ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতকে এড়াতে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর বিকল্প নেই জ্যোতিদের
সিরিয়ার কাছে তিন গোলের হার বাংলাদেশের
সিঙ্গাপুরে চার জাতি টুর্নামেন্ট: ব্রাজিলের মুখোমুখি জাপান
‘গোট’ বিতর্কে মেসির পোস্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা
মেসিকে বিদায়ী সম্মাননা জানাতে বিশেষ উদ্যোগ নিল আর্জেন্টিনা
এশিয়ান গেমসের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন শান্ত
হামজার দারুণ অভিষেকের রাতে শেফিল্ডের জয়
গাঁজার গন্ধে খেলা বন্ধ: বিতর্কের মাঝেই ইউএস ওপেনের চতুর্থ রাউন্ডে সাবালেঙ্কা
ইউএস ওপেনে নিজের দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্স ধরে রেখে চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন দুইবারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন এরিনা সাবালেঙ্কা। শুক্রবার অনুষ্ঠিত তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে কামিলা রাখিমোভাকে ৬-৩, ৬-৪ সেটে হারিয়ে পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের দৌড়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন বিশ্বের এক নম্বর এই টেনিস তারকা।
ফ্লাশিং মেডোজের তীব্র গরমের সকালে সাবালেঙ্কা শুরু থেকেই ছিলেন দারুণ আক্রমণাত্মক। প্রথম সেটেই প্রতিপক্ষের সার্ভিস ব্রেক করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেন তিনি। ম্যাচ শেষে কোর্টে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে বলেন, ‘সকালের সেশনে এবারই প্রথম খেললাম, তাও আবার দর্শকে ঠাসা স্টেডিয়ামে। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ, এটি আমার জন্য স্বপ্নের মতো।’
সমগ্র ম্যাচ জুড়েই নিজের পাওয়ার-প্যাকড সার্ভিসের প্রদর্শনী দেখিয়েছেন সাবালেঙ্কা। পুরো ম্যাচে
১০টি এস মারার পাশাপাশি কোনো ব্রেক পয়েন্টের মুখোমুখি হতে হয়নি তাকে। এমনকি নিজের প্রথম সার্ভিসে মাত্র চারটি পয়েন্ট হারান তিনি। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ‘আমার খুব ভালো লাগছিল। পরিসংখ্যানগুলো অবিশ্বাস্য ছিল। একপর্যায়ে স্ক্রিনে দেখলাম প্রথম সার্ভিসের শতভাগ সাফল্য দেখাচ্ছে। তা দেখে আমি নিজেও কিছুটা অবাক হয়ে যাই।’ তবে প্রথম সেটে একটি ভিন্নধর্মী ঘটনার মুখোমুখি হতে হয় সাবালেঙ্কাকে। লুইস আর্মস্ট্রং স্টেডিয়াম কোর্টে হঠাৎ করেই গাঁজার তীব্র গন্ধ ভেসে আসলে তিনি আম্পায়ার ইভা আসদেরাকি-মোরকে বিষয়টি জানান। গন্ধের কারণে অল্প সময়ের জন্য খেলা স্থগিত রাখতে হয়। দ্বিতীয় সেটে অবশ্য রাখিমোভা ভালোই লড়াই চালিয়ে যান। সাবালেঙ্কার শক্তিশালী সার্ভিসের সামনে বাধা তৈরি করার পাশাপাশি নিজের
চারটি ব্রেক পয়েন্ট বাঁচান তিনি। তবে শেষপর্যন্ত সাবালেঙ্কা নিজের নিখুঁত রিটার্নের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্রেক পয়েন্টটি তুলে নেন এবং জয় নিশ্চিত করেন। প্রতিপক্ষের প্রশংসায় সাবালেঙ্কা বলেন, ‘দ্বিতীয় সেটে সে অবিশ্বাস্য খেলেছে। আমাকে কঠোর চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল, যা আমাকে নিজের সেরাটা বের করে আনতে সাহায্য করেছে। দুই সেটেই ম্যাচটি শেষ করতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।’ এই জয়ের মাধ্যমে ইউএস ওপেনে টানা ১৬টি ম্যাচে জয় পেলেন সাবালেঙ্কা। ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সেরেনা উইলিয়ামসের টানা তিনবার শিরোপা জয়ের পর প্রথম নারী খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন এই বেলারুশিয়ান তারকা। ঘরের পরিবেশের অনুভূতি বছরের শেষ এই গ্র্যান্ড স্ল্যামে টানা সাফল্য পাওয়ায় ফ্লাশিং মেডোজের হার্ড কোর্ট এখন
সাবালেঙ্কার কাছে একদম নিজের ঘরের মতো মনে হয়। তিনি বলেন, ‘আমি নিউ ইয়র্ক শহরকে খুব ভালোবাসি। সম্ভবত এ কারণেই এখানে নিজেকে নিজের বাড়িতে থাকার মতো মনে হয়। সবকটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে এই কোর্টেই আমি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।’ চতুর্থ রাউন্ডে সাবালেঙ্কার মুখোমুখি হবেন আমেরিকার টেলর টাউনসেন্ড অথবা রাশিয়ার ডিয়ানা স্নাইডার। আমেরিকান দর্শকের সমর্থনপুষ্ট টাউনসেন্ডের বিপক্ষে খেলা কিংবা ফ্রেঞ্চ ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে তাকে হারানো স্নাইডারের বিরুদ্ধে আবার মুখোমুখি হওয়া—দুই ক্ষেত্রেই কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে তার জন্য। স্থানীয় দর্শকদের বিপরীত সমর্থনের মুখোমুখি হতে হলেও যে তিনি প্রস্তুত, তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন সাবালেঙ্কা। তিনি বলেন, ‘তারা যে আমার চেয়ে নিজেদের দেশের খেলোয়াড়কেই বেশি সমর্থন
করবে, এটাই স্বাভাবিক। এখন আমি এটি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে শিখেছি। বাইরের কোনো কোলাহল বা শব্দে কান না দিয়ে নিজের খেলায় মনোযোগ রাখতে আমি বেশ পারদর্শী।’
১০টি এস মারার পাশাপাশি কোনো ব্রেক পয়েন্টের মুখোমুখি হতে হয়নি তাকে। এমনকি নিজের প্রথম সার্ভিসে মাত্র চারটি পয়েন্ট হারান তিনি। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ‘আমার খুব ভালো লাগছিল। পরিসংখ্যানগুলো অবিশ্বাস্য ছিল। একপর্যায়ে স্ক্রিনে দেখলাম প্রথম সার্ভিসের শতভাগ সাফল্য দেখাচ্ছে। তা দেখে আমি নিজেও কিছুটা অবাক হয়ে যাই।’ তবে প্রথম সেটে একটি ভিন্নধর্মী ঘটনার মুখোমুখি হতে হয় সাবালেঙ্কাকে। লুইস আর্মস্ট্রং স্টেডিয়াম কোর্টে হঠাৎ করেই গাঁজার তীব্র গন্ধ ভেসে আসলে তিনি আম্পায়ার ইভা আসদেরাকি-মোরকে বিষয়টি জানান। গন্ধের কারণে অল্প সময়ের জন্য খেলা স্থগিত রাখতে হয়। দ্বিতীয় সেটে অবশ্য রাখিমোভা ভালোই লড়াই চালিয়ে যান। সাবালেঙ্কার শক্তিশালী সার্ভিসের সামনে বাধা তৈরি করার পাশাপাশি নিজের
চারটি ব্রেক পয়েন্ট বাঁচান তিনি। তবে শেষপর্যন্ত সাবালেঙ্কা নিজের নিখুঁত রিটার্নের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্রেক পয়েন্টটি তুলে নেন এবং জয় নিশ্চিত করেন। প্রতিপক্ষের প্রশংসায় সাবালেঙ্কা বলেন, ‘দ্বিতীয় সেটে সে অবিশ্বাস্য খেলেছে। আমাকে কঠোর চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল, যা আমাকে নিজের সেরাটা বের করে আনতে সাহায্য করেছে। দুই সেটেই ম্যাচটি শেষ করতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।’ এই জয়ের মাধ্যমে ইউএস ওপেনে টানা ১৬টি ম্যাচে জয় পেলেন সাবালেঙ্কা। ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সেরেনা উইলিয়ামসের টানা তিনবার শিরোপা জয়ের পর প্রথম নারী খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন এই বেলারুশিয়ান তারকা। ঘরের পরিবেশের অনুভূতি বছরের শেষ এই গ্র্যান্ড স্ল্যামে টানা সাফল্য পাওয়ায় ফ্লাশিং মেডোজের হার্ড কোর্ট এখন
সাবালেঙ্কার কাছে একদম নিজের ঘরের মতো মনে হয়। তিনি বলেন, ‘আমি নিউ ইয়র্ক শহরকে খুব ভালোবাসি। সম্ভবত এ কারণেই এখানে নিজেকে নিজের বাড়িতে থাকার মতো মনে হয়। সবকটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে এই কোর্টেই আমি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।’ চতুর্থ রাউন্ডে সাবালেঙ্কার মুখোমুখি হবেন আমেরিকার টেলর টাউনসেন্ড অথবা রাশিয়ার ডিয়ানা স্নাইডার। আমেরিকান দর্শকের সমর্থনপুষ্ট টাউনসেন্ডের বিপক্ষে খেলা কিংবা ফ্রেঞ্চ ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে তাকে হারানো স্নাইডারের বিরুদ্ধে আবার মুখোমুখি হওয়া—দুই ক্ষেত্রেই কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে তার জন্য। স্থানীয় দর্শকদের বিপরীত সমর্থনের মুখোমুখি হতে হলেও যে তিনি প্রস্তুত, তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন সাবালেঙ্কা। তিনি বলেন, ‘তারা যে আমার চেয়ে নিজেদের দেশের খেলোয়াড়কেই বেশি সমর্থন
করবে, এটাই স্বাভাবিক। এখন আমি এটি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে শিখেছি। বাইরের কোনো কোলাহল বা শব্দে কান না দিয়ে নিজের খেলায় মনোযোগ রাখতে আমি বেশ পারদর্শী।’



