ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাইবার শিকান: ইরানের যে ক্ষেপণাস্ত্র ঘুম কেড়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের
৪ কোটি ডলার পরিশোধ না করেই বাংলাদেশ থেকে পণ্য ক্রয় বন্ধ করল ইউরোপের ব্র্যান্ড এলপিপি
চীনে ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২৫, বেইজিংসহ একাধিক অঞ্চলে সতর্কতা
ইরান যাওয়ার পথে মরুভূমিতে ১৯ আফগানের মৃত্যু
মোদির বাসভবন ঘেরাওয়ের ডাক কেজরিওয়ালের
প্রেসিডেন্টের শপথের আগেই কলম্বিয়ায় বোমা হামলা, আহত ১১
মাত্র এক দশকেই এলএনজি রপ্তানিকারক সব দেশকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থানে যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশ আসিয়ানের সদস্যপদ পাবে না, জানিয়ে দিলেন মহাসচিব কাও কিম
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কার্যত নেই বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাসচিব কাও কিম হোর্ন।
তার ভাষ্য, বর্তমান আসিয়ান সনদ অনুযায়ী ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ও পাপুয়া নিউগিনি (পিএনজি) সদস্যপদের যোগ্যতা পূরণ করে না। ফলে সনদে পরিবর্তন না এলে এ দুই দেশের সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই।
সম্প্রতি ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ১০ম আসিয়ান মিডিয়া ফোরামে এ মন্তব্য করেন কাও কিম হোর্ন। গত ৩১শে জুলাই ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম জাকার্তা গ্লোব এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
আসিয়ানের মহাসচিব বলেন, তিমুর-লেস্তেকে অন্তর্ভুক্ত করার মধ্য দিয়ে জোটটির সম্প্রসারণ কার্যত সম্পন্ন হয়েছে। আসিয়ান সনদ অনুযায়ী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত স্বীকৃত ১১টি দেশই এখন জোটটির সদস্য।
বাংলাদেশ
দক্ষিণ এশিয়ার অংশ এবং পাপুয়া নিউগিনি ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় বর্তমান নিয়মে তারা সদস্য হওয়ার সুযোগ পায় না। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বা পাপুয়া নিউগিনিকে সদস্য করতে হলে প্রথমে আসিয়ান সনদ সংশোধন করতে হবে। এ ধরনের সংশোধনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সম্মতি প্রয়োজন। ভৌগোলিক সংজ্ঞায় পরিবর্তন না হলে বর্তমান সদস্যসংখ্যা অপরিবর্তিত থাকবে বলেও জানান তিনি। আসিয়ান সনদে যা বলা হয়েছে আসিয়ান সনদে নতুন সদস্য হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে উল্লেখ রয়েছে, আবেদনকারী দেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বীকৃত ভৌগোলিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। এই বিধানই নতুন সদস্য গ্রহণের ক্ষেত্রে আইনি ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় এবং পাপুয়া নিউগিনি ওশেনিয়ায় অবস্থিত হওয়ায় বর্তমান সনদের আওতায়
তাদের সদস্যপদ অর্জনের সুযোগ নেই। দীর্ঘ ১৩ বছরের প্রচেষ্টার পর গত বছর আসিয়ানের সর্বশেষ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় তিমুর-লেস্তে। ২০১১ সাল থেকে দেশটি সদস্যপদের জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। দীর্ঘ এই অপেক্ষা প্রসঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা একসময় রসিকতা করে বলেছিলেন, “আসিয়ানে প্রবেশের চেয়ে স্বর্গে যাওয়া সহজ।” বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাংলাদেশও দীর্ঘদিন ধরে আসিয়ানের সদস্যপদ অর্জনের লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। গত বছর মালয়েশিয়া আসিয়ানের চেয়ারম্যান থাকাকালে ঢাকা কুয়ালালামপুরের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করে। অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো প্রকাশ্যে পাপুয়া নিউগিনির সদস্যপদের পক্ষে মত দিয়েছেন। ২০২৫ সালের কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আসিয়ান বৈঠকে তিনি বলেন, আঞ্চলিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আরও শক্তিশালী আসিয়ান গড়ে তুলতে পাপুয়া নিউগিনির সদস্যপদের বিষয়টি বিবেচনা করা
উচিত।
দক্ষিণ এশিয়ার অংশ এবং পাপুয়া নিউগিনি ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় বর্তমান নিয়মে তারা সদস্য হওয়ার সুযোগ পায় না। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বা পাপুয়া নিউগিনিকে সদস্য করতে হলে প্রথমে আসিয়ান সনদ সংশোধন করতে হবে। এ ধরনের সংশোধনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সম্মতি প্রয়োজন। ভৌগোলিক সংজ্ঞায় পরিবর্তন না হলে বর্তমান সদস্যসংখ্যা অপরিবর্তিত থাকবে বলেও জানান তিনি। আসিয়ান সনদে যা বলা হয়েছে আসিয়ান সনদে নতুন সদস্য হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে উল্লেখ রয়েছে, আবেদনকারী দেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বীকৃত ভৌগোলিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। এই বিধানই নতুন সদস্য গ্রহণের ক্ষেত্রে আইনি ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় এবং পাপুয়া নিউগিনি ওশেনিয়ায় অবস্থিত হওয়ায় বর্তমান সনদের আওতায়
তাদের সদস্যপদ অর্জনের সুযোগ নেই। দীর্ঘ ১৩ বছরের প্রচেষ্টার পর গত বছর আসিয়ানের সর্বশেষ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় তিমুর-লেস্তে। ২০১১ সাল থেকে দেশটি সদস্যপদের জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। দীর্ঘ এই অপেক্ষা প্রসঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা একসময় রসিকতা করে বলেছিলেন, “আসিয়ানে প্রবেশের চেয়ে স্বর্গে যাওয়া সহজ।” বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাংলাদেশও দীর্ঘদিন ধরে আসিয়ানের সদস্যপদ অর্জনের লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। গত বছর মালয়েশিয়া আসিয়ানের চেয়ারম্যান থাকাকালে ঢাকা কুয়ালালামপুরের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করে। অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো প্রকাশ্যে পাপুয়া নিউগিনির সদস্যপদের পক্ষে মত দিয়েছেন। ২০২৫ সালের কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আসিয়ান বৈঠকে তিনি বলেন, আঞ্চলিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আরও শক্তিশালী আসিয়ান গড়ে তুলতে পাপুয়া নিউগিনির সদস্যপদের বিষয়টি বিবেচনা করা
উচিত।



