের ৪ জুলাই ইরাকের মসুল শহর থেকে আইএস নেতা আবু বকর আল-বাগদাদির খিলাফত প্রতিষ্ঠার ডাকে সাড়া দিয়ে বেশ কয়েকশ বাংলাদেশিও ওই সংঘাতে যোগ দিয়েছিলেন, যাদের অনেকেই যুদ্ধে প্রাণ হারান। তদন্তকারীদের বরাতে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে পড়াশোনা করা আসিফ এবং এ-লেভেল সম্পন্ন করা তানজিল তাবলিগ জামাতের আড়ালে সিরিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন — যে সংগঠনটি শান্তিপূর্ণ ইসলামি কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত। জামিন, মামলা খারিজ এবং প্রচারক হিসেবে উত্থান একজন সাবেক হাইকোর্ট বিচারপতির ছেলে হওয়ায় আসিফের জামিন পেতে তেমন বেগ পেতে হয়নি। শুধু তা-ই নয়, পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাও খারিজ হয়ে যায়। কারামুক্তির পর

আসিফ ইসলাম প্রচারে মনোনিবেশ করেন, বিশেষত কিশোর-তরুণদের মধ্যে। তিনি ফেসবুকে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ও পেজ পরিচালনা করে নিজের মতাদর্শ প্রচার করতে থাকেন এবং ধীরে ধীরে বিপুলসংখ্যক তরুণের মধ্যে একজন মতাদর্শিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সক্রিয়তা ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আসিফ আরও সোচ্চার ও সক্রিয় হয়ে ওঠেন। সমমনা ব্যক্তিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, যেসবের মাধ্যমে তিনি সূক্ষ্মভাবে তার উগ্র মতাদর্শ প্রচার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তার লেকচারে ভরপুর, পাশাপাশি নিজের মতাদর্শ প্রচারের জন্য তিনি বেশ কয়েকটি বইও লিখেছেন। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় পিএইচডি করছেন আসিফ, যিনি নিজেকে

পতিত সরকারের নিপীড়নের শিকার দাবি করে নিজের নির্দোষ হওয়ার কথা বলে আসছেন। অমর একুশে হলে বক্তৃতা অনুষ্ঠান বিশেষভাবে উদ্বেগজনক ও বিপজ্জনক বিষয় হলো, জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির এখন আসিফকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে, তাকে শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের শিকার এক নিরপরাধ ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরে। রোববার আসিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলে “এআই, ট্রান্সহিউম্যানিজম ও ইসলাম: বিশ্বাস, নীতিশাস্ত্র ও প্রযুক্তির মাধ্যমে মানবতার ভবিষ্যৎ অন্বেষণ” শীর্ষক একটি বক্তৃতা প্রদানের জন্য উপস্থিত হন। শিবির-সমর্থিত একুশে হল ছাত্র সংসদ এই আলোচনার আয়োজন করে এবং হল কর্তৃপক্ষকে না জানিয়েই আসিফকে আমন্ত্রণ জানায়। অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি নেওয়া হলেও আসিফের অংশগ্রহণের তথ্য গোপন রাখা হয়েছিল। অস্বীকার

ও প্রমাণ রোববার রাতে হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি রবিউল ইসলাম দাবি করেন, তিনি বা সংসদ এই আলোচনার আয়োজন করেননি এবং এটি সাধারণ শিক্ষার্থীরা আয়োজন করেছেন। তবে টাইমস অব বাংলাদেশের অনুসন্ধানে তার এই দাবির বিপরীতে প্রমাণ পাওয়া গেছে। হলের “একুশে স্নোবল” নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আদান-প্রদান হওয়া বার্তা থেকে দেখা যায়, রবিউল ও হল ছাত্র সংসদের সাহিত্য সম্পাদক ফাহিম শাহরিয়ার এই অনুষ্ঠানের নেপথ্যে ছিলেন। বহিরাগতরা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন কি না — তালাল তাহমিদের এমন প্রশ্নের জবাবে গ্রুপে রবিউল লেখেন, “পরিচিত কাউকে চিনলে নিয়ে আসো।” এছাড়া ফাহিমও গ্রুপে আসিফের একটি লেকচারের ভিডিও শেয়ার করে শিক্ষার্থীদের আলোচনায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান। হলের শিক্ষার্থীরা জানান, রবিউল ও

ফাহিম উভয়েই শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত, যদিও দুজনেই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আয়োজক ও হলে বসবাসরত শিক্ষার্থীরা জানান, অনুষ্ঠানে উপস্থিত আনুমানিক ২২০ জন অংশগ্রহণকারীর প্রায় অর্ধেকই ছিলেন বহিরাগত। শিক্ষার্থীরা বলেন, তারা আগে কখনও এদের অনেককেই হলে দেখেননি। এই ঘটনা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি করে। প্রাধ্যক্ষের বক্তব্য হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, হলে যেকোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। টাইমসকে তিনি বলেন, “আমাকে আলোচনার বিষয়ে জানানো হয়েছিল, কিন্তু আসিফ আদনান যে সেখানে উপস্থিত থাকবেন তা আমি জানতাম না। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর আমি এটি বন্ধ করে দিই।” নিরাপত্তা প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ আসিফের অতীতে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এবং বাংলাদেশে আল-কায়েদার মতাদর্শ প্রচারের অভিযোগ থাকায় এই ঘটনা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আল-কায়েদার বাংলাদেশে সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই আসিফের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সফর ও অমর একুশে হলে বক্তৃতার এই ঘটনা ঘটল। এই ঘটনা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাংবাদিকদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে যে, আসিফের মতো একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে কীভাবে একটি বিশ্ববিদ্যালয় হলে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক টাইমসকে বলেন, “ফেসবুকে দেখেছিলাম রোববার আসিফ অমর একুশে হলে আসবেন। বিশ্বাস করিনি। তিনি সত্যিই এলে আমি হতবাক হয়ে যাই।” অনেক শিক্ষার্থীও এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, তবে বিষয়টির স্পর্শকাতরতার কারণে কেউই নিজের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। (তথ্যসূত্র: টাইমস অব বাংলাদেশ)

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের