৪ কোটি ডলার পরিশোধ না করেই বাংলাদেশ থেকে পণ্য ক্রয় বন্ধ করল ইউরোপের ব্র্যান্ড এলপিপি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ August, ২০২৬

৪ কোটি ডলার পরিশোধ না করেই বাংলাদেশ থেকে পণ্য ক্রয় বন্ধ করল ইউরোপের ব্র্যান্ড এলপিপি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ August, ২০২৬ |
রুশ ক্রেতা এফইএস রিটেইলের মাধ্যমে সরবরাহ করা পোশাকের প্রায় ৪ কোটি (৪০ মিলিয়ন) ডলারের বকেয়া অর্থ পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে বাংলাদেশ থেকে নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিত করেছে পোল্যান্ডভিত্তিক পোশাক ব্র্যান্ড এলপিপি। এতে দেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ৩০শে জুলাই বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এলপিপি জানায়, ভবিষ্যৎ সোর্সিং কৌশল পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে নতুন ক্রয়াদেশ দেওয়া এবং নতুন পণ্য উন্নয়নসংক্রান্ত কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হচ্ছে। একই সময়ে অন্যান্য দেশে উৎপাদন সক্ষমতা ও বিকল্প সোর্সিংয়ের সুযোগও মূল্যায়ন করবে প্রতিষ্ঠানটি। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এ বিরোধে দেশের প্রায় ৪০টি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ও বায়িং হাউস জড়িত। তারা এলপিপির নিশ্চয়তার ভিত্তিতে রাশিয়ার এফইএস

রিটেইলের জন্য পোশাক রপ্তানি করেছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে পণ্যের মূল্য পরিশোধ না হওয়ায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আইনি পদক্ষেপ নেয়। রপ্তানিকারকদের ভাষ্য, আলোচনায় বসার আগে ওই মামলাগুলো প্রত্যাহারের শর্ত দিয়েছে এলপিপি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ায় সরাসরি ব্যবসা পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হলে এলপিপি এফইএস রিটেইলের মাধ্যমে ক্রয়াদেশ ও অর্থপরিশোধের ব্যবস্থা চালু করে। শুরুতে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করা হলেও গত প্রায় ১৮ মাস ধরে অর্থপ্রদান বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রপ্তানিকারকেরা। পরে চলতি বছরের শুরুতে এলপিপি জানায়, এফইএস রিটেইলের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এরপরই বকেয়া অর্থ পরিশোধ নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়। খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, এলপিপি প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে ৭০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের পোশাক সংগ্রহ

করত। বিরোধের সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এলপিপির নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিতের চিঠি তারা পেয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়া এলপিপির ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত। তবে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের পাওনা পরিশোধে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে এলপিপিকে বাংলাদেশে কালো তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিষয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের বিভিন্ন ফোরাম এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছেও তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি। মোহাম্মদ হাতেমের ভাষ্য, যেসব ক্রেতা চুক্তি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করে না, তাদের ছাড়া দেশের পোশাক শিল্প আরও ভালোভাবে এগোতে পারবে। এ

বিরোধের কারণে ইতোমধ্যে কয়েকটি কারখানা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল হামিদ বলেন, বছরে ৭০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের পোশাক সংগ্রহকারী এমন একটি বড় ক্রেতাকে হারাতে চায় না বাংলাদেশ। তবে একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানিকারকদের স্বার্থও রক্ষা করতে হবে। তিনি জানান, একপর্যায়ে এলপিপি বকেয়া অর্থ ৫০ শতাংশ ছাড় দিয়ে পরিশোধের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু এত বড় ছাড় মেনে নেওয়া অধিকাংশ রপ্তানিকারকের পক্ষে সম্ভব নয়। রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, এলপিপির নিশ্চয়তার ভিত্তিতেই তারা রুশ ক্রেতার কাছে পণ্য সরবরাহ করেছিলেন। গত দেড় বছর ধরে পাওনা আদায়ে তারা বারবার চিঠি ও ই-মেইল পাঠালেও কেবল আশ্বাস মিলেছে, বাস্তবে কোনো অর্থ পরিশোধ

হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে তারা আদালতের শরণাপন্ন হন। যদিও মামলা প্রত্যাহার করা হলে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত বলে এলপিপি জানিয়েছে। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে এলপিপির বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বকেয়া অর্থ আটকে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন অনেক রপ্তানিকারক। হেজাজ সোয়েটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর হোসেন জানান, তার প্রতিষ্ঠান প্রায় ৪৯ হাজার ডলার মূল্যের পোশাক উৎপাদন করলেও অর্থ পরিশোধ অনিশ্চিত হওয়ায় পণ্যগুলো এক বছরের বেশি সময় ধরে গুদামে পড়ে আছে। কাঁচামাল ও শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করলেও সেই বিনিয়োগ ফেরত পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই বলে তিনি জানান। একইভাবে শ্রাবণী নিটওয়্যার জানিয়েছে, তারা প্রায় ৭০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং আরও প্রায়

৩০ হাজার ডলারের পণ্য গুদামে মজুত রয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো অর্থ পায়নি প্রতিষ্ঠানটি। কয়েকজন রপ্তানিকারকের ধারণা, অর্থপরিশোধ নিয়ে চলমান বিরোধে বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এলপিপি নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে তাদের মতে, প্রতিযোগী অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখনো বৈশ্বিক পোশাক সংগ্রহের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল উৎপাদনকেন্দ্র।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের